Maintance

অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, দেশে পেপ্যালের নতুন সেবাই আসছে

প্রকাশঃ ১:০৬ পূর্বাহ্ন, অক্টোবর ১৮, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১:৩৭ অপরাহ্ন, অক্টোবর ১৮, ২০১৭

দেশে সম্প্রতি পেপ্যাল-জুম নিয়ে ‘বিতর্ক ও প্রশ্নবাণে’ জর্জরিত তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টেকশহরডটকমের আল-আমীন দেওয়ানের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাতকারে দেশে পেপ্যাল-জুমের সত্য-অসত্য, প্রচার-অপপ্রচার নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন তিনি।

টেক শহর : বৃহস্পতিবার ফ্রিল্যান্সার সম্মেলনে পেপ্যাল সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন নিয়ে ‘পেপ্যাল-জুম’ ব্যাপক বির্তক শুরু হয়েছে। এই বিতর্ক কীভাবে দেখছেন?

জুনাইদ আহমেদ পলক :  আমরা বলছি ১৯ অক্টোবর ফ্রিল্যান্সার সম্মেলনে পেপ্যালের সার্ভিস লঞ্চ হচ্ছে। এটা নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই। পেপ্যাল সেবার কয়েকটি ধাপ আছে-ইনবাউন্ড, আউটবাউন্ড এবং ওয়ালেট। এখন ইনবাউন্ট সার্ভিসটা চালু হচ্ছে। ১০৩টা দেশের মতো বাংলাদেশেও এটি চালু হচ্ছে।

আমরা পেপ্যালের সঙ্গে গত ৩ বছর ধরে যোগাযোগ করছিলাম। প্রথমে ২০১৫ তে আমাদের জুমের সঙ্গে বৈঠক হয়। ২০১৬ তে জুম-সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট টু অ্যাকাউন্টি লেনদেন হয়। তারপরে ২০১৬ তে পেপ্যালের সঙ্গে জুম একীভূত হওয়ার ফলে এখন পেপ্যালের এক্সপ্রেস সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশে পেপ্যালের ওয়ালেট হতে ইনবাউন্ড সার্ভিসটা চালু হতে যাচ্ছে।

ইউরোপ-আমেরিকাসহ ২৯টি দেশে পেপ্যালের যে পুর্ণাঙ্গ সার্ভিস আছে সেখানেও কিন্তু প্রথমে ইনবাউন্ড সার্ভিসটি চালু হয়েছে তারপর ওয়ালেট চালু হয়েছে। আমাদের দেশেও পেপ্যালের এই সার্ভিসটির টেস্ট ট্রানজিকশন হচ্ছে। ১৯ অক্টোবর এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। পেপ্যালের সার্ভিসটিরই কিন্তু এখন সোনালী রুপালীসহ ৯ টি ব্যাংকে ট্রানজিকশন হচ্ছে । এই লেনদেনের সব রের্কড কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সবার কাছে রয়েছে।

টেক শহর : তাহলে এই বিতর্ককে কি বিভ্রান্তি বা অপপ্রচার হিসেবে দেখছেন?

জুনাইদ আহমেদ পলক : এটি অপপ্রচার। এই পেপ্যালের কথা শুনছি ১০ বছর ধরে। কিন্তু পেপ্যালের কোনো অগ্রগতি কোনো ধাপ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে অতীতের কোনো সরকারকে দেখিনি।

অনেকেই স্যোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় সমালোচনা করার চেষ্টা করছেন, বিতর্ক করার চেষ্টা করছেন। এটা মেনে নিতে হবে যে, আজ হতে ৮ বছর আগে দেশে জুম-পেপ্যাল কোনো কিছুরই অস্থিত্ব ছিল না, ন্যাশনাল পেইমেন্ট গেটওয়ে সুইচ ছিল না, মোবাইল ব্যাংকিং ছিল না। শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ধীরে ধীরে ধাপে ধাপে এই ডিজিটাল ট্রানজিকশনের পথ সুগম করেছে।

