Maintance

শেখ হাসিনার বদৌলতে সবার হাতে মোবাইল ফোন

প্রকাশঃ ৩:০৩ অপরাহ্ন, মার্চ ১৬, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৩:২০ অপরাহ্ন, মার্চ ১৬, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভোলায় লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শুরুতেই তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানতে চান, মোবাইল ফোন আছে কাদের হাতে? প্রায় সবাই ফোনসহ হাত উঠালে তিনি বলেন, অনেকের হাতে দুটাে‌ও দেখা যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোবাইল ফোনের দাম একটা সময় এক লাখ টাকাও ছিল। সেই মনোপলি ভেঙে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন এক হাজার টাকাতেও তা মিলছে, ২৫ পয়সায় কথা বলা যায়।

ভোলা জেলায় লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থী ও তরুনদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধান অতিথি ছিলেন।

earning-learning-techshohor

প্রশিক্ষণ কর্মসূচী উপলক্ষে লালমোহন হাই স্কুল মাঠে দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভা ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এখন সারা দেশের তরুনরা তথ্যপ্রযুক্তি শেখার সুযোগ পাচ্ছে লার্নিং আর্নিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য সন্তান ও ডিজিটাল বাংলাদেশে কারিগর সজীব ওয়াজেদ জয়ের কারণে। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভোলা তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অন্যদের চেয়ে আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় নামবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ এএম ফিরোজ, সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভোলা জেলা প্রশাসক মোহা. সেলিম উদ্দিন।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, মোবাইল ফোনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছেন, ইন্টারনেট সংযোগ দিচ্ছেন। এখন দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রায় সুশাসন নিশ্চিত করার কাজও চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পলক বলেন, মোবাইল ফোন এখন বিপদের সময় কাজে লাগছে। পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতালে খবর দেওয়ার জন্য হেল্পডেস্ক চালু করা হয়েছে। ৯৯৯ নম্বর থেকেই জরুরি সব সেবা চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন ‘আর্কিটেক্ট অব ডিজিটাল’ বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদ জয়। পরীক্ষামূলক চালু থাকা অবস্থাতেই এখন প্রতিদিন ২০-২৫ হাজার ফোনকল আসে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি থেকে নানা কাজ নিজের গ্রামে বসেই করা যায়। এ জন্য সরকার সাড়ে পাঁচ হাজার ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার তৈরি করেছে।

লার্নিং আর্নিং প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে পলক বলেন, এ জেলায় ২০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও উপহারস্বরূপ এখানে ৫০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি জানান, দেশের যেখানে ভালো প্রশিক্ষণের সুযোগ নেই, ল্যাব নেই- সেসব অঞ্চলে ভ্রাম্যমাণ বাস পাঠিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা হবে।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/