৬৪ জেলায় মোবাইল অ্যাপ তৈরির কর্মসূচি শুরু

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) উন্নয়নের লক্ষে দেশের সব জেলায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার ।এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকায় শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচী। শনিবার থেকে শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণ চলবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে।

ঢাকা জেলায় অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পর ৪০ জন এ কোর্সের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রশিক্ষনাথীদের পাঁচ দিনব্যাপী জাভা এবং অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের উপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া ব্যবহারিক ক্লাসের মাধ্যমে কর্মশালার শেষের দিকে প্রতিক্ষণার্থীরা অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করবে। সফল প্রশিক্ষর্ণাথীদের সনদ প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে সেরা দুইজন প্রতিযোগীকে দেয়া হয়ে নোকিয় এবং সিম্ফনির পক্ষ থেকে গিফট। এ  সকল প্রশিক্ষণার্থীরা  জাতীয় পর্যায়ে অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

District Mobile Application Training Program_Dhaka District_techshohor

প্রকল্পে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমসিসিলি ও ইএটিএলের সাথে কাজ করছে বেসিস, মাইক্রোসফট, রবি, নোকিয়া, সিম্ফনি, এসওএল কোয়েস্ট ।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৩ সালে ফেব্রুয়ারি মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বে প্রায় সাতশ কোটি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অপরিহার্য যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে মোবাইল ফোন। অন্যদিকে মোবাইল নিবন্ধনকারী সংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বাদশ। বাংলাদেশে মোট মোবাইল নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ১০ কোটির বেশি। প্রতি বছর ১০ শতাংশ করে তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

একই সাথে মোবাইল ফোনকে যোগাযোগে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার পাশাপাশি এর বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার বিশ্বযাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ২০১২  সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বে মোট ১০২ কোটি মানুষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করছে এবং প্রতি বছর তা ২৯.৮% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে দেশের তরুন প্রজম্মকে মোবাইল অ্যাপের অন্তর্জাতিক বাজারের সাথে যুক্ত করতে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। এতে স্থানীয় ও আন্তজার্তিক বাজারের কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে দেশে বিশ্বমানের আইসিটি পেশাজীবি তৈরি হবে।

ঢাকায় শনিবার শুরু হওয়া প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম খান, উপসচিব ও প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্দ আবুল হাসান, ইন্টারন্যাশনাল ইউনাইটেড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক এম.রেজওয়ান খান, সিএসসি বিভাগের প্রধান ড. হাসান সারওয়ান, এসওল কোয়েস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রানা আবুল বাশার, এমসিসিলি এর প্রধান নির্বাহী আশরাফ আবির।

– তুসিন আহমেদ

Related posts

*

*

Top