Maintance

স্মার্টকার্ডে বাংলাদেশ

প্রকাশঃ ১:৪০ অপরাহ্ন, অক্টোবর ২, ২০১৬ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১:৪০ অপরাহ্ন, অক্টোবর ২, ২০১৬

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : উন্নত দেশগুলোর মতো দেশের জনগণকে একটি কার্ডের মাধ্যমে নানা ধরনের সুবিধা দিতে চালু হচ্ছে স্মার্টকার্ডের ব্যবহার।

রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্মার্টকার্ড বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি এই কার্যক্রম উদ্বোধনকে ‘জাতীয় জীবনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে অভিহিত করেছেন’।

স্মার্টকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে ব্যক্তির আইরিশের প্রতিচ্ছবি এবং দশ আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে। যা নিরাপত্তার দিকটি সর্বোচ্চ গুরুত্বসহকারে বজায় রাখবে।

তবে যাদের স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে তাদের থেকে নির্বাচন কমিশন থেকে দেওয়া লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয় ফেরত দিতে হবে। দেশের প্রায় ১০ কোটি ভোটারের মধ্যে মোটামুটি নয় কোটির হাতে লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে।

Smart-card-Techshohor
নতুন এসব স্মার্টকার্ড আগামী ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব নাগরিকের হাতে বিতরণের লক্ষ্য ঠিক করেছে নির্বাচন কমিশন।

সোমবার থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে এবং কুড়িগ্রামে এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে।

সকালে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়েই প্রধানমন্ত্রী আইরিশের প্রতিচ্ছবি এবং দশ আঙ্গুলের ছাপ দেন। পরে পুরনো ভোটার আইডি কার্ডটি ফেরত দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের স্মার্ট কার্ডটি প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কাছে হস্তান্তর করেন।

এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রধানমন্ত্রীর হাতে তার স্মার্টকার্ডটি তুলে দেন। কাজী রকিব পরে বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির স্মার্টকার্ডটিও হস্তান্তর করবেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ, মুস্তাফিজুর রহমান, সাব্বির রহমান, তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার, নাসির হোসেন, ইমরুল কায়েস ও তাইজুল ইসলাম এ অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তাদের স্মার্টকার্ড বুঝে নেন। পুরনো ভোটার আইডি তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ফিরিয়ে দেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র যাতে কেবল ভোটারের জন্য নয়, বহুবিধ ব্যবহার যেন হয়, সে সুযোগ সৃষ্টির জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। নাগরিক হিসেবে সঠিক সেবাটা ঠিকমতো নেওয়ার জন্য এই পরিচয়পত্র।

স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও অপরাধীকে দ্রুত শনাক্ত করা এবং গ্রেপ্তার করার সহজ হবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমি অনুরোধ করব নির্বাচন কমিশনকে যে ডাটাগুলো নেওয়া হচ্ছে তার নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত করা হয়। প্রত্যেকটা তথ্যের নিরাপত্তার জন্যা ফায়ারওয়ালসহ যে প্রযুক্তি প্রয়োজন- সেটা থাকতে হবে। যাতে কেউ কোনোভাবে এই তথ্যের অপব্যবহার করতে না পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে যারা ভোট দিতে পারে অর্থাৎ ১৮ বা তার চেয়ে বেশি বয়সী, তাদেরকেই পরিচয়পত্র দেওয়া হচ্ছে। তবে যাদের বয়স ১৮ বছরের কম, যারা ভোটার হওয়ার যোগ্য হয়নি, তাদেরও জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্মার্ট কার্ডের কারিগরি দিক এবং এর ব্যনবহার নিয়ে দুটি ভিডিওচিত্র দেখানো হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি চিমিয়াও ফান এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বক্তব্যা দেন।

বিডিনিউজ২৪ ডটকম থেকে

*

*

Related posts/