যারা সমালোচনা করার তারা সমালোচনা করবে আমরা কাজ করে যাবো। অতীতেও দেখেছি যখন বিনা পয়সায় সাবমেরিন ক্যাবলের যুক্ত হওয়ার অফার ছিল তখন কারও বোঝার ভুলে তা সম্ভব হয়নি। দেখেছি কিভাবে মোবাইল মনোপলি দিয়ে ১০ বছর বাংলাদেশের মোবাইল বিপ্লব হতে বাংলাদেশকে দূরে রাখা হয়েছে। ৯৮ সালে যখন হাইটেক পার্ক শুরু করা হয়েছি তখন তা কিন্তু ২০০১- ২০০৬ পর্যন্ত কন্টিনিউ হয়নি। শেখ হাসিনার সরকার এসে নতুন করে এই পার্ক করেছে।

টেক শহর : বির্তকে মূল বিষয় হচ্ছে, বৃহস্পতিবার যা উদ্বোধন করা হবে তা জুম আর জুম আগেই ছিল। এটি নতুন করে উদ্বোধনের কি আছে? কিন্তু কাগজে-কলমে আমরা জেনেছি যে এদিন পেপ্যাল সেবা লঞ্চ হবে। এই পেপ্যাল সেবায় নতুন কি আছে, যে সুবিধা আগে জুমে ছিল না বা বাংলাদেশের মানুষ পেত না ?   

জুনাইদ আহমেদ পলক : যারা সমালোচনা করছেন যে-এর আগে জুম ছিলই তাহলে এখন নতুন কী আসলো? এর আগে জুমের কোনো প্লার্টফর্মের  মাধ্যমে ই-ওয়ালেট থেকে টাকা পাঠানো যেত না। পেপ্যালের সঙ্গে কোনো ইন্টিগ্রেশন ছিল না বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকের। জুম সার্ভিস এবং পেপ্যালের এক্সপ্রেস সার্ভিস দুটি তো ভিন্ন জিনিস।

পেপ্যালকে একধাপ এগিয়ে এনেছি। প্রথমে আমরা জুমের ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রানজিকশনে গিয়েছিলাম। প্রথম স্টেপে জুমের সঙ্গে বাংলাদেশের যে ট্রানজিকশনটা হয়েছে সেখানে পেপ্যালের ওয়ালেটের সঙ্গে কোনো ইন্টিগ্রেশন ছিল না। এ কারণে সে সময় এটির কোনো আনুষ্ঠানিকতা করা হয়নি।

তারপরে পেপ্যাল যখন বাংলাদেশের মার্কেট সার্ভে করে তারা যখন দেখেছে এটা একটা ইমার্জিং মার্কেট তখনই তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এখন আপনি যখন যাবেন পেপ্যালের ওয়েবসাইটে, আপনি আমেরিকার একজন ক্লাইন্টকে যখন বলবেন যে আপনার পেপ্যাল ই-ওয়ালেট থেকে আমার সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠান। ওই ক্লাইন্ট তখন যাবেন। পেপ্যালের ই-ওয়ালেট হয়ে ওয়েবসাইটে গিয়ে বাংলাদেশ অপশনটা পাবেন। বাংলাদেশের অপশনে গিয়ে সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকাটা পাঠিয়ে দিতে পারবেন। আর ৪০ মিনিটে টাকাটা চলে আসবে বাংলাদেশের গ্রাহকের কাছে। এটা আগে সম্ভব ছিল না। আমারা ১৯ তারিখে সেটা দেখাবো যে কিভাবে এই টাকাটা ট্রান্সফার হয়।

সাম্প্রতিক যুক্ত হওয়া বাংলাদেশসহ ১০৩টা দেশে পেপ্যাল ইনবাউন্ড সার্ভিস দেয়। ২০৩টা দেশে তাদের কোনো কোনো সার্ভিস আছে আর ২৯টা দেশে পেপ্যালের পুর্ণাঙ্গ সার্ভিস আছে।

টেক শহর : পরিষ্কার করে বললে পেপ্যাল এক্সপ্রেস সার্ভিসই নতুন সেবা হিসেবে চালু হচ্ছে যা আগে ছিল না,  তাই কি?

