Maintance

প্রযুক্তি বিশ্বে তারকাদের আলো

প্রকাশঃ ১২:৫৬ অপরাহ্ন, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৩:০৬ অপরাহ্ন, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চলচ্চিত্র ও গানের ঝলমলে দুনিয়ার বাইরেও তারকারা নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষা করে থাকেন।

তরুণ প্রজন্মের হলিউড তারকারাও প্রযুক্তি বিশ্বে অবদান রাখতে স্টার্ট আপগুলোতে বিনিয়োগ করা শুরু করেছেন। প্রযুক্তি বিশ্বে বিনিয়োগ করেছেন বা এই বিষয়ে পড়াশুনা করেছেন এমন কিছু তারকাকেই নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের ফিচার।

Ashton-Kutcher-techshohor

অ্যাশটন কুচার

তার মূল পেশা অভিনয়। তবে প্রযুক্তি খাতে সব মিলিয়ে ৬০ টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তার বিনিয়োগ আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে নম করা কোম্পানিগুলো হলো স্কাইপ, এয়ারবিএনবি, ফোর স্কয়ার, উবার ও ফ্যাব ডট কম।

লেডি গাগা

তিনি ব্যাকপ্লেন নামে একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের ৫১ শতাংশ শেয়ারের কিনেছিলেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই তা মুখ থুবরে পড়ে। তাই পরবর্তীতে এর নাম পাল্টে রাখা হয় প্লেস ডট এক্স ওয়াই জেড। গাগা এখনও কোম্পানিটির অর্ধেক শেয়ারের মালিক কিনা তা জানা যায়নি।

জাস্টিন টিম্বারলেক

আমেরিকান এই সঙ্গীত শিল্পীর ফটো অ্যাডভার্টাইজিং স্টার্ট আপ স্ট্রিপেল ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট মাইস্পেসে শেয়ার রয়েছে। পাশাপাশি মিউজিক এডুকেশন স্টার্ট আপেও তিনি বিনিয়োগ করেছেন।

এম সি হ্যামার

র‍্যাপার স্ট্যানলি কির্ক বারেলকে প্রায়ই সিলিকন ভ্যালির অনুষ্ঠানগুলোতে অতিথি রূপে দেখা যায়। জ্যান্স জেম নামে একটি স্টার্টআপে তিনি পরামর্শক ছিলেন।

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও

অস্কার জয়ী এই অভিনেতা ১০ টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছেন। মাইন্ড মেজ নামে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি নিয়ে কাজ করা এক প্রতিষ্ঠানেও তার বিনিয়োগ আছে। এবিষয়ে তিনি বলেন, মাইন্ডমেজের প্রযুক্তি নিয়ে তিনি আশাবাদী। আগামী বছরগুলোতে মিডিয়া ও বিনোদন জগতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Leonardo-Dicaprio-techshohor

বোনো

ইউ টু এর ভোকালিস্ট সিলিকন ভ্যালি এলিভেশন পার্টনারে বিনিয়োগ করেন। এর বাইরেও তার তিনি হেল্প, ফেইসবুক ও ড্রপ বক্সে বিনিয়োগ করেছেন।  স্টার্ট আপগুলোতে তার বিনিয়োগের পরিমাণ সব মিলিয়ে ১০০ কোটি।

জেরাড ল্যাটো

সুইসাইড স্কোয়াডের জোকার চরিত্রে অভিনয় করা  জেরাডসিলিকন ভ্যালির অনেক কয়েকটি স্টার্ট আপেই বিনিয়োগ করেছেন।  স্টার্ট আপগুলো হলো জেনফিটস, সার্ফ এয়ার, উইশ ও নেস্ট। ফাইল স্টোরেজ সার্ভিস সংক্রান্ত স্টার্ট আপ বক্সের আমন্ত্রণে তিনি বিনিয়োগ কৌশল নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন।

কিম কাদারশিয়ান

তিনি একটি অনলাইনভিত্তিক জুতার কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা। তিনি এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ কোটি টাকা আয় করেছিলেন।

kim-kardashian-techshohor

জিমি ফ্যালন

আমেরিকান টক শো হোস্ট কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে ডিগ্রি নিতে সেইন্ট রোজ কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। কোর্স করতে গিয়ে তার প্রোগ্রামিংয়ে ভাষার ওপরে ভালো দখল তৈরি হয়েছিলো। কিন্তু ডিগ্রি নেওয়ার এক সেমিস্টার আগেই তিনি কমিউনিকেশনে মেজর করার সিদ্ধান্ত নেন।

ট্রেন্ট রেজনর

অ্যাপল মিউজিক অ্যাপের ডিজাইন নিয়ে তিনি কাজ করার পাশাপাশি একটি টেক প্রতিষ্ঠানের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবেও কাজ করেছেন।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে আনিকা জীনাত

*

*

Related posts/