Maintance

সাইবার সুরক্ষায় ১৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশঃ ৯:২৬ অপরাহ্ন, মার্চ ২৮, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১০:৩৫ অপরাহ্ন, মার্চ ২৮, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সকল ওয়েবসাইটে সাইবার হুমকি চিহ্নিতকরণ, ব্লকিং, নিয়ন্ত্রণ ও সাইবার সন্ত্রাস হতে জনগণকে সুরক্ষা দিতে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছে সরকার।

মঙ্গলবার শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘সাইবার থ্রেট ডিটেকশন ও রেসপন্স’ নামে এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ২০১৮ সালের মে মাসের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। যদিও প্রকল্পটির শুরুর সময় উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৬ সালের মে।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যে বলা হয়, ‘সকল ওয়েবসাইটে সাইবার থ্রেট সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ চিহ্নিতকরণ ও ব্লকিং/নিয়ন্ত্রণ, ক্ষতিকর/সন্ত্রাস সাইবার বিষয়াদি হতে জনগণকে সুরক্ষা প্রদান এবং দেশের সামাজিক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ন রেখে ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিতকরণ।’

Cyber-security_

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, দেশে সক্রিয় ৩২টি আইআইজি’র জন্য ৩২টি এবং ৩টি এনআইএক্সের জন্য ৩টি মোট ৩৫টি ডিপ প্যাকেট ইন্সপেকশন (ডিপিআই) যন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও স্থাপন। এর মধ্যে ৪টি অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন, ১৪টি মাঝারি ক্ষমতাসম্পন্ন এবং ১৭টি কম ক্ষমতাসম্পন্ন হবে।

প্রকল্পে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর ভবন সম্প্রসারণ এবং সম্প্রসারিত অংশে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম স্থাপনসহ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনবল তৈরীতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচীও রয়েছে।

প্রকল্পের পটভূমিতে বলা হয়, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা বিস্তারের ফলে ইন্টারনেট মানুষকে একদিকে যেমন সহজলভ্য শিক্ষা, গবেষণা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক ইত্যাদি বিষয়ে সুবিধা দিয়েছে অপরদিকে সন্ত্রাসী ও জঙ্গী কার্যক্রমসহ প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেও সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে ।

‘অনেক দেশেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে জঙ্গী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তাদের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ইন্টারনেট প্রযুক্তির অপব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি ও আপত্তিকর বিষয়বস্তু প্রদর্শন করে দেশের যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বাংলাদেশেও এসব কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে পড়ছে।’

‘এসব অপরাধ ঠেকাতে ও নিয়ন্ত্রণে এই প্রকল্প নেয়া হয়েছে।’

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

Related posts/