Maintance

বিপিও সামিট শুরু

প্রকাশঃ ৪:২২ অপরাহ্ন, এপ্রিল ১৫, ২০১৮ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৪:৩১ অপরাহ্ন, এপ্রিল ১৫, ২০১৮

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলাদেশ বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের সম্ভাবনাগুলো বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে দুই দিনের বিপিও সামিট শুরু হয়েছে।

রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সামিটের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং বা বাক্য আয়োজিত দুই দিনের এই সামিট শেষ হবে সোমবার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ১০ বছর আগেই দেশে বিপিও নামের কোনো খাত ছিল না। এমনকি ১০ বছর আগে আইসিটি খাতটিই পরিচিত ছিল না দেশের মানুষের কাছে। তা এখন বিশ্বের খুব কম দেশ আছে যারা বাংলাদেশকে আইটি খাতের অগ্রযাত্রার জন্য চেনে না।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে বিপিও খাতে ৩০০ কর্মী ছিল। সেই কর্মী সংখ্যা এখন ৪০ হাজার। আশা করছি যেভাবে খাতটি এগিয়ে চলছে তাতে ২০২১ সাল এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান এক লাখে গিয়ে দাঁড়াবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতির কথা এখন বিশ্বজুড়েই শোনা যাচ্ছে। অনেকেই এটি নিয়ে নানা কথাও বলছেন। তবে এটা যে একটা ভালো অর্থনীতিক ব্যবস্থা সেটা নিয়ে সন্দেহ নাই। আমরা বিপিও সামিট আয়োজন করে এই বার্তাটাই বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাইছি।

Symphony 2018

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সাত বছর আগে যখন বিপিওর জন্ম হয়। তখন মাত্র আটটি কোম্পানি আউটসোর্সিং করতো। সেখানে ৩০০ কর্মী ছিল। এখন তা হয়েছে ৪০ হাজার।  সারা বিশ্বে এখন বিপিওর বাজার ৫০০ বিলিয়ন ডলারের। সেখানে আমরা এখন ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বাজার ধরেছি। আমাদের সুযোগ রয়েছে আগামী তিন বছরের মধ্যে এটা এক বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার।

তিনি বলেন, এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কী কী প্রয়োজন তা খুঁজে বের করার জন্যই ২০১৫ সাল থেকে বিপিও সামিট আয়োজন শুরু হয়।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তিনি বলেন, দেশের আইসিটি খাতে অনেক বিনিয়োগ এসেছে এটা সত্যি। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এবং এমন কিছু ইন্সটিটিউশনে বিণিয়োগ করতে হবে। আমারের বিপিও খাত খুবই সুযোগ সৃষ্টিকারী তাই এদিকে নজর দিতে হবে।

বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং টেলিযোগাযোগ ও তথপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ।

উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ কে এম খায়রুল আলম এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোসিংয়ের (বাক্য) সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/