পলকের শহরে হচ্ছে ১০ কোটি টাকার ফ্রিল্যান্স ইনস্টিটিউট

জামান আশরাফ, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের শহর নাটোরে হচ্ছে দেশের প্রথম ফ্রিল্যান্স ইনস্টিটিউট।

ইতিমধ্যে ইনস্টিটিউট স্থাপনে এক দশমিক ৪৬ একর জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের দিক থেকেও ১০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

এখন প্রকল্প পরিকল্পনার খসড়া পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের কাছ থেকে অনুমোদনের পর অর্থ মন্ত্রনালয়ের কাছে অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, হাইকেট পার্ক অথরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম।

freelancing-Techshohor

ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, অনুন্নয়ন বাজেট থেকে ব্যয়ের জন্য একটি কর্মসূচির প্রস্তাবও (পিপিএনবি) তৈরি করা হয়েছে। এটি এখন পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হবে।

এর আগে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা প্রতিমন্ত্রী পলকের সঙ্গে দেখা করতে আসলে তিনি নিজ জেলা শহর নাটোরে দেশের প্রথম ফ্রিল্যান্স ইনস্টিটিউট করে দিতে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করেন।

বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিরাও ওই বৈঠকে ইতিবাচক সাড়া দেয়। তবে পরে বিশ্বব্যাংকের দিক থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় এর মধ্যে নিজেদের অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে দিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তারা।

হোসনে আরা জানান, এখন ১ দশমিক ৪৬ একরের ওপর কাজ শুরু করা হলেও এ ইনস্টিটিউেটর জন্য সব মিলে পাঁচ একর জমি চাওয়া হবে। পুরো জমি পাওয়া গেলে ইনস্টিটিউটটি পূর্ণাঙ্গ হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে ফ্রিল্যান্সার তৈরির কোনো বিকল্প নেই। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সারা বছরে বিদেশ থেকে কোটি কোটি ডলারের কাজ দেশে আনছেন।

এখন নবীন ফ্রিল্যান্সার বা এ বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহীরা নিজেরাই এ বিষয়ে শিখছেন বা অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে কাজ করছেন। বেসরকারি পর্যায়ে ছোট আঙ্গিকের কয়েকটি ইনন্সিটিউট থাকলেও সেগুলো প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

অনানুষ্ঠানিক এ খাতটি বিকশিত হলে দেশের অর্থনীতিতে ফ্রিল্যান্সাররা আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও মনে করেন তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা।

