Maintance

দেশে ব্লু হোয়েলের খোঁজ করতে বিটিআরসিকে নির্দেশনা

প্রকাশঃ ৬:৫৪ অপরাহ্ন, অক্টোবর ৯, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১২:১৪ অপরাহ্ন, অক্টোবর ১০, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশে কেউ ব্লু হোয়েল গেইম খেলছে কি না বা এতে আত্মহত্যার কোনো সংশ্লিষ্টতা খুঁজে দেখতে বিটিআরসিকে নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

সোমবার মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেন্ট্রাল রোডে এক কিশোরীর ‘আত্মহত্যার’ ঘটনার পরই দেশে ব্লু হোয়েল গেইমের কথা উঠে আসে। ওই কিশোরীর মৃত্যু ব্লু হোয়েলের কারণে হয়েছে বলে তার বাবা-মা গণমাধ্যমকে জানানোর পর ফেইসবুক, মেসেঞ্জারসহ বিভিন্ন জায়গায় একটি সতর্কবার্তা ছড়িয়ে পড়া শুরু করে।

বিষয়টি গণমাধ্যমে দেখে এই নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

আরো পড়ুন: দেশে ব্লু হোয়েলের ‘অস্তিত্ব’ নেই

তবে পুলিশ কিশোরী অপূর্বা বর্ধন যে ব্লু হোয়েলের কারণে ‘আত্মহত্যা’ করেছে এমন কোনো প্রমাণ এখনো পায়নি। বরং তাদের সুরতহাল প্রতিবেদনে তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেও জানায়। যেটা ব্লু হোয়েল গেইমে অনেকটাই বাধ্যতামূলক থাকে।

বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল সময় নিউজের বরাতে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক তাজুল ইসলাম দেশে দুজন ব্লু হোয়েল গেইমে আসক্ত বলে তিনি দাবি করেছেন।

তার দেওয়া ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেখে ব্লু হোয়েল গেইমে ‘আসক্ত’ এমন ধারণা থেকে দুইজন অভিভাবক তাকে মেসেঞ্জারে ছবি পাঠান। এর মধ্যে এক কিশোরের হাতে আঁকা ছবি দেখে তা ‘ব্লু হোয়েল’ আসক্তদের উপসর্গের সঙ্গে মিলে গেছে। তার বড় ভাই তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

অপর কিশোর চিকিৎসকের কাছে যেতে অপারগতা জানিয়েছে বলেও জানান তাজুল ইসলাম। যদিও বিষয়গুলো একেবারেই আমাদের সূত্র দ্বারা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আর সেই থেকেই বলা হচ্ছে দেশেও ব্লু হোয়েল গেইমে আসক্ত রয়েছে।

ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্লু হোয়েল গেইমটি ২০১৩ সালে রাশিয়ায় তৈরি হয়। ফিলিপ বুদেকিন নামে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত মানসিক বিকারগ্রস্ত মনোবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী গেইমটি তৈরি করেছে বলে দাবি করেন।

পরে দেশটিতে বেশিকিছু আত্মহত্যার ঘটনার পর বিষয়টি সামনে আসলে বুদেকিনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকেই বিশ্বব্যাপী গেইমটি ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপে গেইমটির কারণে কয়েকশ তরুণ আত্মহত্যা করেছে বলেও জানায় বিভিন্ন গণমাধ্যম।

আল-আমীন দেওয়ান

আরো পড়ুন:

*

*

Related posts/