Maintance

চাকরি প্রার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়া খুঁটিয়ে দেখে প্রতিষ্ঠান

প্রকাশঃ ৩:১৮ অপরাহ্ন, ডিসেম্বর ৩, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৮:১৬ পূর্বাহ্ন, ডিসেম্বর ৪, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অনেক প্রযুক্তিবিদ আছেন যারা চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে গুগল করে কিছু তথ্য জেনে নেন।

একইভাবে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানও কি প্রার্থীর ব্যাপারে অনলাইনে খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করে?

সম্প্রতি হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এসএইচআরএম) পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, ৮৪ শতাংশ ক্ষেত্রে প্রার্থীর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোতে নজর বুলানো হয়। এর বাইরে ৪৩ শতাংশ ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন ঘেঁটেও প্রার্থী সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কে কেমন সক্রিয়, কার আগ্রহ কিসে সেসব আমলে নিয়ে তবেই চাকরি প্রার্থীকে নির্বাচন করা হয়।

৩৬ শতাংশ কোম্পানি এই যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রার্থীর চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাতিল করে দেয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে তা নিয়ে কথা বলেছেন নামকরা প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ।

job-seekers-techshohor

অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট

টুইটার বা ফেইসবুকের পোস্ট সব পাবলিক করে দিতে হবে বিষয়টি মোটেও এমন নয়। কিন্তু টুইটারে বা ফেইসবুকে আপনি একেবারে নিষ্ক্রিয় থাকলে তা চাকরিদাতার মনে নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি করবে। তিনি ধরেই নেবেন, হয় আপনার নিজের সম্পর্কে জানানোর মতো কিছু নেই অথবা আপনি কিছু গোপন করতে চান।

যারা নিজের লিঙ্কড ইন বা টুইটারের অ্যাকাউন্টটি নিয়মিত হালনাগাদ করেন তাদের চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন উইলিয়াম অ্যান্ড ম্যারি কলেজের মার্কেটিং বিভাগের অ্যধাপক ডন অ্যাডমিস্টন।

ফলোয়ারের ভূমিকা

লাইভস্ট্রং ডট কমের কর্মকর্তা লিয়া হ্যাবারম্যান জানিয়েছেন, কারো অধিক সংখ্যক ফলোয়ার থাকলেও তাতে বিশেষ কিছু লাভ হয় না। তার চেয়ে টেক কমিউনিটির কোনো বিখ্যাত বা সুপরিচিত ব্যক্তিকে ফলো করলে বা বন্ধু তালিকায় থাকলে তা চাকরি প্রার্থীকে বাড়তি সুবিধা দেয়।

যে সেক্টরে প্রার্থী চাকরি চাইছেন সে সেক্টরের বিভিন্ন ফেইসবুক গ্রুপ বা পেইজে তার জানানো বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্যও পর্যবেক্ষণ করা হয়।

নিষ্ক্রিয়তা

অনলাইন মার্কেটিং ফার্ম ইজাঙ্গার মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক মিশেল ব্রামার বলেছেন, সোশ্যাল নেটওয়ার্কে অ্যাকাউন্ট খুলে শুধু বসে থাকলেই হবে না; প্রার্থী বুদ্ধিদীপ্ত কিনা, তার রসবোধ, সৃষ্টিশীল কাজে মনযোগ, সংবেদনশীলতা সবকিছু মাপতেই টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করা হয়।

মূলত আবেদনপত্রে যেসব তথ্য থাকে না সে সব তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানার উপায় হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। তাই নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করাটাও জরুরি।

মনস্টার অবলম্বনে আনিকা জীনাত

আরো পড়ুন:

*

*

Related posts/