Related posts

টি মতামত

  1. Mohammed Abul Kashem said:

    নিম্নরূপ চিন্তা কেন আমার মাথায় আসে?\nগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় জাতীয় মানব সম্পদ এর সঠিক হিশাব নিকাশ এর জন্য একটি আদম শুমারি শুরু করেছেন যাহা আগামী ২০১৪ সালে সমাপ্ত হবে। এই আদম শুমারিতে ১ দিনের বাচ্চা হতে ২০০ বৎসরের লোকের নাম অন্তর্ভুক্ত আছে। যারাই এই আদম শুমারিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন তাদের প্রত্যেককে একটি জাতীয় পরিচয় পত্র দেয়া হবে / হয়েছে। এই জাতীয় পরিচয় পত্রে একটি ইউনিক নম্বরযুক্ত। এই ইউনিক নম্বরটি নিম্নরূপে বের করা হয়েছে। জেলা কোড + থানা কোড+ ইউনিয়ন/ পৌরসভা দেশের কোড+ জেলা-কোড+ ওয়ার্ড কোড + গ্রাম কোড+ পাড়া কোড + বাড়ি কোড+ হোল্ডিং কোড+ ঐ হোল্ডিং এর সদস্য সংখ্যা (এখানে + মানে সংখ্যা/অঙ্ক গুলর যোগ ফল নয় পাশাপাশি সংখ্যা/ অঙ্ক গুল বসবে মাত্র)। এই আদম শুমারিতে প্রত্যেক ব্যক্তিরই বিস্তারিত বিবরণ(জন্ম তারিখ,পেশা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ফিঙ্গার প্রিন্ট,কোন ফৌজদারি কেইস আছে কিনা, তার স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ ও বাৎসরিক আয় ইত্যাদি )সকল তথ্য সমৃদ্ধ থাকবে। এই জাতীয় পরিচয় পত্র ভোটার হওয়ার গ্যারান্টি বহন করেনা শুধুমাত্র এই জাতীয় পরিচয় পত্র ধারী বাংলাদেশের নাগরিক এই গ্যারান্টি বহন করে।\nএকই সাথে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় একটি কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ ডাটা বেস (সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার) গড়ে তুলেছেন যা ২০১৪ সালে এই সকল তথ্য ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এই কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ ডাটা বেসটিকে সহায়তা করার জন্য দেশের প্রতিটি ওয়ার্ড এ ও হাসপাতালে একটি করে কম্পিউটার ইন্টারনেট ও ইন্ট্রানেট (দক্ষ অপারেটর) সহ প্রস্তুত। অর্থাৎ ওয়ার্ড ও হাসপাতালে জন্ম বা মৃত্যু এন্ট্রি দেয়ার সাথে সাথে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ ডাটা বেস (সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার) টি অটোমেটিক আপডেট হয়ে যাবে। এই কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ ডাটা বেস (Central human resource center) টি আবার ইলেকশন কমিশনের ভোটার লিস্টের সাথে লিঙ্ক করা থাকবে। এই কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ ডাটা বেস (সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার) টি জন্ম তারিখ কে বেস ধরে প্রত্যেক জীবিত ব্যক্তির বয়স গণনা করবে। যাহদের(জীবিত) বয়স ১৮ পূর্ণ হবে (অন্য কোন কারণ না থাকলে) তাদেরকে তাৎক্ষনিক ইলেকশন কমিশনের ভোটার লিস্ট ভোটার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করবে। কোন মৃত ব্যক্তির মৃত্যু এন্ট্রি হওয়ার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সকল ডাটা আর্কাইভে চলে যাবে একই সাথে সাথে ইলেকশন কমিশনের ভোটার লিস্টে হতে ও আর্কাইভে (মৃত ভোটারদের তালিকায়) চলে যাবে।