Maintance

মোশন সেন্সর কোম্পানি কিনছে অ্যাপল

প্রকাশঃ ২:৪৬ অপরাহ্ন, নভেম্বর ২৫, ২০১৩ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:৪৬ অপরাহ্ন, নভেম্বর ২৫, ২০১৩

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : টেক জায়ান্ট অ্যাপল মাঝে মধ্যেই ছোট কোম্পানি কিনছে। সর্বশেষ খবর ইসরাইলের প্রতিষ্ঠান প্রিমিসেন্স কেনার আয়োজন চূড়ান্ত করেছে তারা। এ নিয়ে প্রায় দুই বছরের মধ্যে দুটি কোম্পানিকে নিজেদের আয়ত্বে আনছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইসরাইলের কোম্পানিটি চিপস উন্নয়ন ও থ্রি ডাইমেনশনাল মেশিন ভিশন ও মোশন সেন্সর নিয়ে কাজ করে। এর আগে এটি মাইক্রোসফটের এক্সবক্স কিনেক্ট মোশন সেন্সরের উন্নতি করেছিল। ভবিষ্যতে নিজেদের পণ্যে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে অ্যাপল ৩৫ কোটি ডলারে কোম্পানিটি কেনার আলোচনা চূড়ান্ত করেছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমর খবর।

apple_techshohor

অ্যাপল গত বছর জানুয়ারিতে ফ্ল্যাশ স্টোরেজ চিপ প্রস্তুতকারক কোম্পানি এনোবিট কিনেছিল।

প্রাইমসেন্সের সেন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল ডিভাইসে একটি দৃশ্যের থ্রি ডাইমেশন দেখা সম্ভব হয়।

অ্যাপলের মুখপাত্র ক্রিস্টিন হুগুয়েট রয়টার্স রয়টার্সকে ই-মেইলে জানান, ‘অ্যাপল বিভিন্ন সময় অনেক ছোট কোম্পানি কিনে থাকে। এর উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনার বিষয়টি আমরা সাধারণত প্রকাশ করি না।

Symphony 2018

এ কেনাবেচার আর্থিক লেনদেনের তথ্য প্রকাশ করা না হলেও দ্যা ফিনান্সিয়াল টাইম এবং প্রযুক্তিবিষয় ব্লগ অলথিংকসডসহ বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে সম্ভবত ৩৫ থেকে ৩৬ কোটি ডলারের বিনিময়ে প্রিমিসেন্স কিনছে অ্যাপল।

অ্যাপল কি কারণে প্রিমিসেন্স কিনছে সে বিষয়েও কোনো মন্তব্য করেনি। তবে প্রযুক্তিবিষয় ব্লগগুলোতে নানা জল্পনা কল্পনা চলছে এ নিয়ে। বেশ কিছু কারণও তুলে ধরা হয়েছে প্রিমিসেন্স কেনার ব্যাপারে।

প্রথমত, প্রিমিসেন্স মাইক্রোসফটের বিখ্যাত মোশন সেন্স নিয়ে কাজ করেছে। যা দূর থেকে মোশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রন করতে পারবে। এটি টেলিভিশনেও কাজ করে। অ্যাপলের টিভি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানটি ‘ক্যাপরি’ নামে একটি থ্রিডি মোশন সেন্সর চিপ সিষ্টেম নিয়ে কাজ করছে। সেন্সরটি ভবিষ্যতে আইপ্যাড অথবা ম্যাকএয়ারে ব্যবহার করা হতে পারে।

তৃতীয়ত, অ্যাপলের প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাং ইতিমধ্যে ‘এয়ারটার্চ গেস্টইউয়াল ইন্টারফেস’ নিয়ে কাজ করছে। প্রতিযোগীর সাথে পাল্লা দিতে এ নিয়ে হয়ত কাজ করতে চাচ্ছে টেক জায়ান্টটি। এ কাজে তাদের সবচেয়ে বেশি সহায়তা করবে প্রিমিসেন্স।

অ্যাপল তাদের পরবর্তী ডিভাইসে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে বলে মনে করেন প্রযুক্তবিদরা। যাই হোক কি ঘটবে এটা দেখার জন্য হয়ত খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।

– রয়টার্স ও বিবিসি প্রতিবেদন থেকে তুসিন আহমেদ

*

*

Related posts/