Maintance

স্টার্টআপ ব্যর্থ হওয়ার কারণ

প্রকাশঃ ৮:০০ অপরাহ্ন, নভেম্বর ১৫, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১২:২৬ অপরাহ্ন, নভেম্বর ১৬, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রায়ই ছোট বড় স্টার্টআপগুলো অনেক প্রত্যাশা নিয়ে শুরু করা হলেও কিছু দিন না যেতেই দেখা যায় সেগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাই ব্যর্থতার কারণ খুঁজে বের করেছে সিবি ইনসাইট রিসার্চ।

প্রতিষ্ঠানটি ব্যর্থ হওয়া ১০১ টি স্টার্টআপের ওপরে গবেষণা চালিয়েছে।  এ থেকে তারা স্টার্টআপগুলোর ব্যর্থ হওয়ার কয়েকটি প্রধান কারণ সনাক্ত করেছে। ব্যর্থতার এই কারণ নিয়েই থাকছে আজকের আয়োজন।

বাজারে চাহিদা

এমন অনেক স্টার্টআপই গড়ে ওঠে যেগুলো খুব ভালোভাবে একটি সমস্যার সমাধান দিতে পারে। কিন্তু বাজারে এসবের চাহিদা না থাকায় এই স্টার্টআপগুলো গ্রহণযোগ্যতা হারায়। এমন কারণে স্টার্টআপ ব্যর্থ হওয়ার হার ৪২ শতাংশ।

অর্থের সংকট

স্টার্টআপ শুরু করলে টাকা পয়সার হিসাব ঠিক রাখাটাও খুব জরুরি। কোন খাতে কিভাবে, কতো পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে তার হিসাব রাখতে না পারলে উদ্যোক্তারা সফল হতে পারেন না। অর্থ সংকটের কারণে ব্যর্থতার হার ২৯ শতাংশ।

দল গঠনে ভুল

দলের সদস্য বাছাইয়ে ভুল হলে  উদ্যোক্তাকেই তার মাসুল দিতে হয়। সবাই সব বিষয়ে দক্ষ হয় না। তাই যার যে বিষয়ে দক্ষতা আছে তাকে সে কাজেই নিয়োগ দেওয়া উচিত। যোগ্য দলের অভাবে স্টার্টআপ বন্ধ হয়ে যাওয়ার হার ২৩ শতাংশ।

প্রতিযোগিতা

উদ্যোক্তা যদি বাজারে টিকে থাকার ব্যাপারটিকে হালকাভাবে নেন তাহলেই বিপদ। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের কারণে ব্যর্থ হওয়া স্টার্টআপের হার ১৯ শতাংশ।

দাম বেশি

অনেক সময় উদ্যোক্তারা তাদের উৎপন্ন জিনিস বা সেবার সঠিক মূল্য নির্ধারণ করতে ভুল করেন। সেবা বা পণ্যের দাম বেশি হলে কিংবা অতিরিক্ত কম হলে বাজারে তা গ্রহণযোগ্যতা হারায়। এ কারণে ব্যর্থতার হার ১৮ শতাংশ।

চাহিদা

ভোক্তা বা গ্রাহকদের কাজে লাগবে এমন পণ্য বা সেবাই সরবরাহ করা উচিত। চাহিদা না থাকলে ১৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই স্টার্টআপগুলো মুখ থুবড়ে পরে।

bussiness-idea-techshohor

বিজনেস মডেল

প্রতিটি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানেরই বিজনেস মডেল থাকে। তবে শুধু বিজনেস মডেলই তৈরিই যথেষ্ট নয়। দীর্ঘ স্থায়ীভাবে বিজনেস মডেলকে কাজে লাগাতে না পারায় স্টার্টআপ বন্ধ হয়ে যাওয়ার হার ১৭ শতাংশ।

প্রচারণা

প্রতিটি সেবা বা পণ্যের জন্য প্রচারণা চালানো জরুরি। কিন্তু সবার আগে জানতে হবে কাদেরকে লক্ষ্য করে প্রচারণা চালানো হবে। মার্কেটিং পলিসিতে ভুলের কারণে ব্যর্থ হওয়া স্টার্টআপের হার ১৪ শতাংশ।

ফিডব্যাক

বাজারে টিকে থাকতে হলে ক্রেতা বা গ্রাহকদের সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দিতে হবে। তাদের ফিডব্যাককে অবহেলা করায় ১৪ শতাংশ স্টার্টআপ ব্যর্থতার মুখ দেখেছে।

ভুল সময়

অনেক আগে পণ্য উন্মোচনের ঘোষণা দিলে বা পণ্য বাজারে আনতে দেরি করলেও ব্যর্থ হতে হয়। সময়ের হিসাব নিকাশে ভুল করার কারণে ১৩ শতাংশ স্টার্টআপ বন্ধ হয়ে গেছে।

লক্ষ্য

কোনো স্টার্টআপ প্রাথমিক পর্যায় থাকা অবস্থায় উদ্যোক্তার মনোযোগ অন্যদিকে সরে গেলেও বিপদ। ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে মনোযোগ না দেওয়ায় ১৩ শতাংশ স্টার্টআপ ব্যর্থ হয়েছে।

গ্যাজেট নাউ অবলম্বনে আনিকা জীনাত

১ টি মতামত

  1. সফর said:

    আসলেই দরকারি কথা গুলো এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
    সেম এমন একটা রিসোর্স বা লেখার জন্যই আমাদের দাঁতভাঙা ইংলিশ পড়ে পড়ে জানা লাগে।
    ধন্যবাদ টেকশহর

*

*

Related posts/