\nআদম শুমারি সমাপ্তি হওয়ার পর সকল ডাটা কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ ডাটা বেস (সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার) এ রেখে দেয়া হল ঐ ২০১৪ সালেই । জন্ম মৃত্যু এন্ট্রি সেন্টার (দেশের প্রতিটি ওয়ার্ড এ ও হাসপাতালে একটি করে কম্পিউটার ইন্টারনেট ও ইন্ট্রানেট (দক্ষ অপারেটর সহ প্রস্তুত) গুল নিয়মিত ডাটা এন্ট্রি শুরু হল।\nএই মধ্যে সরকার নিম্ন রূপ আইন পাশ করল:\nপ্রত্যেক মানব শিশু জন্ম হওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময়ের (১০ দিনের) ভিতর জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। অন্যথায় ঐ শিশু কোন স্কুলে ভর্তি হতে পারবেনা এমনকি কোন সরকারি চাকরি ও পাবেনা। এমনকি ঐ শিশু চিকিৎসার জন্য কোন সরকারি হাসপাতালে ভরতি হতে পারবেনা।\nমৃত ব্যক্তির মৃত্যু একটি নির্দিষ্ট সময়ের (৩০ দিনের )ভিতর নিবন্ধন না করলে উত্তরাধিকার-গন কোন সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবেনা। ঐ সম্পত্তি সরকারি খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে।\nসরকার এই আইন টি এমন সফল ভাবে প্রচার করল যে জাতিও টিকা দিবস এর মত (দেশের আপামর জনতা) সবাই এই আইনটি সম্পর্কে সচেতন।\n২০১৫ সালের প্রথম দিন থেকে জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন সঠিক ভাবে চলতে লাগল ।\nশিক্ষা বোর্ড ও ইউনিভার্সিটি গুলকে নির্দেশ দেয়া হল যে তারা পাবলিক পরীক্ষার রোল নাম্বার ইস্যু করার সময় শিক্ষা বোর্ড বা ইউনিভার্সিটি গুলর কোড নাম্বার এর সাথে জাতিও পরিচয় পত্রের নাম্বার যুক্ত করে রোল নাম্বার ইস্যু করতে হবে (বাংলাদেশের কোড নাম্বার ০০৮৮,যেমন কুমিল্লা বোর্ড এর কোড যদি হয় ০৩ আর আমার এস. এস. সি পরীক্ষার কোড যদি হয় ০২, আর আমার জাতিও পরিচয় পত্রের নাম্বার যদি হয় ১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮ তাহলে আমার এস. এস. সি পরীক্ষার রোল নাম্বার হবে “০০৮৮০৩০২১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮” অথবা ১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮০০৮৮০৩০২) । এখন যদি কন ব্যক্তি আমার এস. এস. সি পরীক্ষার রেজাল্ট সত্যতা যাচাই করতে চায় সে ব্যক্তি পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট আ ঢুকে আমার নির্দিষ্ট সার্চ বক্সে আমার রোল নাম্বারটি সার্চ করলেই জানতে পারবে আমি কয় বারে ,কি গ্রেড নিয়ে কত সালে পাশ এস. এস. সি পাশ করেছি এবং আমার (মার্ক শিট) ত্রান্সক্রিপ্সন শিট সহ কোন বিষয়ে কত পেলাম তাও সে জানতে পারবে।এতে করে আমাকে আর কোথাও চাকুরী বা অন্য কোনও প্রয়োজনে সি ভি এর সাথে সংযুক্তি হিসাবে একগাদা (যাহা আবার প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত) দিতে হবেনা।