Maintance

সবার জন্য ইন্টারনেটের দ্বার খুলছে চীন

প্রকাশঃ ১০:০০ অপরাহ্ন, ডিসেম্বর ৩, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১১:০৭ অপরাহ্ন, ডিসেম্বর ৩, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং বলেছেন, দেশে বৈশ্বিক ইন্টারনেটের জন্য সবসময় আমাদের দরজা খোলা।

রোববার শি জন পিং বলেন, অনেকেই ধারণা করেন চীন বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে তাদের দরজা বন্ধ করে রেখেছে। কিন্তু আসলে তা নয়। এই দরজা সবার জন্য খোলা। তবে সাইবার অপরাধের মতো বিষয়ে তার দেশ খুব সতর্ক এবং কাউকে ছাড় দিতে নারাজ।

এমন মন্তব্যের পর অনেকেই অবশ্য ভাবতে শুরু করেছেন, দেশেটিতে তাহলে গুগল, ফেইসবুক এবং টুইটারের মতো প্রতিষ্ঠান হয়তো তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারবে অদূর ভবিষ্যতে। Internet-china-Techshohor

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রচার বিভাগের প্রধান হুয়াং কুনমিং চীনের ওয়াজেন শহরে পূর্ব চীনের সর্ববৃহৎ পাবলিক সাইবার পলিসি ফোরামে প্রধান। তিনি শি জিন পিংয়ের মন্তব্যটি ভালো করে পড়েছেন।

শি জিন পিং এক নোটে বলেছেন, চীনের সাইবার স্পেস খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে উন্নয়নের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এখনকার অবস্থাকে প্রথম ধাপ বলা যায়। এই অবস্থাতেই চীনের দরজা ‘আরও  আরও’ করে খুলে দেওয়া হবে।

ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে চীন নিজেদের সার্বভৌম হিসেবে ইন্টারনেটে বর্হিবিশ্বের হস্তক্ষেপ ব্যতিরেকে নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

গত বছর থেকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সাইবার আইনকে কঠোর করেছে। যেখানে কিছু আনুষ্ঠানিকতাসহ বেশকিছু কাজও করতে হয়। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানুগুলোকো নিজস্ব ফায়ারওয়ার ব্যবহার করতে হয় এবং ডাটাও দীর্ঘ সময় ধরে জমা রাখতে হয়।

গত জুন থেকে চীন নতুন করে একটি জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি আইন চালু করেছে। যেখানে বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয়ভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে হয় এবং সেটি সরকার যেন নজরদারি করতে পারে সেজন্য জমা দিতে হয়।

চীন নতুন করে একটি আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, যেখানে সব পক্ষকেই সঙ্গে নিয়ে সামনের দিকে এগোনো যায়। এজন্য প্রয়োজনে তারা তাদের সাইবার আইন শিথিল করতেও চায় বলে জানান কমিউনিস্ট পার্টির স্ট্যাডিং কমিটির সদস্য ওয়াং হুনিং। রোববার ওই ইভেন্টে এমন কথা বলেন তিনি।

সম্মেলনটি আয়োজন করে সাইবারস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চীন (সিএসি)। যেখানে বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

অ্যাপলের প্রধান টিম কুক, গুগলের সুন্দর পিচাই এবং ফেইসবুকের কর্মকর্তাদের।

যদিও চীনে এখনো গুগল, ফেইসবুক এবং টুইটারের মতো ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান এখনো তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারে না।

দেশটির প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য এসব প্রতিষ্ঠানকে আশা জাগাতে যাচ্ছে চীনে তাদের ব্যবসা দ্বার উন্মোচনের জন্য।

রয়টার্স অবলম্বনে ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/