আমরা সঠিক কাজই করছি : জাকারবার্গ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : মার্ক জাকারবার্গ গত এক যুগ ধরে সময় ব্যয় করছেন যে কাজটি করে সেটি হলো, আপনার বন্ধুর বাচ্চাটা কী দেখতে পছন্দ করে এবং আপনার সেই স্কুল বন্ধুটি রাজনীতি নিয়ে কী ভাবে সেটি বের করতে।

এবং অবশ্যই এর সঙ্গে মতামত ও খবর যেভাবে গণমাধ্যম এবং রাজনীতিকে পরিবর্তিত করছে… সত্য এবং ভুয়া…বিশ্বের শত কোটি মানুষকে সংযুক্ত করছে সেগুলো নিয়ে।

শিকাগোতে গত বুধবার সিএনএন টেলিভিশনকে একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দেন ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী জাকারবার্গ। ২০১২ সালের পর প্রথম টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এতো গভীর বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন জাকারবার্গ।

অনেকটা আলোচনাধর্মী সাক্ষাৎকারে ফেইসবুকের মিশন এবং নতুন করে ফেইসবুক গ্রুপের বিষয়ে বেশকিছু কথা বলেন তিনি। সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত কিছু অংশ তুলে ধরা হচ্ছে টেকশহর ডটকমের পাঠকের জন্য।

Zukerburg-facebook-Techshohor

ফেইসবুক প্রধান নির্বাহী স্বীকার করে নেন যে, অনলাইনের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ এখনো পর্যাপ্ত নয়।

জাকারবার্গ বলেন, আমরা এমন একটি ধারণা অনুভব করতাম, যদি সেইসব কাজ করতে পারি, তাহলে পৃথিবীতে অনেকগুলি জিনিস নিজেরাই ভালো করে তুলতে পারবো।

কিন্তু এখন অনুভব করছি, এর চেয়ে আরও বেশি কিছু করার প্রয়োজন রয়েছে আমাদের।

মানুষের কণ্ঠস্বরকে সোচ্চার করা গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে তাদের মতামতগুলির বৈচিত্র্যতা দিতে হবে। কিন্তু এর উপরে, আপনাকে একটি সবার জন্য সাধারণ প্লাটফর্ম গড়তে হবে। যার মধ্য দিয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে সামনে এগিয়ে যেতে পারি।

প্রতিষ্ঠানটির একটি নতুন মিশন রয়েছে যা হচ্ছে, মানুষকে একটি কমিউনিটি তৈরির ক্ষমতা দেওয়া এবং এর মধ্য দিয়ে পৃথিবীটাকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসা।

এবারই প্রথমবারের মতো মার্ক প্রতিষ্ঠানটির মিশন সম্পর্কে এমন খোলামেলা আলোচনা করেছেন। এর আগে অবশ্য তিনি বলেছিলেন, মানুষকে তথ্য শেয়ারের ক্ষমতা দেওয়া এবং বিশ্বটাতে আরও উন্মুক্ত কিন্তু সংযুক্ত করার কথা।

জাকারবার্গ বিশ্বাস করেন যে, তার কাজের জন্য শুধু কিছু সরঞ্জাম রয়েছে। এটা হলো ফেইসবুক গ্রুপ, যেটি বিশ্বের একশো কোটি মানুষ ব্যবহার করে থাকে।

জাকারবার্গ বলেন, আমরা অনেক কিছু তৈরি করতে পারি যেগুলো খুব বড় সমস্যাগুলোকে ফলপ্রসূ আলোচনা ও বিতর্কে ফেলে ভালো কিছু বয়ে আনতে সক্ষম।

শিকাগোতে অনুষ্ঠিত প্রথম ‘কমিউনিটি সামিটে’ ফেইসবুক গ্রুপের জন্য নতুন কিছু ফিচার নিয়ে আসার কথা জানান জাকারবার্গ।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তের ৩০০ গ্রুপ অ্যাডমিন দুই দিনের ওই সম্মেলনে অংশ নেন। যেখানে জাকারবার্গ এবং প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগের সহযোগীরা বক্তব্য রাখেন। একই সঙ্গে সেখানে কিছু প্যানেল আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফেইসবুকে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন রকমের গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করা অ্যাডমিনরা কথা বলেন সামিটে। এসবের মধ্যে রয়েছে সমকামী শিশুদের সমর্থন জানানো মরমন মায়েরা, বিভিন্ন অজানা দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত এবং মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করার মতো গ্রুপের অ্যাডমিন।