জুনাইদ আহমেদ পলক : আগেই বলেছি যে বাংলাদেশে জুম-পেপ্যাল কোনো কার্যক্রমই ছিল না। সেটা আমরাই জুম হতে শুরু করি। আগে ইউএসের একটি ব্যাংক হতে বাংলাদেশের একটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যেত। কিন্তু বাংলাদেশের একজন ফ্রিল্যান্সারের কাছে ইউএসের একজন ক্লাইন্ট পেপ্যাল ওয়ালেট হতে টাকা পাঠাতে পারতো না। কারণ পেপ্যাল ওয়ালেট হতে টাকা বাংলাদেশ রিসিভ করে না। এর আগে কোনো ফ্রিল্যান্সার পেপ্যালের ওয়ালেট হতে পাঠানো টাকা তার অ্যাকাউন্টে নিতে পারতো না। তাকে যেতে হতো অন্যকোনো প্লাটফর্মে, দেশের বাইরে তার বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়ের কাছে। কারণ বাংলাদেশের সঙ্গে পেপ্যালের এই ধরণের কোনো সমঝোতা বা চুক্তি ছিল না। কিন্তু পেপ্যাল জুম নিয়ে নেয়ার পর পেপ্যালেরই একটি সার্ভিস এক্সপ্রেস এখন চালু করছি আমরা।

টেক শহর : পেপ্যাল এক্সপ্রেসে আরও কোনো সুবিধা?

জুনাইদ আহমদে পলক : ১৯ তারিখে ধরেন কিছু মানুষজন যুক্ত হবে পেপ্যালের এই নেটওয়ার্কে। তবে আমার আশা খুব দ্রুতই এটি বাড়তে থাকবে। এর ফলে দেশের ৫ লাখ ফ্রিল্যান্সার উপকৃত হবে। সরাসরি তারা খুব অল্প খরচে মানে এক হাজার ডলার পর্যন্ত আনতে তাদের ৪ দশমিক ৯৯ ডলার খরচ হবে।  আর ১ হাজার হতে ১০ হাজার পর্যন্ত এক টাকাও খরচ হবে না। এর ফলে লিগ্যাল চ্যানেলে খুব অল্প খরচে বাংলাদেশে টাকাটা আসবে।

টেক শহর : আপনি বলছেন পেপ্যাল নিয়ে অপপ্রচার হচ্ছে। তাহলে এর জন্য কাউকে বা কোনো গোষ্ঠীকে দায়ী করছেন?

জুনাইদ আহমেদ পলক : আমি লক্ষ্য করছি গত ৭দিন ধরে বিভিন্ন গোষ্ঠী এমনভাবে অপপ্রচার করছে যে, পেপ্যাল বাংলাদেশে আসলে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। অথচ দেখুন এখানে ১৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স একটা সিকিউর চ্যানেলে মানুষ আনা শুরু করবে।

আর এর ফলে কিছু মানুষ ক্ষতিগ্রস্থও হবে। এরা অবৈধ ও প্রশ্নবিদ্ধ লেনদেনের একটি চক্র। এই ক্ষতিগ্রস্থ গোষ্ঠীই একটা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। পেপ্যালকে বারবার হিট করছে তাদের বিভিন্ন সাইটে গিয়ে বিভিন্নভাবে ইমেইল পাঠিয়ে।

আমরা পেপ্যালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং পেপ্যাল অফিসিয়ালিও যেটুকু সার্ভিস এখন আসবে সেটুকুও আমাদের কাছে ক্লিয়ার করেছে। আর এটি তো মুখের কথা নয়। এটির জন্য আমাদের অনেকবার মিট করতে হয়েছে, চুক্তি হয়েছে।

