Maintance

পানির মতো ইন্টারনেটেও ফিল্টার করতে হবে : পলক

প্রকাশঃ ৮:০২ অপরাহ্ন, এপ্রিল ১৯, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৬:৫১ অপরাহ্ন, এপ্রিল ১৯, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, পানির অপর নাম জীবন হলেও সব পানি আমরা খাই না। বিশুদ্ধ পানি খাই। এজন্য দরকার ফিল্টারিং। তেমনি ইন্টারনেটও ফিল্টার করে ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে জীবন হুমকীর মুখে পড়বে।

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট মিলনায়তনে ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস ফর উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট’ শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এই কর্মসূচীর আওতায় দেশব্যাপী আট বিভাগের ৪০টি স্কুল ও কলেজের প্রায় ১০ হাজার ছাত্রীকে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে সচেতন করা হবে। সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন কন্ট্রোলার অফ সার্টিফায়িং অথোরিটিজ (সিসিএ) দেশব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করেছে।

Internet-Filter-Techshohor

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান না থাকলেও, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যৌথ আলোচনায় দেখা গেছে, দেশে সাইবার অপরাধের শিকার মানুষের বড় অংশটি অল্পবয়সী নারী বা কিশোরীরা। এসব অল্প বয়সী মেয়ের আক্রন্ত হবার ঝুঁকিও থাকে বেশি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অল্প বয়সী মেয়েরা যখন কেউ সাইবার অপরাধের শিকার হয়, অনেক সময় তারা বুঝতে পারেনা কি করবে, কাকে জানাবে। অনেকে এমনকি আদৌ কাউকে জানায়ও না। নীরবে হয়রানির শিকার হতে থাকে। এসব হয়রানি ঠেকাতে এবং সাইবার অপরাধের শিকার হলে করনীয় সম্পর্কে সচেতন করতেই স্কুল ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

কর্মশালা থেকে পাওয়া তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আগামীতে সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় নিজেরাই আরো বেশি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে বলে বলেন তিনি।

উদ্বোধন পর্ব শেষে কর্মশালায় বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছয় শতাধিক ছাত্রী অংশ নেয়।

সিসিএ-এর নিয়ন্ত্রক আবুল মানসুর মোহাম্মদ সারফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য প্রফেসর মো. আখতারুজ্জামান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং ফোর ডি কমিউনিকেশনস লিমিটেডের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিসিএ-এর উপ-নিয়ন্ত্রক আবদুল্লাহ মাহমুদ ফারুক, অধ্যাপক কাজী শরিফুল ইসলাম, বিআইজেএফএর সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা সাইবার অপরাধ ও সংশ্লিষ্ট আইনের ব্যখ্যা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিরাপদে বিচরণের কৌশল সমূহ, অপরাধ সংঘটিত হলে তা থেকে পরিত্রানের উপায়, সহায়তা পাওয়ার জন্য সংশিষ্ট দপ্তর সমুহের নাম্বার, অভিযোগ দাখিল করার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি এবং পরিত্রাণের উপায় সম্পর্কে সম্মুখ ধারণা লাভ করেন।

কর্মশালা আয়োজনে সহযোগী ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটি (ডিইউআইটিএস)।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/