Maintance

হাসিনার ভারত সফর : সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত উন্নয়নে চুক্তি

প্রকাশঃ ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, এপ্রিল ৯, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, এপ্রিল ৯, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত চুক্তি হয়েছে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতাও হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন চুক্তির মধ্যে এ দুটিও ছিল। সফরের দ্বিতীয় দিন শনিবার দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দপ্তর হায়দ্রাবাদ হাউজে এই চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলো ।

সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তিটি হয় বাংলাদেশ সাইবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (বিডি সার্ট) এবং ভারতের সাইবার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট ইন) এর মধ্যে। চুক্তির আওতায় বিডি সার্ট ও সার্ট ইন সাইবার নিরাপত্তায় পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মোচন ও সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও ভারতের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে।

PM-INDIA-ICT

এই সমঝোতা অনুয়ায়ী ই-গর্ভন্যান্স, এম-গর্ভন্যান্স, ই-লার্নিং, টেলিমেডিসিন খাতে ব্যবহৃত সর্বাধুনিক পদ্ধতিগুলোর পারস্পরিক অভিজ্ঞতা নেয়া, গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট এনাবল্ড কিয়স্ক বা কমন সার্ভিস সেন্টার স্থাপন, বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং, বিজনেস প্রসেস ম্যানেজমেন্ট বা নলেজ প্রসেস আউটসোর্সিং এবং হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার পার্ক ইত্যাদি আইটি সার্ভিস সংক্রান্ত শিল্পের নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নিয়ে কাজ করা।

রয়েছে দুই দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনগুলোর মধ্যে বিজনেস টু বিজনেস অংশীদারিত্ব বাড়ানো, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনে দুই দেশের সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়।

এছাড়া কর্মশালা-সেমিনার, বিশেষজ্ঞ পরিদর্শনসহ নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি প্রদর্শনী আয়োজন করা ও স্টার্টআপস, উদ্ভাবন উন্নয়নে পারস্পরিক বিশেষায়িত সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।

সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিপত্র হস্তান্তরের পর তথ্যপ্রযুক্তি সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী  বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট এই চুক্তি ও সমঝোতা বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য একটি মাইলফলক।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের জানান, চুক্তি ও সমঝোতা অনুয়ায়ী কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নে উভয় দেশের সমন্বয়ে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে এবং ওয়ার্কিং গ্রুপ বছরে ন্যূনতম একবার বৈঠক করবেন। এ সকল কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট দেশ নিজ নিজ অর্থের যোগান দেবে।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

Related posts/