\nঢাকা পাসপোর্ট থেকে অফিস আমাকে পাসপোর্ট ইস্যু করল আমাকে আমার পাসপোর্ট নাম্বার হল (ঢাকা পাসপোর্ট অফিস এর কোড হল ০১ এবং আমার পাসপোর্ট শ্রেণী হল ০২) ০০৮৮০১০২১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮” অথবা ১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮০০৮৮০১০২। (আমার পুরনো পাসপোর্ট নবায়ন করার সময় আমাকে এই নতুন অর্থাৎ ০০৮৮০১০২১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮” অথবা ১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮০০৮৮০১০২ টি ইস্যু করল)\nইমিগ্রেসন অফিস যারা বিদেশে জায় তাঁদের বৃত্তান্ত অর্থাৎ কোন দেশ্য, কি জন্য ,কতদিনের জন্য, ভ্রমণের জন্য নাকি চাকুরীর জন্য গেল,চাকুরীর ক্ষেত্রে কন গ্রেডের চাকুরীর জন্য গেল ইত্যাদি তথ্য হাল নাগাদ করে ফেলল,আবার মেয়াদ শেষে ফিরে না আসলে কেন আসেনি তার কাড়ন সহ রেকর্ড হালনাগাদ করে এবং সাথে সাথে সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেস এ ও হাল নাগাদ হয়ে গেল। ইমিগ্রেসন অফিসের এই ডাটা বেসকে আই ও আর (ইন্স অ্যান্ড আউট রেকর্ড) নামকরণ করা যেতে পারে। এই আই ও আর এ আরও থাকবে কোন বিদেশি ,কন দেশের পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে, কতদিনের জন্য ও কি জন্য প্রবেশ করল। কোন বিদেশি থাকার মিয়াদ বাড়ালে করলে বা মিয়াদ শেষে চলে গেলে তাও এই আই ও আর এ হাল নাগাদ করা হবে এবং সাথে সাথে সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেস এ ও হাল নাগাদ হয়ে যাবে।\nআমার ঢাকা শহরে জনতা ব্যাংক উত্তরা শাখায় একটি চলতি হিশাব চিল যাহার নাম্বার চিল ০০১২৩৪৫। এবং ঐ হিসাব নাম্বার আ আমার ১১৪ তাকা জমা চিল। কিন্তু ব্যাংকটি আমার হিসাব নাম্বারটি বদলে ফেলে আমাকে নতুন হিসাব নাম্বার দিল।আর এই নতুন নাম্বারটি হল (দেশের কোড ০০৮৮ ,কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনতা ব্যাংক কে তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক এর কোড বরাদ্দ করল ০২, ঢাকা সিটি উত্তর এর কোড হল ০৪, ঢাকা উত্তর সিটির জনতা ব্যাংক এর এটি ৬৪ নাম্বার শাখা, জনতা ব্যাংক চলতি হিসাবকে ০১ কোড হিসাবে তালিকাভুক্ত করে, আবার আমার জাতিও পরিচয়পত্র নাম্বার হল ১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮) ১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮ ০১ ৬৪ ০৪ ০২০০৮৮।নাম্বার এত লম্বা হলেও আমার ওই অ্যাকাউন্ট এ আমার জমা তাকার পরিমাণ ঐ ১১৪ টাকাই রইল।তারা আমার বন্ধুর একটি হিসাব খলার সময় ওইরকম একটা লম্বা নামবারই দিল যদিও সে তার নতুন অ্যাকাউন্ট এ জমা রাখল মাত্র ২০০ টাকা। আমি ও আমার বন্ধু এত লম্বা নাম্বার দেখে বেজায় বিরক্ত হলাম এবং ঐ ব্যাংক কে সায়েস্তা করার জন্য আমদের আরেক প্রভাবশালী সরকারি ঊর্ধ্বতন অফিসার (যে একটু ঘুস টুস খায় আবার সরকারকে ট্যাক্স দয়িতেও চায়না) বন্ধু কে নিয়ে ঐ জনতা ব্যাংক এ হাযির হই। আমরা তিন বন্ধু মিলে যখন ব্যাংক এর অফিসারদের সাথে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করতেছি তখন ব্যাংক এর ম্যানেজার সাহেব আমাদেরকে উনার রুমে ডেকে নিয়ে বুজালেন যে নামবারটি একটু বড় হলেও এর অনেক সুবিধা। আমরা জিজ্ঞাস করলাম কি সুবিধা? তিনি বললেন দেখুন এই নিয়মে বাঁকগুলো চললে আপনি নিজে,দুর্নীতি দমন বুর , ট্যাক্স অফিস, বাংলাদেশ ব্যাংক ও কোর্ট আপনার সারা