Maintance

ফোরজির দরপত্রও ডাকতে পারেনি টেলিটক

প্রকাশঃ ২:৪৪ অপরাহ্ন, মার্চ ১৯, ২০১৮ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, মার্চ ২০, ২০১৮

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে ফোরজি চালুর এক মাস পূর্ণ হয়েছে সোমবার।

অন্য তিন মোবাইল অপারেটর নতুন প্রজন্মের এ সেবা নিয়ে যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন লাইসেন্স পাওয়ার এত দিন পরও দরপত্র আহবান করতে পারেনি রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক।

এ নিয়ে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নিচের পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিচলিত হলেও শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে তেমন তৎপরতা নেই বললেই চলে।

এটি নিয়ে কথা বলতে চান না খোদ ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী গোলাম কুদ্দুস।

তবে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটরটির প্রকল্প বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের আশা ছিল লাইসেন্স পাওয়ার পর এ বিষয়ে তারা পদক্ষেপ নেবেন; কিন্তু যেন কিছুই হয়নি এমন দুলকি চালে চলছে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

ওই কর্মকর্তা বলেন, অনেক দিন থেকে তারা এ বিষয়ে প্রস্তুতির কথা বলেও বারবার তাদেরকে লাইসেন্স পাওয়ার পর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি নেই বললেই চলে।

এ ধাক্কায় টেলিটক অনেকটা পিছিয়ে যাবে বলেও আশংকা অনে কর্মকর্তার।

Symphony 2018

এর আগে জাতীয় সংসদে টেলিটযোগোযেগামন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছিলেন, মে মাসে ফোরজি সেবা নিয়ে আসবে টেলিটক। বর্তমানে যেভাবে সব কার্যক্রম চলছে, তাতে কবে কি হবে সেটা বলা মুশকিল বলেও অভিমত কর্মকর্তাদের।

এর আগে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির সুবিধায় অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে বরং ১৩ মাস আগেই ২০১২ সালের আগস্টে থ্রিজি সেবা চালু করেছিল টেলিটক। তখন এর সুবিধাও পায় তারা। এবার যেন পরিস্থিতি ঠিক উল্টো। আগ্রহেও অনেক ঘাটতি বলে মনে করেন কর্মকর্তাদের অনেকেই।

কিছুদিন আগে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য সরকারের কাছে ৭০০ কোটি টাকা চেয়েছিল দেশীয় কোম্পানিটি। টাকা বরাদ্দ হলেও ছাড় করেনি অর্থ মন্ত্রনালয়।পরে নিজেদের অর্থে অন্তত হাজারখানেক সাইট তৈরি করতে চাইলেও তা হয়নি।

পর্ষদ আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করতে নির্দেশ দেয়। এর অর্থ অপারেটরটকে আরও বেশ কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে অপারেটরটির এক ব্যবস্থাপক কিছু দিন আগে বলেছিলেন, লাইসেন্স ফি’র জন্য ১০ কোটি টাকা জমা দিতেও তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে।

অপারেটরটিতে এখন সব মিলে ৪৪ লাখ কার্যকর সংযোগ আছে, যার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি সিমে থ্রিজি ডেটার সংযোগ আছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

ইমরান হোসেন মিলন

*

*

Related posts/