Maintance

অপরাধী শনাক্তে কলকাতা পুলিশের মোবাইল অ্যাপ

প্রকাশঃ ২:১৮ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৬ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:১৮ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৬

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ১৯৯৪ সালে বেদন স্ট্রিট এলাকায় একটি মার্ডার কেসের ঘটনায় কলকাতা পুলিশ প্রথমবারের মতো নিহত ব্যক্তির কঙ্কাল প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছিল। নিহত ব্যক্তির হারগুলো জোরা দিয়ে কঙ্কালটি গঠন করেছিলেন সেন্ট্রাল ফরেনসিকস ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞরা। এই প্রমাণের ভিত্তিতেই হত্যাকারীকে শনাক্ত করা হয়। আদালত হত্যাকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

গত ২২ বছর ধরে ফরেনসিক বিজ্ঞান ব্যবহৃত হয়েছে আসছে অপরাধী শনাক্তে। তবে প্রযুক্তির উৎকর্ষের যুগে এই বিজ্ঞান এখন বেশ পুরনো।

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে কলকাতা পুলিশেও। সম্প্রতি কলকাতা পুলিশ নিজস্ব একটি মোবাইল অ্যাপলিকেশন তৈরি করেছে। যা দিয়ে অপরাধীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য মুহূর্তেই জানা যাবে। শুধু তাই নয়; অপরাধীদের ছবি তুলে অ্যাপটিতে রাখা হলেই জানা যাবে তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

মোবাইল-অ্যাপস-ডেভেলপমেন্ট-টেকশহর

কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ সুবারবান জোনের ডেপুটি কমিশনার সন্তোষ পাণ্ডের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই অ্যাপটি। এখনো অ্যাপলিকেশনটির নাম ঠিক হয়নি। তবে এম-ওয়াচ বা মোবাইল ওয়াচ নামে ডাকা হতে পারে এটি।  অ্যাপটি পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে ইনস্টল করা হবে। ইতিমধ্যে এটির পরীক্ষামূলক ব্যবহার সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে।

অ্যাপটির কার্যকারিতা সম্পর্কে সন্তোষ পাণ্ডে বলেন, এই অ্যাপে থানায় রেকর্ড হওয়া বিভিন্ন অপরাধের খুঁটিনাটি ও অপরাধীদের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য থাকবে। পাশাপাশি অ্যাপটি লালবাজার থানার অপরাধপঞ্জীর সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া হবে। এতে কলকাতা পুলিশ এলাকার সব ধরনের তথ্য অ্যাপটিতে যুক্ত হয়ে যাবে। অ্যাপে মোট ৫১টি বিভাগে অপরাধের তথ্য ঠাসা থাকবে। কোনো অপরাধীর ছবি তুলে অ্যাপটিতে সংযোজন করলেই তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে দেবে অ্যাপটি।

মি. পাণ্ডে বলেন, অ্যাপটিতে গ্রেফতার হওয়া নারী ও পুরুষ অপরাধীদের বিস্তারিত তথ্য, শারীরিক কাঠামো, তারা যে ভাষায় কথা বলে, যেসব অঞ্চলে অপরাধ কার্যক্রম সংঘটিত করে এমনকি অপরাধ করার সময় তারা কী ধরনের আচরণ করে তাও অ্যাপটি জানিয়ে দেবে।

তিনি আরও বলেন, অ্যাপটির শতভাগ সফলতার জন্য অপরাধীদের আরও বিস্তারিত তথ্য সংযোজন করতে হবে। আমরা আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে এটির কার্যক্রম চালাচ্ছি। খুব শিগগির অ্যাপটি দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে। এই ডিভিশনে অ্যাপটি সাফল্য পেলে ভবিষ্যতে তা অন্য থানাতেও ব্যবহার করা যাবে।

ইটিটেলিকম অবলম্বনে শামীম রাহমান

*

*

Related posts/