Maintance

প্রযুক্তি স্টার্টআপের ইউরোপীয় এক্সিলারেটরে বাংলাদেশ

প্রকাশঃ ৫:০৫ অপরাহ্ন, জুলাই ২০, ২০১৬ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৫:০৫ অপরাহ্ন, জুলাই ২০, ২০১৬

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি ইভেন্ট ‘স্ল্যাশ ২০১৬ গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট এক্সিলারেটর’ এ অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

প্রথমবারের মতো এ আয়োজনে অর্ন্তভূক্ত হওয়া বাংলাদেশ হতে তিনজন গ্লোবাল ইভেন্টে অংশ নিতে পারবেন। এরমধ্যে ন্যূনতম একজনকে অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত করা হবে।

গ্লোবাল আয়োজনটি হবে ২২ নভেম্বর হতে ১ ডিসেম্বর ফিনল্যান্ডের হেলসিংকিতে। যেখানে বিশ্বের বড় বড় অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্প তুলে ধরতে পারবেন প্রতিযোগীরা। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো প্রকল্প পছন্দ করলে তাতে বড় অর্থায়ন করে থাকে।

ইভেন্টটির বাংলাদেশ পর্বের আয়োজন করছে এম ল্যাব। এম-ল্যাব বা মোবাইল ল্যাবরেটরি হচ্ছে এমসিসি লিমিটেডের একটি উদ্যোগ।

আসছে ২৬ আগস্ট এম ল্যাব, স্ল্যাশ এবং ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ঢাকার ধানমন্ডি ইএমেকে সেন্টারে বাংলাদেশ পর্বের প্রকল্প বাছাই করা হবে।

Slush

এতে অংশগ্রহণের জন্য প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর প্রতিযোগীরা নিজেদের প্রকল্প তুলে ধরবেন। জুরি বোর্ড তিনটি প্রকল্পকে হেলসিংকির গ্লোবাল ইভেন্টের জন্য নির্বাচিত করবেন।

অংশগ্রহণের জন্য ১০ আগস্টের মধ্যে এই ঠিকানায় গিয়ে আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশ হতে অংশগ্রহণকারী তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাক্ষাতকারের ভিত্তিতে একটিকে সেরা হিসেবে মনোনীত করা হবে। হেলসিংকিতে তাদের ইভেন্টে অংশগ্রহণের যাবতীয় ব্যয় বহন করবে এম ল্যাব।

এ বছর ১০০টির বেশি দেশ থেকে হেলসিংকিতে ১৫ হাজার দর্শনার্থী স্ল্যাশ গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট এক্সিলারেটরে অংশ নেবে।

এম ল্যাবের সমন্বয়ক নাজমুল হাসান জানান, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে উদ্ভাবনী স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচিত করা হবে। বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলো আকর্ষণীয় পুরস্কারের পাশাপাশি ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্টার্টআপ প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মে নিজেদের উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।

স্ল্যাশের হেড অফ গ্লোবাল অপারেশন্স ওলগা বালাকিনা বলেন, স্ল্যাশ গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট এক্সিলারেটর ইভেন্টে বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। এই অঞ্চলের স্টার্টআপ প্রযুক্তিগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গিয়ে সমগোত্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নিজেদের তুলে ধরতে পারবে, পারস্পারিক মতবিনিময়ের সুযোগ পাবে। এছাড়া বিশ্বের বড় বড় ভেঞ্চার ক্যাপিট্যাল কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে অর্থায়নও পেতে পারেন। আশা করছি সবচেয়ে প্রভাবশালী এই ইভেন্টে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো ভালো করবে।

আল-আমীন দেওয়ান

*

*

Related posts/