Maintance

ন্যাশনাল এক্সিবিশনে সেরা ২০ স্টার্টআপ

প্রকাশঃ ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, জুন ২২, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, জুন ২২, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে এবং খাতটিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদানে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ‘ন্যাশনাল এক্সিবিশন ফর স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় ২০ উদ্যোগকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নিতে স্টার্টআপগুলো কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি এবং যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের স্টার্টআপ ফ্লোরে বিনামূল্যে জায়গা পাবে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে এই ২০ স্টার্টআপের নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে স্টার্টআপগুলোকে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।

নির্বাচিত ২০ স্টার্টআপ হলো-ট্রাক চাই, মেডিটর, হ্যান্ডিমামা, শপআপ, স্নিফার, অ্যাডভান্স ড্রাইভার অ্যাসিসট্যান্স অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম, ডিজিটালাইজ লন্ড্রি ইন্ডাস্ট্রি, গারবেজম্যান, মোবাইল ম্যানেজার ফর রিটেইল শপ, এডভান্সড ভিকেল সিকিউরিটি সিস্টেম, আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স বেইজড প্রাইস কম্পারিজন ইঞ্জিন, ক্যারিয়ার বট, সিএমইডি, ম্যানুফ্যাকচার অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন অব ইন্ডিজেনাসলি ডেভেলপড অ্যান্ড টেস্টেড টেলিমেডিসিন, অ্যাপবাজার, পাথ ফাইন্ডার, হিরোজ অব ৭১ : মুক্তিক্যাম্প, হ্যাশট্যাগ এবং অ্যাডমিশন নিনজা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে দেশে স্টার্টআপদের জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করেছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। এর পর প্রথমবার প্রতিযোগিতায় সেরা ৫০ উদ্যোগকে নির্বাচন করে জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে কো-ওয়ার্কিং স্পেস দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই স্টার্টআপগুলোই একসময় হাজার, লাখ, কোটি ডলার আয় করবে। লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করবে। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ব স্টার্টআপ মানচিত্রে বাংলাদেশ অচিরেই জায়গা করে নেবে।

প্রতিমন্ত্রী পলক আরও বলেন, তরুণ উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আইডিয়া তথা উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় স্টার্টআপ এর আর্থিক সহায়তা ছাড়াও কো-ওয়ার্কিং স্পেস, মেন্টরিং, স্টার্টআপ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও দেশের নির্মীয়মাণ ২৮টি হাইটেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে স্টার্টআপদের জন্য ডেডিকেটেড ফ্লোরও থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, যারা আজ পুরস্কার পাবেন না তারা মন খারাপ করবেন না। আমি একজন ব্যক্তি যে জীবনে পুরস্কার পাইনি বললেই চলে। তবে আমি যে কতো পুরস্কার দিয়েছি তার সঠিক হিসাব নেই। পুরস্কার পাওয়ার চেয়ে মনে হয় দেওয়াতে আরও বেশি আনন্দ রয়েছে।

যারা পুরস্কার পেয়েছে তাদেরকে অভিনন্দন এবং যারা পায়নি তাদেরকে শুভকামনা জানান জাফর ইকবাল।

অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, একসময় মনে হতো স্টার্টআপরা শুধু টাকার জন্য আটকে গেছে। কিন্তু গত দেড় বছরে ইনোভেশন ফান্ডসহ যতো ধরনের কাজ করা হয়েছে সেখান থেকে এটা পরিষ্কার যে, শুধু টাকার জন্য স্টার্টআপরা ব্যর্থ হয় না।

তিনি বলেন, স্টার্টআপদের জন্য দরকার সঠিক মেন্টরিং, আবার অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় বড় প্রতিষ্ঠানের কাজ করার পর বিল দিতে তারা দেরি করে। সেটা নিয়ে একটা কিছু করা যায় কিনা তা ভেবে দেখার জন্য প্রতিমন্ত্রী পলককে অনুরোধ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকারসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/