Maintance

পূর্ণতা পাচ্ছে গেইম জ্যামের পাঁচ গেইম

প্রকাশঃ ২:৩০ অপরাহ্ন, মে ৮, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:৩০ অপরাহ্ন, মে ৮, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গেইম জ্যামের চূড়ান্ত পর্বে তিনের বদলে পাঁচটি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে বিচারকরা। গেইমের মান ‘খুব ভালো’ হওয়ায় আয়াজকরা শেষ পর্যন্ত পাঁচ দলকে বিজয়ী করেছে।

বিজয়ীরা তাদের গেইমকে চূড়ান্তভাবে বাজারে ছাড়ার জন্য জুলাই পর্যন্ত সময় পাবেন। এই সময়ের ভেতর তাদের পূর্ণাঙ্গ গেইম দাঁড় করাতে বিজয়ীদের ৫০ লাখ টাকার লাঞ্চ বুস্টার এবং গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা দেওয়া হবে।

গেইম তৈরির এই উদ্যোগে ‘গেইম জ্যাম’ প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ক্রাউড সোর্সের মাধ্যমে গেইম উন্নয়ন এবং দেশের জন্য বাংলাদেশে তৈরি মানসম্মত মোবাইল গেইম চালু করতে কাজ করবে।

GAME JAM-ICTD_GP_WB_TECHSHOHOR

উদ্যোগটি সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সহায়তায় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন এবং  হোয়াইট বোর্ড যৌথ পরিচালনা করছে।

রোববার গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয় জিপি হাউজে গেইম জ্যামের সমাপনী অনুষ্ঠানে অ্যাকশন গেইম ইনফেকটেড নিয়ে টিম রিবুট, ক্রিকেট গেইম গলি ক্রিকেট নিয়ে টিম ভুতুম পেঁচা, ঐতিহ্যবাহী নকশীকাঁথা ভিত্তিক আর্ট গেইম নকশী নিয়ে শ্যাডোলিট, পাজল গেইম শব্দ নিয়ে টিম ট্রাইফোর্স এবং স্কেচ/রেসিং গেইম স্কেচ জার্নি নিয়ে আনইকুয়াল সোলজার্স বিজয়ী হয়।

জুলাইয়ের মধ্যে গেইমগুলো চূড়ান্ত করে শুধুমাত্র গ্রামীণফোনের মাধ্যমেই উন্মোচন করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী পিটার ফারবার্গ, প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসের ফেলো অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

ইয়াসির আজমান বলেন, দেশের তরুণদের মেধা কাজে লাগাতে ও নিজেদের ধারণাগুলো নিয়ে কাজ করতে গেইম জ্যাম গ্রামীনফোনের এই উদ্যোগ। এ থেকে ভালো কিছু ফলাফল আসবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

এর আগে গেইম জ্যাম উদ্যোগে ২৩ মার্চ থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন নেয় গ্রামীণফোন। প্রাথমিক নির্বাচিত ২৫ দল ৩৬ ঘণ্টাব্যাপী এ জ্যামে প্রতিযোগিতা করে।

তবে শীর্ষ তিন দল বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে নিজেদের তুলে ধরতে গ্রামীণফোনের সহায়তা পাবে। গেইম তৈরিতে প্রশিক্ষণগত সহায়তা দেবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

উদ্যোগের সহযোগী হিসেবে রয়েছে এমল্যাব (কৌশলগত সহযোগী), স্যামসাং (রিসোর্স সাপোর্ট), অপেরা (ইন্ডাস্ট্রি পার্টনার), ওয়াওবক্স (ডিজিটাল সহায়তা) এবং অ্যাপনোমেট্রি (কমিউনিটি এনগেজমেন্ট)।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*