Maintance

জিপিএস ব্যবহারে খেয়াল রাখুন বিষয়গুলো

প্রকাশঃ ৩:২৩ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৮ - সর্বশেষ সম্পাদনাঃ ৩:২৩ অপরাহ্ন, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৮

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কয়েকদিন আগে একটি ফিটনেস কোম্পানির জিপিএস হিটম্যাপ গোপন মার্কিন মিলিটারি বেসের অবস্থান ফাঁস করে দিলে প্রশ্ন ওঠে জিপিএস প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে।

নিঃসন্দেহে প্রযুক্তিটির ভালো দিকই বেশি। জরুরী সেবা, উবার, পাঠাওর সেবা, অপরাধী ধরা, চুরি রোধ, অবস্থান নির্দেশ করার সেবার জিপিএসের ভূমিকার কোনও তুলনা নেই। আছে কিছু খারাপ দিকও।

চলুন জেনে নিই জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহারের কিছু ভালো ও খারাপ দিক এবং ব্যবহারের সতর্কতা।

ভালো দিক

জিপিএস থাকলে কাউকে লোকেশন চেনাতে হতে আর বেগ পেতে হবে না। আপনি কেবল আপনার লোকেশন শেয়ার করে দিলেই বন্ধুটি জেনে যাবে আপনার সঙ্গে দেখা করতে হলে কোথায় আসতে হবে।

সেই সঙ্গে অপরাধী ধরা, চুরি যাওয়া ফোন উদ্ধারে এই ট্র্যাকার বেশ উপকারী। জিআইএসভিত্তিক অ্যাপগুলোর নির্মাণে অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি হচ্ছে জিপিএস। অর্থাৎ জিপিএস না থাকলে উবার, পাঠাও বা গুগল ম্যাপের মতো এমন অনেক অ্যাপের সেবা দেওয়া সম্ভব হতো না।

খারাপ দিক

প্রথমত, আপনি নিশ্চই চান না আপনি কখন কোথায় যাচ্ছেন তার তথ্য সবসময় অন্য কেউ জেনে যাক। এটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিপদজনকও বটে। এতে উচ্চ প্রযুক্তি দক্ষতাসম্পন্ন অপরাধীদের জন্য আপনার অবস্থান ট্র্যাক করে আপনাকে ঝামেলায় ফেলা অনেক সহজ হয়ে যায়।

কেবল অপরাধীই নয়, আপনি হয়তো আপনার অজান্তেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে দিচ্ছেন অন্য কাউকে।

নিরাপদ ব্যবহার

বর্তমান যুগে আপনার স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, হেলথ ট্র্যাকার থেকে শুরু করে যে কোনও ওয়্যারেবল ও নন ওয়্যারেবল ডিভাইসে জিপিএস ট্র্যাকার থাকতে পারে। নিশ্চিত করুন এই জিপিএস ট্র্যাকারের লোকেশনের তথ্য আপনার অজান্তে অন্য কোথাও যায় না।

জিপিএস তথ্য প্রাইভেট করে রাখুন। মোবাইলে জিপিএস সম্পর্কিত কাজ শেষ হওয়ার পর জিপিএস ট্র্যাকার বন্ধ রাখুন। মোবাইল ডাটা সবসময় অন রাখা পরিহার করুন।

ওয়েবস্মিথ স্টুডিও অবলম্বনে এম. রহমান

*

*

Related posts/