Maintance

ইএটিএলের চূড়ান্ত বিচারে ৩০ অ্যাপ

প্রকাশঃ ৮:০১ অপরাহ্ন, মার্চ ১২, ২০১৭ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৬:৩১ অপরাহ্ন, মার্চ ১২, ২০১৭

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্রতিযোগিতা ইএটিএল-প্রথম আলো অ্যাপসের চূড়ান্ত বিচারে স্থান পেয়েছে ৩০ অ্যাপ। সেখান থেকে চূড়ান্ত বিচারের পর সেরা ১০টি অ্যাপের নাম ঘোষণা করা হবে।

ধারণাপত্র জমা দিয়ে শুরু হয়েছিল প্রতিযোগিতাটি। এরপর গ্রুমিং, ধারণাপত্র উপস্থাপন, নির্বাচিত ধারণাপত্র থেকে মোবাইল অ্যাপ তৈরি—ধাপে ধাপে চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচিত হয় ৩০টি অ্যাপ। অ্যাপগুলো রাখা হয়েছিল ওয়েবসাইটে। সেখান থেকে নামিয়ে ব্যবহারও করা গেছে।

ইএটিএল-প্রথম আলো অ্যাপস প্রতিযোগিতা ২০১৬-এর নির্বাচিত এই ৩০ অ্যাপের চূড়ান্ত বিচারপর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল শনিবার।

EATL-APP-Techshohor

রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে দিনভর চলে বিচারকাজ। তিনটি দলে ভাগ হয়ে বিচারকেরা অ্যাপ নির্মাতাদের উপস্থাপনা ও অ্যাপের নমুনা দেখেন। এর চূড়ান্ত পর্বে বিচারকদের সামনে ৩০টি অ্যাপের ধারণা উপস্থাপন করেছেন প্রতিযোগী দলগুলোর সদস্যরা। এখান থেকে তিন বিভাগের সেরা ১০টি অ্যাপের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার কৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

তিনি বলেন, শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নিয়েই ব্যস্ত নয় এখনকার শিক্ষার্থীরা। তারা আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য অ্যাপ তৈরি করছে। এতে তাদের দেশপ্রেম প্রকাশ হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক ঢাকার সিনিয়র অপারেশনাল অফিসার মোখলেসুর রহমান বলেন, এই অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্তত কয়েকটি অ্যাপ যেন বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসে সেই চেষ্টা করতে হবে।

ইএটিএল ও প্রথম আলো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় এবারে অ্যাপের মান আগের চেয়ে ভালো বলে জানালেন বিচারকমণ্ডলীর সমন্বয়ক রাজেশ পালিত।

এথিকস অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস লিমিটেডের (ইএটিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান বলেন, আমরা আগে দেখেছি দলগুলো শুধু অ্যাপ বানাতে ব্যস্ত। কিন্তু সেই অ্যাপ যে মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে সেদিকে কারও নজর ছিল না। চতুর্থবারের মতো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার বিশেষত্ব হলো সেই অ্যাপগুলো ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করা। যা করছেনও প্রতিযোগীরা।

এই প্রতিযোগিতায় সেরা অ্যাপের জন্য রয়েছে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার। এ ছাড়া প্রতিটি বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনকারী দলের জন্য থাকবে ২ লাখ টাকা করে পুরস্কার।

আয়োজনে সহযোগিতা করছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, বিশ্বব্যাংক ও কানাডা প্রতিযোগিতার প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/