বাংলাদেশে কোন ব্যাঙ্কে কতোটি অ্যাকাউন্ট আচে এবং সব ব্যাঙ্কে ও অ্যাকাউন্ট এ কত তাকা জমা আচে এবং কত তাকা ঋণ আচে তা দেখতে পারবেন প্রিন্ট নিতে পারবেন কিন্তু আপনাদের জমা ১১৪ টাকা বা ২০০ টাকাকে কমিয়ে ১১৩,১৯৯ টাকা ও করতে পারবেন না এবং ইহাকে বাড়িয়ে ২১৫,২০১ টাকা ও করতে পারবেন না। এর পর উনি আমাদের কে ফিস ফিসি এ বললেন “দেখেন নাই ১/১১ এর পরে ফখরুদ্দিন মইনুদ্দিন সরকার যখন সেখ হাসিনাকে সম্পদের হিসাব দিতে বলেছেন তখন সেখ হাসিনা বাংলাদেশ ব্যাংক কে অনুরধ করা সত্ত্বেও তারা (বাংলাদেশ ব্যাংক) সেখ হাসিনার হিসাব বাহির করে দিতে পারেনি কিন্তু এই নিয়মে চল লে পারত এবং এই নিয়ম কায়েম হলে বভিস্যাতে ও পারবে। এখন আমরা বেজায় খুশি হলেও আমার আরেক প্রভাবশালী সরকারি ঊর্ধ্বতন অফিসার (যে একটু ঘুস টুস খায় আবার সরকারকে ট্যাক্স দয়িতেও চায়না) বন্ধু বিমর্ষ হয়ে গেলেন।আমরা বললাম কি হয়েছে বন্ধু তিনি বললেন ভাই তাহলে দুর্নীতি দমন বুর আমার মাসে ৫০,০০০.০০ টাকার স্থলে যে অন্যান্য ইনকাম ৫,০০,০০০.০০ টাকা তাহাও জেনে ফেলবে।\nবাংলাদেশ পুলিশ সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেস এর কিছু অংশ এডিট করতে পারে যেমন কে আজকে জেলে গেল , কে জেল থেকে আজ মুক্তি পেল,কে আজ হাজতে আসলো এবং কে আজ জামিন নিয়ে হাজত থেকে বেরিয়ে গেল এ সঙ্ক্রান্ত তথ্য গুল পুলিশ এডিট করতে পারে। তা চাড়া পুলিশ তার প্রয়োজনে পুরো মুল ডাটা বেসটি ব্যবহার করতে পারবেন কিন্তু এডিট করতে পারবেন না। এতে করে পুলিশ রমিজুদ্দিনের স্থলে তমিযুদ্দিন কে গ্রেপ্তার করবে না।\nইনকাম ট্যাক্স অফিস আমাকে এক নোটিশ দি এ বলল আপনার পুরানা টি আই এন নাম্বার বাতিল ততস্থলে এখন আপনার নতুন টি আই এন নাম্বার হল (বাংলাদেশের কোড হল ০০৮৮,ট্যাক্স অফিস এর হিসাবে ঢাকা উত্তর সিটি হল ০৪, আমার কর অঞ্চল ০৪, আমার কর সার্কেল হল ৪২, আর আমার জাতিও পরিচয় পত্র নাম্বার হল ১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮) ১৯১৭২৬৩৭০৮৭৮৮ ৪২ ০৪ ০৪ ০০৮৮।\nএখন থেকে নাকি ইনকাম ট্যাক্স অফিস ও এই সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেসটি দেখতে পারবে কিন্তু এডিট করতে পারবেনা। তারা এটা দেখে বলে দিতে পারবে ব্যক্তি খাতে বাংলাদেশে মোট কতজন করদাতা আচে এবং গত অর্থ বৎসরে কে কত কর দিয়েছেন এমনকি তাদের ঐ পরিমাণ কর দেয়া যুক্তি সঙ্গত কিনা অর্থাৎ তিনি কর অফিস দারা অত্যাচারিত কিনা অথবা উনি কর ফাঁকি দিয়েছেন কিনা তাও বলা অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।\nসকল নাগরিক তাদের তথ্য পড়তে পারবে এই সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেসটি ব্যবহার করে তবে এক ব্যক্তির তথ্য পরতে পারবেনা। আমি যখন আমার তথ্য গুল পড়তে চাইব তখন আমার কাছে প্রথমত জাতিও পরিচয় পত্র নাম্বার চাইবে। অতঃপর আমি নিজে স্বয়ং যে তথ্য গুল পড়তে চাই ডাটা বেস এটি নিশ্চিত হওয়র জন্য ডাটা বেস হতে আমাকে (স্বয়ংক্রিয়) কিছু তাৎক্ষণিক প্রশ্ন উত্থাপন করবে (বাবার নাম,স্কুলের-নাম, চোট বনের নাম ইত্যাদি)।