আওয়ামী লীগের ইশতেহারে টেলিকম ও আইসিটি ভাবনা

অনন্য ইসলাম, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের  ইশতেহারে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা থাকছে না।

শনিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঘোষণা করা হবে এ ইশতেহার। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এটি জাতির সামনে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, ইতোমধ্যে ইশতেহারটি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

awami league_techshohor

 

এটির একটি কপি টেক শহর হাতে পেয়েছে। এতে দেখা গেছে, এবারের ইশতেহারে আগের বারের ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন বিষয়েও তেমন কিছু বলা নেই।

আওয়ামী বলছে, দেশজুড়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা যেমন থ্রিজি চালু হয়েছে। ফোরজিও চালু করা হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা হবে।

কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, থ্রিজি চালু হওয়ার সঙ্গে দেশে ইতোমধ্যে ফোরজি প্রযুক্তি চালু হয়ে গেছে। এজন্যে কোনো প্রতিশ্রুতির প্রয়োজন নেই।

ইশতেহারের ওই কপিতে বলা হয়েছে, আউট সোর্সিং ও সফটওয়্যার রপ্তানি ক্ষেত্রে সকল প্রকারের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সফটওয়্যার শিল্পের প্রসার, আইটি সার্ভিসের বিকাশ, দেশের বিভিন্ন স্থানে হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, আইসিটি ইনকুবেটর এবং কম্পিউটার ভিলেজ স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাস্তবায়নাধীন এসব কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত বিষয়ে বলা হয়েছে, এ খাতে অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা এবং পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন ও হালনাগাদ করা হবে।

মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরে আইটি শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা, মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার এবং ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারিত করার কর্মসূচি বাস্তবায়ন দ্রুততর করা হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে আইটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও কম্পিউটার শিক্ষার ব্যাপক বিস্তার করা হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব প্রতিশ্রুতির একটিও সুনির্দিষ্ট নয়।

প্রতিশ্রুতির আগে শুরু দিকে গত পাঁচ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের অর্জনের অংশে বলা হয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব। শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ছাড়াও প্রশাসন, ব্যাংকিং, চিকিৎসা সেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং গণযোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে।

ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি ইউনিয়নে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশে এখন প্রায় ৩ কোটি ৮৬ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। মানুষ ব্যবহার করছে ১০ কোটি মোবাইল সিম।

Related posts

*

*

Top