Maintance

ইন্টারনেটের ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতি চায় অপারেটরা

প্রকাশঃ ৪:২৬ অপরাহ্ন, এপ্রিল ১৮, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৪:২৭ অপরাহ্ন, এপ্রিল ১৮, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রাহক প্রান্তে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপর থেকে সব ধরনের ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে মোবাইল অপারেটররা।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব বলছে, এই ভ্যাট-ট্যাক্স ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে। তাই এটি প্রত্যাহার করা উচিত।

সংগঠনটির মহাসচিব টিআইএম নূরুল কবির বলেন, মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সরকারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। ইন্টারনেটের উপর আরোপিত ভ্যাট-ট্যাক্স এক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায়। এই অন্তরায় রেখে ২০২১ সালের মধ্যে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

NBR-AMTOb-Pre-budget-Techshohor

অ্যামটব বলছে, বর্তমানে দেশের মাত্র ১৮ শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। যদিও কার্যকরী সংযোগ রয়েছে ৬ কোটি ৭২ লাখ। আর মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ৫৪ শতাংশ মানুষ। যা কার্যকর সংযোগের হিসাবে ১৩ কোটি। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ৫ শতাংশ ট্যাক্স এবং এক শতাংশ সারচার্জ রয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের(এনবিআর) সঙ্গে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনার অ্যামটবের পক্ষ থেকে এই দাবি করা হয়েছে। প্রাক-বাজেট আলোচনায় মোবাইল অপারেটরদের প্রধান নির্বাহী এবং অন্যান্য অপারেটরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় অ্যামটবের পক্ষ থেকে ইন্টারনেটের উপর ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহারের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দাবি উত্থাপন করা হয়। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে, অন্য কোনো খাতে আর ভ্যাট-ট্যাক্স যুক্ত না করা। সিম ও রিম কার্ডের উপর থাকা ১০০ টাকা ট্যাক্স প্রত্যাহার করার কথা বলেন বক্তারা।

এছাড়াও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে সরকারের বেশকিছু অমিমাংসিত বিষয় রয়েছে। যার প্রতিটির সঙ্গে হাজার কোটি টাকা জড়িত, সেগুলো সমাধানের দাবি জানায় অ্যামটব। নূরুল কবির বলেন, এসব সমাধান করা না গেলে বিদেশি এবং দেশি বিনিয়োগকারীরা নতুন বিষয়ে বা খাতে বিনিয়োগ করতে বাড়তি ঝুঁকি অনুভব করছে।

তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক কম মূল্যে ভয়েজ ও ইন্টারনেট ডাটা ব্যবহার করতে পারেন ব্যবহারকারীরা। তাই কলরেট ও ডেটা চার্জ কমাতে অপারেটরদের আরও কিছু তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। যেগুলো সামনের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এনবিআরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

অ্যামটবের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান বলেন, এনবিআর রাজস্ব আহরণে কাজ করে। ব্যবসা, বিনিয়োগবান্ধব ও ভোক্তাদের কথা মাথায় রেখে তারা বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন সেক্টরের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলছে। অ্যামটবের দাবিগুলো বিবেচনায় এনে তা বাজেট প্রস্তাবে যোগ করা হবে।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/