Maintance

স্মার্টফোনের কারণে হারিয়ে গেছে যেসব গ্যাজেট

প্রকাশঃ ২:০৭ অপরাহ্ন, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৭:১৩ অপরাহ্ন, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : এক সময় টেলিফোন দিয়ে শুধু কথা বলার কাজটিই সারা যেতো। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে গেইম খেলা বা ঘড়িও দেখা যেতো।

এখন স্মার্টফোনের ফিচারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অত্যাধুনিক সব অ্যাপ। ছবি এডিট করা থেকে শুরু করে ইউটিউবে রান্না শেখাসহ সব কাজের কাজি এখন স্মার্টফোন।

কয়েক বছর আগেও যে ডিভাইসগুলো ঘরে ঘরে দেখা যেতো সেগুলো এখন স্মার্টফোনেই ব্যবহার করা যায়।একসময় বহুল ব্যবহৃত হলেও সময়ের ফেরে যে ডিভাইসগুলো প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে সেগুলো নিয়েই সাজানো হয়েছে আজকের ফিচার।

এমপি থ্রি প্লেয়ার

আগে কম্পিউটার বাদে গান শোনার আরেকটি মাধ্যম ছিলো এমপি থ্রি প্লেয়ার। সীমিত স্টোরেজে শুধু পছন্দের গানগুলোই এতে রাখা যেতো। এখন এমপি থ্রি প্লেয়ার কিংবা আইপড বাজার থেকে প্রায় উঠেই গেছে। শখের বশে কেউ আইপড ব্যবহার করে থাকলেও তাদের সংখ্যাও খুব কম।

ডিজিটাল ক্যামেরা

ডিএসএলআরের দাপটে পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ডিজিটাল ক্যামেরার কদরও এখন তলানির দিকে। এখন একটি ভালো মানের স্মার্টফোনেই ফ্ল্যাশ যুক্ত ডুয়েল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ থাকে। তাই আলাদাভাবে ডিজিটাল ক্যামেরা বহন করার যুগ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।

camera-techshohor

ভয়েস রেকর্ডার

এক সময় রিপোর্ট করতে গেলে বেশিভাগ সময়ই সাংবাদিকের হাতে থাকতো টেপ রেকর্ডার। কারো ইন্টারভিউ রেকর্ড করে পরবর্তীতে তা লেখার জন্য জন্য টেপ রেকর্ডারের কোনো বিকল্প ছিলো না। বর্তমানে স্মার্টফোনে শুধু অডিও রেকর্ড করাই নয় সেগুলো এডিটও করা যায়। প্রয়োজন হলে অডিও ফাইলগুলো স্মার্টফোনের মাধ্যমেই তা অনলাইন স্টোরেজে জমা করা যায়।

অ্যালার্ম ক্লক

স্কুলে সময় মতো পৌঁছানোর জন্য এক সময় অ্যালার্ম ক্লকে সময় নির্ধারণ করা হতো। ঘুম থেকে উঠতে এখনো অ্যালার্ম শোনার প্রয়োজন হয়। কিন্তু সেটার জন্য আর আলাদা অ্যালার্ম ক্লক ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। ঘুমানোর আগে স্মার্টফোনে সময় নির্ধারণ করেই এখন অ্যালার্ম ক্লকের প্রয়োজনীয়তা মেটানো যায়।

জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম

এক সময় ম্যাপ দেখার জন্য বা জায়গা চেনার জন্য জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম ব্যবহার করা হতো। জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেমের কাজ এখন স্মার্টফোন দিয়েই চালানো যায়। গুগল ম্যাপ বা অ্যাপল ম্যাপের কল্যাণে আলাদাভাবে আর জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না।

ক্যালকুলেটর

স্কুল, কলেজ কিংবা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা আলাদাভাবে ক্যালকুলেটর বহন করলেও দৈনন্দিন জীবনের হিসাব নিকাশ করার কাজটি স্মার্টফোন দিয়েই করা যায়। জটিল হিসাব করার প্রয়োজন হলে সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটারের অ্যাপও ব্যবহার করা যায়।

রেডিও

এফএম রেডিও শোনার জন্য এখন স্মার্টফোনই যথেষ্ট। আলাদাভাবে বিশাল আকারের রেডিও সেট বহন করার দিন অনেকে আগেই ফুরিয়ে গেছে। তবে ইদানীং অ্যান্টিক হিসেবে গ্রামোফোনের মতো রেডিও সেটেরও কদর বাড়তে শুরু করেছে। তাই বাসা বাড়ি থেকে রেডিও সেট হারিয়ে গেলেও বাজার থেকে তা বিলুপ্ত হয়ে যায়নি।

গ্যাজেটস নাউ অবলম্বনে আনিকা জীনাত

*

*

Related posts/