Maintance

১২ জনকে ফেলোশিপ দিয়েছে দেশগড়ি ডটনেট

প্রকাশঃ ৪:১৫ অপরাহ্ন, মে ২, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৪:১৫ অপরাহ্ন, মে ২, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নয় শিক্ষার্থী ও তিন  বিশিষ্ট নাগরিকসহ ১২ জনকে রুটস জার্নালিস্ট হিসেবে সম্মাননা ফেলোশিপ প্রদান করেছে দেশগড়ি ডটনেট

স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তৃণমূল সাংবাদিকতায় অবদান রাখায় তাদের এই ফেলোশিপ প্রদান করেছে সংগঠনটি।

দেশগড়ির সঙ্গে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিল রুটস বাংলা এবং কেয়ার বাংলাদেশ।

Deshgori-Techshohor

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান ও কেয়ার বাংলাদেশের মুরাদ বিন আজিজ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রুটস বাংলার প্রধান নির্বাহী জাকিয়া আক্তার, জুরি বোর্ডের অন্যতম সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক দেবদুলাল মুন্না, কেয়ার বাংলাদেশের আরশাদ সিদ্দীকী ও যমুনা টিভির সিনিয়র নিউজরুম এডিটর মুরশিদুজ্জামান হিমু।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রুটস বাংলার নাগরিক সাংবাদিকতার এ উদ্যোগ ‘দেশ গড়ি’ দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ গড়তে ও নতুন ধারার সাংবাদিকতার মাধ্যমে তৃণমূলের সংবাদ তুলে ধরতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকরা বর্তমান সময়ের স্মার্টফোন ও সামাজিক গণযোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এক ধরনের নাগরিক সাংবাদিকতা করে চলেছেন। কিন্তু বর্তমান বিশ্ব যখন নাগরিক সাংবাদিকতার বিশ্বাষযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে, সেই সময় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ দিয়ে নাগরিক সাংবাদিকতার নতুন ধারা নিয়ে কাজ করছে রুটস বাংলা। রুটস জার্নালিজম নামের এ ধারার নাগরিক সাংবাদিকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি প্ল্যাটফর্ম, দেশগড়ি।

ইতিমধ্যে রুটস বাংলা তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকদের নিজ এলাকা, কর্মক্ষেত্র এবং দেশের উন্নয়নের বিষয়ে সচেতন ভূমিকা রাখার ক্ষেত্র তৈরি করার জন্য ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৬৫ শিক্ষার্থীকে ‘দেশগড়ি’ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

এর মধ্য থেকে বিশেষ দক্ষতা অর্জনের জন্য ৭৫ জনকে উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত ১০ জনকে এই ‘রুটস জার্নালিস্ট ফেলোশিপ’ দেয়া হল। এ বছরের ডিসেম্বর নাগাদ প্রতি তিন মাসের জন্য ১০ জন করে মোট ৩০ জনকে ফেলোশিপ প্রদান করা হবে। এ লক্ষে সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও কার্যক্রম বিস্তৃত করা হচ্ছে।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*