Maintance

আসছে সপ্তাহে মেইড ইন বাংলাদেশ স্মার্টফোন

প্রকাশঃ ৭:৩১ অপরাহ্ন, নভেম্বর ২১, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:০১ অপরাহ্ন, নভেম্বর ২২, ২০১৭

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রথম হ্যান্ডসেট বাজারে আসছে আর কয়েকদিন পরই।

আর দেশের প্রথম মেইড ইন বাংলাদেশ হ্যান্ডসেটের এই ইতিহাসের সঙ্গে জুড়ে থাকছে ওয়ালটন।

শুরুতে ওয়ালটনকে তিনটি মডেলের থ্রিজি স্মার্টফোন উৎপাদনের অনুমতি দেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (বিটিআরসি)। আর ওয়ালটন এসব মডেলের হ্যান্ডসেটের পার্টস ও অ্যাকসেসরিজ সংযোজনও প্রায় শেষ করে ফেলেছে।

এর মধ্যে প্রিমো এফ৭এস মডেলের ১৫ হাজার ৩’ শত ইউনিট, ই৮এস মডেলের ২০ হাজার ৪’শ এবং প্রিমো এনএফ৩ ১৫ হাজার ৩’শ ইউনিট রয়েছে।

এখন এসব হ্যান্ডসেট গ্রাহকের হাতে তুলে দেয়ার মাঝে শুধু বিটিআরসির আইএমইআই নম্বর জমা-যাচাই ছাড়পত্রের অপেক্ষা। বিটিআরসিও আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষায় আছে এই ইতিহাসের পথ খুলে দিতে।

Walton-techshohor

ওয়ালটনের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম টেকশহরডটকমকে জানান, তিন মডেলের হ্যান্ডসেট উৎপাদনের অনুমতি মিলেছে। এগুলোর উৎপাদনও শেষ। সামনের সপ্তাহেই মেইড ইন বাংলাদেশের স্মার্টফোন গ্রাহকের হাতে তুলে দিতে পারবে ওয়ালটন।

এর আগে চলতি বছরের ৫ অক্টোবর বাংলাদেশে প্রথম হ্যান্ডসেট সংযোজন-উৎপাদন কারখানা চালু করে ওয়ালটন।

গাজীপুরের চন্দ্রায় ওই কারখানার নাম ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কারখানার আয়তন ২ লাখ বর্গফুট।

এতে দেশী-বিদেশী প্রকৌশলীসহ কারখানায় সব মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার কর্মী সম্পৃক্ত রয়েছেন।  শুরুতে চারটি উৎপাদন ইউনিট চালু করা হয় ওয়ালটনের এই কারখানায়। প্রতি ইউনিটে দিনে ৪ হাজার হ্যান্ডসেট উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে।

কারখানা উদ্বোধন সময়ে ওয়ালটন জানিয়েছিল, প্রাথমিকভাবে মাসে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ৫ লাখ হ্যান্ডসেট। এতে ছয়টি মডেলের হ্যান্ডসেট সংযোজন করা হবে। আর ২০১৮ সালেই উৎপাদন ইউনিট ১০ করতে চায় ওয়ালটন। করা। বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা নিতে চায় ১ কোটিতে। যেখানে ৭০ লাখ হবে ফিচার ও ৩০ লাখের মতো হবে স্মার্টফোন।

দেশের হ্যান্ডসেট উৎপাদনের শিল্প গড়ে ওঠার অপরিহার্য সুবিধাটা করে দেয় সরকার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে সরকার স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট সংযোজন ও উৎপাদনের জন্য যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর বড় ধরণের ছাড় দেয়।

এক্ষেত্রে এসকেডি (সেমি নক ডাউন) পদ্ধতির ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ এবং সিকেডি (কমপ্লিট নক ডাউন) পদ্ধতির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ আমদানি শুল্ক নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে উভয় ক্ষেত্রে এ শুল্ক ছিল ৩৭.০৭ শতাংশ।

আর এটিই ছিল স্থানীয় উৎপাদকদের পথ চলার মহাসড়ক।

*

*

Related posts/