‘আমি মনে করি আমরা সঠিক কাজ করছি’

নতুন করে গ্রুপে জোর দিয়েছে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ। এটাতে জোর দেওয়া মানে জনসাধারণকে আরও সম্পৃক্ত করা, এর মাধ্যমেই কমিউনিটিকে গুরুত্ব দেওয়া বলে জানাচ্ছেন জাকারবার্গ।

তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দুজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার সঙ্গে নিয়ে। এরই মধ্যে তিনি হার্ভাডে বক্তব্যও দিয়েছেন। যেখানে উপর থেকে নিচে সব পর্যায়ে কথা বলেছেন। বিষয় ছিল ইমিগ্রেশন ও মানুষের মধ্যে অসমতা নিয়ে।

ঘটনাগুলির সঙ্গে রাজনীতি জড়িত সত্ত্বেও জাকারবার্গ বলেছেন যে, তিনি অফিসের জন্য দৌড়ানো পছন্দ করেন না। বিশ্বের প্রায় ২০০ কোটি ব্যবহারকারীর সামাজিক মাধ্যমের যে প্রভার রয়েছে সেটি তিনি উল্লেখ করেছেন।

জাকারবার্গের লক্ষ্য মানবতার জন্য কাজ করা। যেটা ফেইসবুকের মাধ্যমে করছে। এটাকে শুধু একটি আগাগোড়া বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে নারাজ তিনি।

ফেইসবুকের যেখানে বাজারমূল্য ৪৪০ বিলিয়ন ডলার, এটার অবশ্যই ব্যবহারকারীদের প্রতি দায়িত্ববোধ রয়েছে। ইতিবাচক চিন্তা করার অনেক বিষয় রয়েছে। তিনি বলেন, একারণে এর মূল্য স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যাচ্ছে।

জাকারবার্গ বলেন, এজন্য কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ খুব কাজে দেয়। (জাকারবার্গ ফেইসবুকে সবসময় সংখ্যাগরিষ্ঠদের মতকে প্রাধান্য দেন।

জাকারবার্গ বলেন, ফেইসবুকের এখন মাসে ১৯০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। সর্বশেষ প্রন্তিকে এটি ৮০০ কোটি ডলার রাজস্ব করেছে। যেটি শুধু এর বিজ্ঞাপন থেকে। এর থেকে আমি বলতে পারি আমরা ঠিক কাজটিই করছি।

কিন্তু গত বছর থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে বেশ কয়েকটি বিষয়ে যুদ্ধ করে যেতে হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রোফাইল কপি করা, ভুয়া সংবাদ ছড়ানো, হত্যার সরাসরি দৃশ্য প্রচারের মতো বিষয়।

তবে গত ফেব্রুয়ারিতে জাকারবার্গ ‘বৈশ্বিক কমিউনিটি তৈরির’ বিষয়টি নিয়ে ৫৭২৬ শব্দের একটি পোস্ট করে তার মিশন শুরুর ইঙ্গিত দেন। সেই পোস্ট দিয়ে তিনি বুঝতে চেয়েছেন এটি সম্পর্কে কে কি ভাবছেন।

২০১০ সালে যখন ফেইসবুক গ্রুপ চালু হয় তখন এটি ছিল ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত মানুষদের সাথে শেয়ারের জায়গা। যেখানে একটি বাচ্চা কিংবা পরিবারের সদস্যরা বা বাচ্চাদের সফ্টবল দলের মতো।

আর এখন এটি প্রত্যেকটি বিষয়ে এমনকি কল্পনাজাত বিষয় নিয়েও খোলা হয়ে থাকে। যেখানে মাত্র কয়েকজন, কোথাও শত বা হাজার লোক থাকে। যেকেউ এখন গ্রুপ খুলতে পারেন। যেটা হতে পারে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত, একেবারে নিজেদের, গোপনীয় অথবা নির্দিষ্ট কয়েকজন মিলে। যেখানে এর অ্যাডমিন নির্দিষ্ট করতে পারেন যে, কে গ্রুপে থাকবে, সংযুক্ত হতে পারবে বা পারবে না।