১৯ তারিখ পেপ্যালের এক্সপ্রেস সার্ভিসটা চালু হচ্ছে। পেপ্যালের সঙ্গে বাংলাদেশের ইন্টিগ্রেশন হচ্ছে। পেপ্যালের একটি সার্ভিসের প্রথম ধাপ ইন্ট্রোডিউস হতে যাচ্ছে। যে যেভাবেই বলুক আজ হোক, কাল হোক সত্য অবশ্যই বিজয়ী হবে। অতীতে বারবার ষড়যন্ত্র,অপপ্রচার হয়েছে কিন্তু দিনশেষে সত্যটাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পেপ্যাল নিয়ে আমরা খুবই আগ্রহী এবং আমরা মনেপ্রাণে চাই পেপ্যাল ধাপে ধাপে বাংলাদেশে তাদের সব সার্ভিসগুলো দেবে।

টেক শহর : পেপ্যালের অন্য দুটি সেবা আউটবাউন্ড ও ই-ওয়ালেট তাহলে কবে নাগাদ চালু হবে? যখন বলা যাবে বাংলাদেশে পেপ্যালের পুর্ণাঙ্গ সেবা চালু আছে

জুনাইদ আহমেদ পলক : আমরা আশা করছি বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু পলিসি ইন্টিগ্রেশনের ফলে খুব দ্রুতই বাকি সুবিধাগুলো আউটবাউন্ড, ই-ওয়ালেট সেগুলোও পাব।

এখন আমাদের প্রয়োজন হচ্ছে প্রথমে ইনবাউন্ড ফ্যাসিলিটিসটা দেওয়া। পেপ্যালের সঙ্গে আমাদের প্রতিনিয়ত যোগাযোগ হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকেও ইকেওয়াইসি পলিসি অ্যাডাপ্ট করা নিয়ে আলোচনা-ডায়ালগ চালিয়ে যাচ্ছি। এই ইকেওয়াইসি হলে পেপ্যালের আউটবাউন্ড ও ওয়ালেট চালু সহজ হয়।

টেক শহর : পেপ্যাল সেবা উদ্বোধনে পেপ্যালের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত থাকছেন কি?

জুনাইদ আহমেদ পলক : ১৪ অক্টোবরের আগে তারা আসতে পারতেন আবার ২০ তারিখের পরে আসতে পারবেন। কারণ তাদের ২০ তারিখে কোয়াটার্লি রিপোর্ট দিতে হয়। সে কারণে তাদের ভাইস-প্রেসিডেন্ট পর্যায়ে বা উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তারা বেশ অ্যাঙ্গেজ থাকবেন।

তবে পেপ্যালের লোকাল পার্টনার হিসেবে নয়টি ব্যাংকের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে থাকছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক তো থাকছেই, তারা এর সহ-আয়োজক। আমরা প্রত্যাশা করছি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পেপ্যালের একটি প্রতিনিধি দল কিংবা কোনো প্রতিনিধি বাংলাদেশে আসবেন আমাদের পরবর্তী যে পদক্ষেপগুলো আছে সেগুলো কীভাবে শুরু করা যায় তা নিয়ে। এটা চলমান প্রক্রিয়া, গত সপ্তাহে সোনালী ব্যাংকের একটি টিম আমেরিকা সফর করে আসছে।

আমরা যোগাযোগ নিয়মিত। আমাদের যোগাযোগ স্যানফ্রানসিসকোর সিলিকন ভ্যালির অফিসের সঙ্গে। সেখান হতে যখন যেটুকু অ্যাপ্রুভাল পাচ্ছি আমরা সেটুকুই বলছি। এখন বির্তক বা সমালোচনা যে যাই বলুক আমরা কিন্তু আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং পেপ্যালের সঙ্গে আমাদের সংযোগ ও সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে চাই।

কোনোভাবেই কারও কোনো উস্কানিতে বিভ্রান্ত হতে চাই না। কারণ এটা দেশের বৃহত্তর স্বার্থের ব্যাপার। অনলাইন ট্রানজিকশনে বিশ্বে পেপ্যাল এক নম্বর। বাংলাদেশে ধাপে ধাপে এদের সবগুলো সার্ভিস চালু করা আমাদের প্রথম গুরুত্ব।

