Maintance

তথ্যপ্রযুক্তিতে নারী পুরুষের অনুপাত হবে ৫০:৫০ : পলক

প্রকাশঃ ২:৪৮ অপরাহ্ন, মার্চ ১৫, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৩:৫০ অপরাহ্ন, মার্চ ১৫, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ২০৩০ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিতে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণের অনুপাত ৫০ : ৫০ করতে সরকারও চায়। এখন দেশে এই খাতে নারীদের অংশগ্রহণ মাত্র ৯ শতাংশ। বিশ্বে সেটি ১৫ শতাংশ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই অংশগ্রহণ বাড়িয়ে সমান সমান করা হবে বলে বলেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নারীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি ইকোসিস্টেম তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। যেখানে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

WIFI-Palak-Techshohor

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল  মিলনায়তনে উইমেন অ্যান্ড আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ (ডব্লিউআইএফআই) এর প্রি লঞ্চিং ইভেন্টের সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে নারীদের এই খাতে সংশ্লিষ্ট করতে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের অধীনে সারাদেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে ২০ হাজার নারীকে তথ্যপ্রযুক্তির প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও দেশে পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ বাসের মাধ্যমে দুই লাখ নারীকে তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানান পলক।

জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা(এসডিজি)’র পঞ্চম লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজি(বিডব্লিউআইটি) এবং বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব আইসিটি ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি) যৌথভাবে জাতিসংঘের ‘দ্যা ইউনাইটেড ন্যাশন এশিয়ান অ্যান্ড প্যাসিফিক ট্রেনিং সেন্টার ফর ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ফর ডেভেলপমেন্টের একটি প্রকল্প হিসেবে ডব্লিউআইএফআই আয়োজন হতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার জুলিয়া নিবলেট, ইউএন-উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ক্রিস্টিন হান্টার, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবির কিশোর চৌধুরী, বিডব্লিউআইটি সভাপতি লুনা সামসুদ্দোহাসহ আরও অনেকেই।

ইউএনএসকাপ-এপিসিআইসিটি’র ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ফিলিপাইন, শ্রীলংকা, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। বাংলাদেশেও এই কার্যক্রম চালু করতে ইতোমধ্যে উদ্যোগটির আওতায় প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ(টিওটি) কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দুটো ব্যাচে ২০ জনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।

ইমরান হোসেন মিলন

 

*

*