Maintance

পারফরমেন্সে পিছিয়ে কোয়ালকম, এগিয়ে অ্যাপল

প্রকাশঃ ৭:২৪ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৮ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৭:৩৪ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৮

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অ্যাপলের প্রসেসরকে হঠাৎ করেই টেক্কা দিচ্ছে না কোয়ালকম। অন্তত তাদের সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ এর পারফরমেন্স দেখে তাই ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চালিত একটি অজ্ঞাত ডিভাইসের বেঞ্চমার্ক স্কোর ফাঁস হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে, প্রসেসরটি গত বছর বাজারে আসা অ্যাপলের ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর এ১১ বায়োনিকের চেয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে।

কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরগুলো মাল্টিকোর পারফরমেন্সে এতদিন অ্যাপলের সঙ্গে পেরে উঠলেও, সিঙ্গেল কোর পারফরমেন্সে প্রচুর ঘাটতির কারণে দ্রুত পিছিয়ে পড়ছে। মাল্টিকোর পারফরমেন্সে নতুন প্রসেসরটি অ্যাপল এ১১ বায়োনিকের চেয়ে ২৫ শতাংশ পিছিয়ে থাকলেও, সিঙ্গেলকোর পারফরমেন্সে পিছিয়ে রয়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য আজও ২০১৫ সালের ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসরগুলোর সমকক্ষ পারফরমেন্স যথেষ্ট। অতএব এতদিন পর্যন্ত পারফরমেন্সের ঘাটতিটুকু ব্যবহারকারীদের সামনে আসেনি।

কিন্ত এখন অ্যাপ ডেভেলাপাররা অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও অন্যান্য ভারী কাজের অ্যাপ, যেমন ‘র’ ফরম্যাটের ছবি এডিট, ছবির লাইটিং বদলে ফেলার মতো শক্ত কাজের সফটওয়্যার ফোনের জন্য তৈরি করার ফলে তা দ্রুতই নজরে আসবে।

প্রসেসিং ক্ষমতাই একটি সিস্টেম-অন-এ-চিপের পারফরমেন্সের একক নয়, গ্রাফিক্সের ক্ষমতাও দেখার বিষয়। এতদিন পর্যন্ত কোয়ালকম অ্যাড্রিনো জিপিউগুলো অ্যাপলে ব্যবহৃত পাওয়ার ভিআর জিপিউর সঙ্গে ভালভাবে লড়াই করে আসছিল।

এ বছর থেকে অ্যাপলের ডিভইসগুলোতে ব্যবহার করা হচ্ছে অ্যাপলের নিজস্ব জিপিউ। যা এখনই সর্বশেষ অ্যাড্রিনো ফ্ল্যাগশিপ অ্যাড্রিনো ৫৪০ এর সমকক্ষ। কিছু দিক থেকে এগিয়েও গেছে। ফলে আগামীতে অ্যাড্রিনোর পারফরমেন্স সবার ওপর নাও থাকতে পারে।

সব মিলিয়ে, কোয়ালকম প্রসেসরগুলো আর অ্যাপলের সঙ্গে পেরে উঠছে না। এখন দেখবার বিষয় স্যামসাং এক্সিনস বা হুয়াওয়ে কিরিন কতুটুকু পারফরমেন্স দেখাতে পারে।

এস এম তাহমিদ

*

*

Related posts/