১১ টি মতামত

  1. Nur amin said:

    “জুনাইদ আহমেদ পলক : এটি অপপ্রচার। এই পেপ্যালের কথা শুনছি ১০ বছর ধরে। কিন্তু পেপ্যালের কোনো অগ্রগতি কোনো ধাপ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে অতীতের কোনো সরকারকে দেখিনি।অনেকেই স্যোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় সমালোচনা করার চেষ্টা করছেন, বিতর্ক করার চেষ্টা করছেন। এটা মেনে নিতে হবে যে, আজ হতে ৮ বছর আগে জুম-পেপ্যাল কোনো কিছুরই অস্থিত্ব ছিল না, ন্যাশনাল পেইমেন্ট গেটওয়ে সুইচ ছিল না, মোবাইল ব্যাংকিং ছিল না। শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ধীরে ধীরে ধাপে ধাপে এই ডিজিটাল ট্রানজিকশনের পথ সুগম করেছে।”

    যেইটার জন্ম হয়েছে ৮ বছর আগে সেইটা আপনি ১০ বছর থেকে শুনছেন কিভাবে? জাতি জানতে চায়।

  2. Mamun said:

    মন্ত্রী সাহেব যেই মুলার কথা বললেন সেই মুলা চালু আছে এখনো । ইউএস একজন ক্লায়েন্ট এখনি তার পেপ্যাল মাস্টারকার্ড ব্যবহার করে জুম এর মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন, এজন্য তার ব্যাংকে বা কোন এজেন্টের কাছে যাওয়া লাগেনা । আর এই মুলা মানে জুম শুধু মাত্র ইউএস থেকে ব্যবহার করা যাবে, ইউএস এর বাইরে বাংলাদেশিদের হাজার হাজার ক্লায়েন্ট আছে। ক্রেডিট নেওয়ার জন্য এই একি মুলা ঘুরায় ফিরায় ১-২ বছর ধরে মানুষরে খাওয়াইতেছে ।

  3. Mohammad Saiful Islam said:

    তিন রাস্তা ঘুরে ডলার গ্রহণ করলাম ঠিক আছে, কিন্তু প্রয়োজনে ক্লাইন্টকে যদি সেই ডলার ফেরত দিতে হয় তখন কিভাবে সেটা করতে হবে।
    Transactional বিষয় কিভাবে আপনি মনে করেন One way road এর কথা, আমার বুঝে আসেনা।

    যেখানে আদানপ্রদান ই অখণ্ড অংশ বিশেষ।

  4. Taufiqul Islam Pius said:

    জুম খাওয়ানো হবে পে-পল এর নামে!

    ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশে ‘জুম’ উদ্ভোধন করা হবে- সেখানে পে-পল এর কোন কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবেন না তবে মন্ত্রী পলক থাকবেন।

    জুনাইদ আহমেদ পলক একটি ইন্টারভিও-এ (http://techshohor.com/news/91795) বলেছেন ‘আমরা বলছি ১৯ অক্টোবর ফ্রিল্যান্সার সম্মেলনে পেপ্যালের সার্ভিস লঞ্চ হচ্ছে। এটা নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই। এটি অপপ্রচার। এই পেপ্যালের কথা শুনছি ১০ বছর ধরে। কিন্তু পেপ্যালের কোনো অগ্রগতি কোনো ধাপ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে অতীতের কোনো সরকারকে দেখিনি।

    এটা মেনে নিতে হবে যে, আজ হতে ৮ বছর আগে জুম-পেপ্যাল কোনো কিছুরই অস্থিত্ব ছিল না, ন্যাশনাল পেইমেন্ট গেটওয়ে সুইচ ছিল না, মোবাইল ব্যাংকিং ছিল না। শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ধীরে ধীরে ধাপে ধাপে এই ডিজিটাল ট্রানজিকশনের পথ সুগম করেছে।’

    আওয়ামী লীগ হলেই যে মিথ্যা বলতে হয়- সেটা মন্ত্রী পলক আবারও সাফল্যজনকভাবেই প্রমাণ করে দিলেন।

    মন্ত্রী পলক নাকি পেপল এর কথা শুনছেন ১০ বছর ধরে!
    মন্ত্রী পলককে বলছি- একটু পড়াশোনা করুন- জেনে শুনে কথা বলবেন। দেশের সব মানুষ আম্লীগ না এমনকি সকলে জিপিএ পাইপও না।

