Maintance

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিষ্ঠান কিনলো অ্যাপল

প্রকাশঃ ৫:০৮ অপরাহ্ন, মে ১৪, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৫:০৮ অপরাহ্ন, মে ১৪, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ‘ঘুম পাড়ানি’ প্রতিষ্ঠান বেডিট কেনার পর এবার কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রতিষ্ঠান কিনে নিল প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল।

ল্যাটিস ডেটা নামের প্রতিষ্ঠানটি অধিগ্রহণ করে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তায় আরও কিছুটা এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে তারা।

বর্তমানে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে মেশিন লার্নিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে বিনিয়োগ বাড়াতে দেখা গেছে। অ্যাপলও এর ব্যতিক্রম নয়।

Apple-acquires-AI-company-L

এআইভিত্তিক ইঞ্জিন দিয়ে অনিয়ন্ত্রিত ‘ডার্ক’ ডেটাকে কাঠামোগত তথ্যে রূপান্তরের কাজ করে থাকে ল্যাটিস ডেটা।

প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি কিনতে অ্যাপলকে ২০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করতে হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই এ চুক্তি করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যেই এতে ২০ জন প্রকৌশলী যোগ দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

টেকক্রাঞ্চকে অ্যাপলের এক মুখপাত্র বলেন, অ্যাপল সময়ে সময়ে ছোট ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে কিনে থাকে এবং সাধারণত আমরা এর উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করি না।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ল্যাটিস ডেটা। কিন্তু এ যাবত পর্দার আড়ালেই ছিল প্রতিষ্ঠানটি। আগের বছর জিভি, ম্যাড্রোনা এবং ইনকিউটেল-এর কাছ থেকে দুই কোটি মার্কিন ডলার তহবিল জোগাড় করেছে তারা।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে ‘ডার্ক ডেটা’ কী? টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়, আমাদের সংযুক্ত ডিজিটাল বিশ্ব দ্রুত ডেটা তৈরি করছে। ২০১৩ সালে মোট ডেটার পরিমাণ ছিল ৪.৪ জেটাবাইট। ধারণা করা হচ্ছে ২০২০ সালের মধ্যে এর পরিমাণ হবে ৪৪ জেটাবাইট। আইবিএম-এর ধারণা আজ পর্যন্ত যে পরিমাণ ডেটা রয়েছে তার মধ্যে ৯০ শতাংশই আগের দুই বছরে তৈরি হয়েছে।

এই ডেটার মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই অনিয়ন্ত্রিত। এর মধ্যে বেশির ভাগই প্রসেস বা বিশ্লেষণ করা যায় না। এই ধরনের ডেটাকেই বলা হচ্ছে ডার্ক ডেটা।

ল্যাটিস ডেটা’র এই প্রযুক্তি অ্যাপল কীভাবে ব্যবহার করবে তা এখনই স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

টেকক্রাঞ্চ ও বিডিনিউজ২৪ অবলম্বনে

*

*

Related posts/