Maintance

চার ফোরজি লাইসেন্স অনুমোদন

প্রকাশঃ ২:০৬ পূর্বাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ২:৪৩ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : চারটি ফোরজি লাইসেন্স দেওয়ার সুপারিশ টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ে পাঠানোর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তা অনুমোদিত হয়ে ফিরেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে।

এর পর দ্রুততার সঙ্গে সেটি আবার অপারেটর চারটিকে পাঠিয়ে টাকা-পয়সা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি এই লাইসেন্সগুলো হস্তান্তর করা হবে।

বুধবার এই সুপারিশ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল বিটিআরসি। এর আগে নিয়ন্ত্রণ সংস্থার ২১১তম কমিশন বৈঠকে ফোরজি লাইসেন্সের জন্য এই সুপারিশ প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়।  ্

আগেই সিটিসেল ছিটকে পড়ায় লাইসেন্স চারটি পাচ্ছে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক এবং টেলিটক। প্রতিটি লাইসেন্সের জন্যে তাদেরকে পরিশোধ করতে হবে ১০ কোটি করে টাকা।

4g-techshohor

বুধবার টেকনোলজি নিউট্রালিটি চার্জ হিসেবে ৫ কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ডলার পরিশোধ করেছে গ্রামীণফোন। এর আগে রবি জমা দিয়েছে ৪ চার কোটি ৪৩ লাখ ডলার।

বৃহস্পতিবার বাংলালিংক তাদের নিউট্রালিটি ফি হিসেবে পরিশোধ করবে সাড়ে তিন কোটি ডলার। তারা একই সঙ্গে নিলামে কেনা স্পেকট্রাম ফি’র ৬০ শতাংশ হিসেবে ১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকাও পরিশোধ করবে।

আর আজকালের মধ্যে গ্রামীণফোন তাদের স্পেকট্রাম ফি’র ৬০ শতাংশ হিসেবে ৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা পরিশোধ করবে বলে জানিয়েছে।

নিলামে গ্রামীণফোন ১৮০০ ব্যান্ড থেকে ৫ মেগাহার্ডজ এবং বাংলালিংক এ ব্যান্ড থেকে ৫ দশমিক ৬ মেগাহার্ডজ ও ২১০০ ব্যান্ড থেকে ৫ মেগাহার্ডজ স্পেকট্রাম কিনেছে। রবি আর টেলিটক স্পেকট্রাম নেবে না বলে নিলামে অংশ নেয়নি।

এর আগে জানুয়ারির ১৪ তারিখে লাইসেন্সের জন্যে আবেদন করেছিল সিটিসেলসহ দেশের বিদ্যমান সকল অপারেটর। পরে বাছাই প্রক্রিয়া পার করে পাঁচটি অপারেটরকেই যোগ্য ঘোষণা করা হয়। আর এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেবা বন্ধ হয়ে থাকা সিটিসেলের জন্যে এটি একটি বড় সুযোগও ছিল।

৫ জানুয়ারি স্পেকট্রাম নিলামের জামানত জমা দেওয়ার আগ পর্যান্ত অবশ্য লাইসেন্স পাওয়ার প্রতিটি ধাপেই তাদের সরব উপস্থিতি ছিল। বরং বলা যায় স্পেকট্রাম নিলামে গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংকের পাশে সিটিসেলকে পেয়ে বিটিআরসি একটি বাড়তি শক্তিই পেয়েছিল।

বিটিআরসি সূত্র বলছে, এর আগে থ্রিজির সময়েও সিটিসেল লাইসেন্স নেওয়া এবং স্পেকট্রাম নিলামের বসার জন্যে আবেদন জমা দিয়েছিল। অন্যান্য প্রস্তুতিও নিয়েছিল তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা আর এগোয়নি।

অন্যদিকে আবার থ্রিজির সময় যেমন অনেক চেষ্টা করেও বিটিআরসি নতুন কোনো অপারেটরকে আগ্রহী করতে পারেনি।

আল-আমীন দেওয়ান 

*

*

Related posts/