‘তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনার নীতিগত সিদ্ধান্ত’

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ও সেবা রপ্তানিতে নগদ আর্থিক প্রণোদনা প্রদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।

সংগঠনটির অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ ও সংগঠনটির সভাপতি তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বারের ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ‘ বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে তথ্যপ্রযুক্তি রপ্তানির সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে’ এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

সংগঠনটি জানায়, সভায় সরকারের পক্ষ হতে অর্থমন্ত্রী ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর শীতাংশু কুমার সুর চৌধুরী, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হারুন অর রশীদ, বিসিসি নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকারসহ তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধি হিসেবে বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার এবং বেসিসের সাবেক সভাপতি শামীম আহসান এতে বক্তব্য রেখেছেন।’

Software-techshohor

‘তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক তথ্যপ্রযুক্তি খাতের রপ্তানি বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে এই খাতে নগদ প্রণোদনা প্রদান, প্রণোদনার অর্থকে শুল্কমুক্ত করা, রপ্তানি আয় বিষয়ক ব্যাংকের জটিলতা দূরীকরণ, রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণ জটিলতার বিষয়গুলো উত্থাপন করেন।’

সভায় তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও বেসিস এটি উপস্থাপনা দেয়।

‘মোস্তাফা জব্বার নগদ প্রণোদনার দাবির পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তি পরামর্শ ও ডিজিটাল কমার্সকে শুল্কমুক্তের আওতায় আনার দাবি করেন।’

তিনি ইইএফ ফান্ড চালু, তথ্যপ্রযুক্তি রপ্তানি হিসেবে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও সেবাকে অন্তর্ভুক্ত করা, সি ফরমে হার্ডওয়্যার ও সেবা খাত অন্তর্ভুক্ত করা এবং জটিলতা কমিয়ে সি ফরমে পরিবর্তন করার দাবি করেন।

বেসিসের ওই স্ট্যাটাসে জানানো হয়, ‘সভায় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে জটিলতা, রপ্তানি আয় দেশে আনার জটিলতা, শুল্ক জটিলতা ইত্যাদি দূর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অবিলম্বে ইইএফ ফান্ড চালু করার জন্য অর্থমন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি সি ফরমে পরিবর্তন আনারও নীতিগত সিদ্ধান্ত দেন।’

আল-আমীন দেওয়ান

Related posts

*

*

Top