    অনলাইন শপিং কোম্পানী ‘ই-বে’ ১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ই-বের অনলাইন ট্রানজাশনের জন্যই ১৯৯৮ সালে ডিসেম্বরে পে-পল প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    আমি নিজে পে-পল ব্যবহার করে আসছি ২০০৪ থেকে।

    মন্ত্রী পলক বলছেন ৮ বছর আগে জুম-পেপ্যাল কোনো কিছুরই অস্থিত্ব ছিল না।

    আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি- এই গাধাগুলি মন্ত্রী হয় কিভাবে?

    জুম প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০১ এর মার্চে।

    মন্ত্রী পলক বলছে, ‘তারপরে ২০১৬ তে পেপ্যালের সঙ্গে জুম একীভূত হওয়ার ফলে এখন পেপ্যালের এক্সপ্রেস সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশে পেপ্যালের ওয়ালেট হতে ইনবাউন্ড সার্ভিসটা চালু হতে যাচ্ছে।’

    জুম মুলত পে-পল এর একটি সার্ভিস (একীভুত শব্দটিই অবান্তর!) যেটার সাহায্যে ‘পে-পল ব্যালেন্স’ রেমিটেন্স করা যায় এবং যার রেটও বাজারে প্রচলিত অন্যান্য রেমিটেন্স কোম্পানীগুলির চেয়ে বেশী।

    মন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আরও বলছেন ‘এই পেপ্যালের কথা শুনছি ১০ বছর ধরে। কিন্তু পেপ্যালের কোনো অগ্রগতি কোনো ধাপ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে অতীতের কোনো সরকারকে দেখিনি।’

    ঐ গাধা কি উত্তর দেবে গত দশ বছর বাংলাদেশে কোন সরকার ক্ষমতায় রয়েছে? ও যে নিজের থুথু নিজেকেই যে দিচ্ছে সেটাও বোঝার মতো বোধ নেই?

    রাস্তা থেকে গরু-ছাগল ধরে এনে মন্ত্রী বানালে এরচে বেশী কি হবে?

    XOOM মুলতস্বতন্ত্র সার্ভিস যেখান থেকে রেমিটেন্স করা যায়। পে-পল একাউন্ট এর সংগে জুম এর কোন সম্পর্কই নেই।

    তবে, পেপল, ই-বে, জুম একই মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

    পেপল একাউন্টটি আপনার ই-মেইল এড্রেস অনুযায়ীই হবে। জুমে আপনি কোন এড্রেস পাবেন না।

    আমি নিজে জুম ব্যবহার করি আরও ৫ বছর আগে থেকে।
    জুম দিয়ে ফ্রি ল্যান্সার কি ঘাস কাটবেন?

    এর আগে আমরা দেখেছি ‘আর একজন’ নিজেই গুগল আবিস্কার করার কথা বলে মাসে দু’লাখ ডলার করে এখনও নিয়মিত হাতিয়ে নিচ্ছে। এই মন্ত্রী আবার জুম এর নামে পেপল চালিয়ে দিয়ে সান ফ্রান্সসিসকো ভ্রমণ ভাতার নামে কত লাখ ডলার পকেটে ঢুকাচ্ছে কে জানে?

  5. Taufiqul Islam Pius said:

    আওয়ামী লীগ হলেই যে মিথ্যা বলতে হয়- সেটা মন্ত্রী পলক আবারও সাফল্যজনকভাবেই প্রমাণ করে দিলেন।

    মন্ত্রী পলক নাকি পেপল এর কথা শুনছেন ১০ বছর ধরে!
    মন্ত্রী পলককে বলছি- একটু পড়াশোনা করুন- জেনে শুনে কথা বলবেন। দেশের সব মানুষ আম্লীগ না এমনকি সকলে জিপিএ পাইপও না।

    অনলাইন শপিং কোম্পানী ‘ই-বে’ ১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ই-বের অনলাইন ট্রানজাশনের জন্যই ১৯৯৮ সালে ডিসেম্বরে পে-পল প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    আমি নিজে পে-পল ব্যবহার করে আসছি ২০০৪ থেকে।

    মন্ত্রী পলক বলছেন ৮ বছর আগে জুম-পেপ্যাল কোনো কিছুরই অস্থিত্ব ছিল না।

    আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি- এই গাধাগুলি মন্ত্রী হয় কিভাবে?

