Maintance

‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ হবে বাংলাদেশ

প্রকাশঃ ১০:২৪ অপরাহ্ন, জুলাই ১৪, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৮:০২ অপরাহ্ন, জুলাই ১৫, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশকে ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ শুরু করার জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

নাগরিকদের কেনাকটা হতে শুরু করে যেকোনো প্রয়োজনে অর্থ লেনদেন হবে ই-পেইমেন্ট সিস্টেমে। আর এই পদ্ধতিই গড়বে ক্যাশলেস সোসাইটি-বলছেন প্রতিমন্ত্রী।

রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স ও ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) যৌথভাবে ওই সেমিনার আয়োজন করেছিল। সেমিনার আয়োজনে যুক্ত ছিল এসএসএল ওয়্যারলেস এবং টেকনোহ্যাভেনও।

ই-কমার্স পেমেন্টস ও লজিস্টিকসের ওপর সেমিনারটিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পলক।

২০২১ সালের মধ্যে দেশকে একটি ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ শুরু করার কথা বলে পলক জানান, ‘ভিশন-২০২১ এর মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি ক্যাশলেস সোসাইটি হিসেবে তৈরি করতে চান প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। চলতি বছরের মে মাসে তিনি এই নির্দেশনা দিয়েছেন।’

দেশে ই-কমার্সের বিপ্লব সাধন করার জন্য এ নির্দেশনা, উল্লেখ করেন তিনি।

বেসিস পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল এবং এমসিসিআইয়ের কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য রুবাইয়াত জামিল দুটি সেশনে সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন।

সেমিনারের একটি সেশনে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান, বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার এবং এমসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি গোলাম মাইনুদ্দিন।

আরেক সেশনে অংশ নেন ডাচবাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আবুল কাসেম মো. শিরিন, বেসিসের সাবেক সভাপতি ও আজকেরডিল ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাশরুর, বেসিসের সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান ও পরিচালক সৈয়দ আলমাস কবীর।

এই আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন টেকনোহ্যাভেন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বেসিসের সাবেক সভাপতি হাবিবুল্লাহ এন করিম।

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশ ই-কমার্সের দিকে সম্পূর্ণভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিকে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে রাখার জন্য এমন সেমিনার বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

বক্তারা ই-কমার্সের প্রসারে মূল প্রতিবন্ধকতাগুলো, ইকোসিস্টেমে বিনিয়োগের উপায় এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রণীত আইন নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করেন।

তাঁরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ৬৬ মিলিয়ন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ২২ শতাংশ ব্যবহারকারী অনলাইনে কেনাকাটা করছে। প্রতি মাসে ডাবল-ডিজিট বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশে এই ই-কমার্স মার্কেটে একটি বিশাল অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের দেশে প্রয়োজনীয় ই-পেমেন্ট ও লজিস্টিক ফ্রেমওয়ার্ক না থাকায় এই বিকাশমান বাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

Related posts/