আমি যদি আরেকজনের ডাটা বেস পরতে চাই আমি এই প্রশ্ন গুলির উত্তর ও দিতে পারবনা পরতেও পারবনা। আমি যদি আমার দাতা পড়তে চাই তাহলে আমি সঠিক উত্তর ও দিতে পারব আমার তথ্য গুল পড়তে ও পারব। আমি আমার তথ্য এডিট করতে চাইলে অনলাইন এ নির্দিষ্ট নিয়মে আবেদন করতে পারব। যেমন আমি বললাম যে”আমার পূর্বের শিক্ষাগত যোগ্যতা এস,এস, সি এর স্থলে এইচ ,এইচ,সি করা হক।দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার বোর্ড এ লিঙ্ক পরীক্ষা করে নিশিত হয়ে তাহা ১৫ দিনের মধ্যে হাল নাগাদ করে দিলেন। কোন চাকুরী দাতা বা (উচ্চতর শিক্ষার) বিশ্ববিদ্যালয় আমি উপস্থাপিত তথ্য নির্দিষ্ট লিঙ্ক এ ক্লিক করে জানতে পারবে।\nসেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেসটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো ( ভিউ) বা দেখতে পারবে, প্রয়োজনে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে তাদের পরিসংখ্যান ও গাণিতিক কাজ করতে পারবে।কিন্তু কখনও এমন কোন তথ্য প্রকাশ করতে পারবেনা যাহা কাহার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভঙ্গ হয়।\nসেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেসটির একটি বড় ব্যবহার কারি হল বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের একটি নিজস্ব ডাটা বেস থাকবে যার মুল উৎস সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেসটি। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনের ডাটা বেসটি হবে সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেসটির একটি সাব ডাটা বেস যেখানে শুধুমাত্র ১৮ বৎসর বা ১৮ ব বৎসরের ঊর্ধ্বে যাদের বয়স (জীবিত বা মৃত) তাদের সকল ডাটা কপি হয়ে যাবে এবং সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেসটিতে যখনি কোন ব্যক্তির বয়স ১৮ বৎসর হবে তখনি সাথে সাথে এই নির্বাচন কমিশনের ডাটা বেসটি নতুন (ভোটার ) করে সংযোজিত হবে। নির্বাচন কমিশনের ডাটা বেসটিতে যারা মৃত তাদের ডাটা স্বয়ংক্রিয় ভাবে মৃত ভোটার আর্কাইভ নামক (যেখানে সকল মৃত ভোটার এর ডাটা থাকবে) একটি আর্কাইভ এ চলে যাবে। যখন নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার প্রয়োজনিতা বোধ করবেন তখন কমিশন সর্বশেষ হালনাগাদের পর থেকে যারা ১৮ বৎসর পূর্ণ করেছেন তাদের মদ্য হতে শুধু জীবিতদের তালিকা তরি করবেন এবং শুধু তাদের বাড়ী বাড়ি গিয়ে উনাদের সাম্প্রতিক ছবি (কারণ মানুষের বয়সের ব্যবধানে ছবিতে পরিবর্তন আসতে পারে) সংগ্রহ করবেন অ প্রয়োজন বোধে ফিঙ্গার প্রিন্ট (কারণ এক দিনের শিশুর ফিঙ্গার প্রিন্ট যথা যত নাও আস্তে পারে) নতুন করে সংগ্রহ করবেন।এতে করে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা হাল নাগাদের তালিকাটি অত্যন্ত চোট হয়ে আসবে এবং চোট তালিকার কাজও শুধু মাত্র ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহের মাজে সীমাবদ্ধ থাকবে। যে কারণে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা হাল নাগাদের বিশাল কর্মযজ্ঞ টি ৯৫ % হ্রাস করা সম্ভব হবে। তাছাড়া ভুয়া ভোটার তালিকাভুক্ত অথবা একই ব্যক্তি দুই যায়গায় ভোটার হওয়ার সুযোগ একেবারেই কমে আসবে। একই কারণে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা হাল নাগাদের খরচের পরিমাণ ৯৫ শতাংশ হ্রাস পাবে।