Maintance

ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্মার্টফোনের এতো চাহিদা!

প্রকাশঃ ৯:৩১ পূর্বাহ্ন, অক্টোবর ১, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৫:৫২ অপরাহ্ন, অক্টোবর ১, ২০১৭

টেক শহর কটেন্ট কাউন্সিলর : দিনকে দিন স্মার্টফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরের চাহিদা বেড়েই চলেছে। ফলে ফিচারটি ছাড়া এখন স্মার্টফোন অনেকেই কল্পনা করতে পারেন না।

তাই বলে এতো চাহিদা বাড়বে আগামী এক বছরে? ২০১৮ সালে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সমৃদ্ধ স্মার্টফোনের চাহিদা হবে ১০০ কোটি।

শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই বলছে একটি রিপোর্ট। সেখানে বলা হচ্ছে, ২০১৮ সালে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সমৃদ্ধ স্মার্টফোন শিপমেন্ট বেড়ে ১০০ কোটির বেশি হবে। গ্রাহকদের চাহিদার ফলেই এটি সরবরাহ করতে হবে নির্মাতাদের।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্মার্টফোনের পথিকৃত ধরা হয় স্যামসাংকে। আর এই বাজারে দক্ষিণ কোরিয় প্রতিষ্ঠানটিই প্রতিনিধিত্ব করছে। তারা এখন বাজারে মোট ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্মার্টফোনের ১২ শতাংশ শেয়ার দখল করে রেখেছে।

বাজারে এর পরের অবস্থানে রয়েছে অ্যাপলের আইফোন। যার দখলে ১১ শতাংশ। অন্যদিকে, চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের দখলে বাজারের ৮ শতাংশ শেয়ার। এই হিসাব চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের বলে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টার পয়েন্ট বলছে।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট ফিচারটি এর নির্মাতাদের প্রধান পছন্দ হয়ে দাঁড়াবে। কারণ এর ফলে খুব সহজেই ব্যবহারকারী তার ফোনের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে। এমনকি মোবাইল ব্যাংকিংয়ে এটি অনেক সুবিধাজনক।

তবে কাউন্টার পয়েন্টের গবেষণা পরিচালক নীল শাহ বলছেন, মোট শিপমেন্টের পোর্টফোলিও অনুসারে বলা যায় এখন অ্যাপল এবং শাওমি এর নেতৃত্বে। যাদের অনুসরণ করে চলেছে হুয়াওয়ে এবং অপ্পো।

তবে স্যামসাং, এলজি এবং জেডটিই এই সেন্সর তাদের স্মার্টফোনে দিতে আগে থেকেই সোচ্চার থেকেছে।

চীনের কিছু ব্র্যান্ড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরের দিকে ঝুঁকেছে এবং তারা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়াতে এর ব্যবহার বৃদ্ধি করেই চলেছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বর্তমানে ফিঙ্গারপ্রিন্টের সঙ্গে ফিঙ্গার ডিটেকশন আল্ট্রাসনিক রশ্মি ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সিং আঙুলের যে থ্রিডি ইমেজ তৈরির প্রযুক্তি আনছে সেটি আরও বেশি নিরাপদ। এর ফলেই ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তির স্মার্টফোনের চাহিদা আরও বাড়বে বলে বলছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/