    জুম প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০১ এর মার্চে।

    মন্ত্রী পলক বলছে, ‘তারপরে ২০১৬ তে পেপ্যালের সঙ্গে জুম একীভূত হওয়ার ফলে এখন পেপ্যালের এক্সপ্রেস সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশে পেপ্যালের ওয়ালেট হতে ইনবাউন্ড সার্ভিসটা চালু হতে যাচ্ছে।’

    জুম মুলত পে-পল এর একটি সার্ভিস (একীভুত শব্দটিই অবান্তর!) যেটার সাহায্যে ‘পে-পল ব্যালেন্স’ রেমিটেন্স করা যায় এবং যার রেটও বাজারে প্রচলিত অন্যান্য রেমিটেন্স কোম্পানীগুলির চেয়ে বেশী।

    মন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আরও বলছেন ‘এই পেপ্যালের কথা শুনছি ১০ বছর ধরে। কিন্তু পেপ্যালের কোনো অগ্রগতি কোনো ধাপ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে অতীতের কোনো সরকারকে দেখিনি।’

    ঐ গাধা কি উত্তর দেবে গত দশ বছর বাংলাদেশে কোন সরকার ক্ষমতায় রয়েছে? ও যে নিজের থুথু নিজেকেই যে দিচ্ছে সেটাও বোঝার মতো বোধ নেই?

    রাস্তা থেকে গরু-ছাগল ধরে এনে মন্ত্রী বানালে এরচে বেশী কি হবে?

    XOOM মুলতস্বতন্ত্র সার্ভিস যেখান থেকে রেমিটেন্স করা যায়। পে-পল একাউন্ট এর সংগে জুম এর কোন সম্পর্কই নেই।

    তবে, পেপল, ই-বে, জুম একই মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

    পেপল একাউন্টটি আপনার ই-মেইল এড্রেস অনুযায়ীই হবে। জুমে আপনি কোন এড্রেস পাবেন না।

    আমি নিজে জুম ব্যবহার করি আরও ৫ বছর আগে থেকে।
    জুম দিয়ে ফ্রি ল্যান্সার কি ঘাস কাটবেন?

    এর আগে আমরা দেখেছি ‘আর একজন’ নিজেই গুগল আবিস্কার করার কথা বলে মাসে দু’লাখ ডলার করে এখনও নিয়মিত হাতিয়ে নিচ্ছে। এই মন্ত্রী আবার জুম এর নামে পেপল চালিয়ে দিয়ে সান ফ্রান্সসিসকো ভ্রমণ ভাতার নামে কত লাখ ডলার পকেটে ঢুকাচ্ছে কে জানে?

    • Taufiqul Islam Pius said:

      Md. Yosuuf Ali -> একটি অচল রেমিটেন্স কোম্পানী (যা আরও ২ বছর আগে থেকে চালু) উদ্ভোধন করা হচ্ছে পে-পল এর নাম বিক্রি করে; আর জানাবেন সাধুবাদ- আপনাদের মতো গরু-ছাগলদের জন্যই পলক গাধারা মন্ত্রী হয়েছে। গাধাকে গরু-ছাগল সাধুবাদ জানাতে পারে কিন্তু মানুষ পারে না; মানুষের তো কিছু বুদ্ধি আছে।
      পে-পল কি এবং এর চাহিদা কেন সেটা যাচাই করে, বুঝে এসে কমেন্ট করুন নইলে মাঠে গিয়ে ঘাস খান বেশী করে।

  6. Raihanul said:

    শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় , মিথ্যা দিয়ে বাঙালি । যে যে দেশে জুম সার্ভিস আছে সবাই এই সুবিধা ভোগ করবে । এটা তাদের নতুন ফিচার।

*

*

Related posts/