\nএখন এই রকম একটা বৃহৎ ও সমন্বিত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে , রক্ষণাবেক্ষণ ও সময় উপ-যুগি রাখতে কত টাকার প্রয়োজন কে যোগান দেবে কিভাবে পরিশোধ হবে?\nউত্তরে বলা যায় খরচের পরিমাণ নিম্নরূপ {(কাল্পনিক) আমি হিসাব কেরানি হোলেও এতো বড় প্রজেক্ট এর খরচ আমাকে কল্পনাই করতে হবে};\n১)মুল যন্ত্রপাতি , মুল যন্ত্রপাতির স্থাপন, দক্ষ জনবল নিয়োগ ও তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ (এই ডাটা ব্যাস সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করার জন্য দক্ষ করে গরে তোলা) বাবত যাহা খরচ হবে তাহা যে দাতা গুষ্টিই দিক না কেন তাহা নির্বাচন কমিশন ১৫ বৎসরে পরিশোধ করবে। ১৫ বৎসরে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা তিনবার হাল নাগাদ করতে এই ডাটা বেস ব্যাবহারের ফলে যে পরিমাণ খরচ কম হয়েছে তাতেই ইহা পরিশোধ করা সম্ভব।\n২) বাংলাদেশ ব্যাংক এই ডাটা বেস ব্যাবহারের ফলে সকল তালিকাভুক্ত সকল ব্যাঙ্কের উপর নিয়ন্ত্রণ অনেক সহজ হয়ে যাবে এই জন্য বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের আর কন খরচ করা প্রয়োজন হবেনা। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক দাতা গুষ্টি কর্তৃক প্রদত্ত মুল ঋণের যে সুদ আসবে তাহা পরিশোধ করবে এই ১৫ বৎসরের ।\n৩) এই ডাটা বেস এর রক্ষণাবেক্ষণ ,পরিচালনা করা , বে-তনাদি ও অন্যান্য খরচ বহন করবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই ডাটা বেস ব্যাবহারের ফলে পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে যে পরিমাণে অর্থ সাশ্রয় হবে তা দিয়ে পরিসংখ্যান ব্যুরো এই (প্রশাসনিক) খরচ বহন করতে পারবে।\n৪) সরকারের জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রতি দশ বৎসর অন্তর আদম শুমারি বাবদ যে অর্থ ব্যয় করত তা আর করতে হবেনা। এই ডাটা বেস থেকে প্রতিদিনের আদম শুমারি হয়ে যাচ্ছে। ফলে জনশক্তি মন্ত্রণালয় আদম শুমারির পুর খরচটাই বেচে যাবে। তাই জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রযুক্তি গত উন্নয়নের সাথে সাথে এই সেন্ট্রাল হিউম্যান রিসোর্স সেনটার নামক মুল ডাটা বেসটিকে যোগ উপযোগী করার সকল খরচ বহন করবে।\nক্ষমা প্রার্থী।\n১)সাধু চলিত ভাসার মিশ্রণ এর জন্য।\n২)বাংলা বানান ভুলের জন্য।\n৩)বাংলা ব্যাকরণ ভুলের জন্য।\n৪)একই কথা একাদিকবার বলার জন্য।\n৫)পাঠকের বিরক্তি ধরানর জন্য।\nদৃষ্টি আকর্ষণ:\n১)সকল পাঠক।\n২)শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক “ডক্টর জাফর ইকবাল” সহ এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবৃন্দ।(উনারা আমার এ লেখাটাকে একটি আবেদন মনে করে পূর্ণা-ঙ্গ একটি প্রজেক্ট প্রণয়নের চেষ্টা করবেন)।\n \n \nমোহাম্মেদ আবুল কাশেম\nসহকারী ব্যবস্থাপক (হিসাব)।\nএকটি বেসরকারি গ্রুপ অফ কম্পানিজ।\nমোবাইল নং ০০৮৮০১৭১৫০৪৪০৩৯।\nইমেইল: “makashembd@gmail.com”\n

*

*

Top