জাকারবার্গ বর্ণনা করেন, গ্রুপে কোনো রাজনৈতিক দলও সক্রিয় থাকতে পারে। আবার তৃণমূল থেকে বৈশ্বিক সবই হতে পারে।

ফেইসবুক গ্রুপ হয়তো কখনো বিশ্বের উষ্ণতা কমাতে পারবে না। তবে এটার সহায়তায় স্বাস্থ্যকর জীবন ও আবহাওয়া পেতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলতে পারবে বলে জানান জাকারবার্গ।

মিয়ামির স্থানীয় একটি ফেইসবুক গ্রুপ, ‘ক্লিন আপ মিয়ামি বিচ’ কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। কিন্তু সেখানে ১০জন থেকে এখন ৪ হাজার ৫০০শর বেশি মানুষ যুক্ত। যারা অনেকেই মিয়ামি সমুদ্র সৈকত পরিষ্কার রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন।

গ্রুপটির অ্যাডমিন মিশেল ডি ফিলিপ্পি। তিনি মিয়ামির একজন রাজনৈতিক কর্মী। আর সেই গ্রুপে রয়েছেন মিয়ামির মেয়র, কাউন্সিলরসহ অনেক ব্যক্তি। যারা এসব কাজের সঙ্গে জড়িত। এই গ্রুপ থেকেই সোচ্চার হয়ে মিয়ামি সমুদ্র সৈকতকে পরিষ্কার রাখতে আইন প্রণয়ন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান।

জাকারবার্গ বলেন, কথা বলার স্বাধীনতা মানি বিদ্বেষমূলক কিছু ছড়ানো নয়। কথা বলার স্বাধীনতা মানে আপনি কতোটা অন্যকে সহযোগিতামূলক আচারণে কাছে আনতে পারেন সেটারও একটা পরীক্ষা।

ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যগুলোকে রুখাও একটি কর্তব্য আমাদের। ফেইসবুক মানবতার অন্ধকার যে দিকগুলো রয়েছে সেগুলো মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এটা মোকাবিলার মধ্য দিয়েই পৃথিবীকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে বলেন জাকারবার্গ।

ইমরান হোসেন মিলন

মূত্র থেকে তৈরি বিদ্যুতে চার্জ হবে স্মার্টফোন!

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ব্রিটেনের ব্রিস্টলের একটি গবেষণাগারে বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করছেন কিভাবে মূত্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। আর সেই উৎপাদিত বিদ্যুতে কমপক্ষে স্মার্টফোন চার্জ করা যাবে বলে জানাচ্ছেন ওই বিজ্ঞানীরা।

এর অংশ হিসেবে সেখানে নেয়া হয়েছে অনেক সিলিন্ডার যেগুলো ভর্তি করা হচ্ছে বর্জ্য পানি ও মূত্র। আর সেখান থেকেই তৈরি হচ্ছে ইলেকট্রন নামক উপাদান যা দিয়ে তৈরি হতে পারে বিদ্যুৎ।

এ থেকে যা বিদ্যুৎ আসবে তা দিয়ে অন্তত পক্ষে চার্জ দেওয়া যাবে স্মার্টফোন এবং জ্বালানো যাবে কয়েকটি লাইট।

Urine-power-Techshohor

তবে এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে একটি বিশেষ ডিভাইস যার মাধ্যমে মূত্র থেকে উৎপন্ন হবে বিদ্যুৎ।

জৈব প্রকৌশলীরা এ নিয়ে এখন ব্যাপক উৎসাহে কাজ করছেন ব্রিস্টল রোবোটিকস ল্যাবরেটরিতে।

বায়োএনার্জির অধ্যাপক ইয়ানিস লেরোপোলস বলেন, বর্জ্য পানি ও মূত্র থেকে যে উপাদান পাওয়া প্রয়োজন ছিলো সেটি তারা (গবেষকরা) পেয়েছেন।

গবেষণাগারে একটি প্যাকেটে দু’লিটারের মতো মূত্র রাখা হচ্ছে, আর সেখান থেকে তৈরি হতে পারে ৩০ থেকে ৪০ মিলিওয়াটস বিদ্যুৎ।

বিজ্ঞানীরা বলছেন এটুকু বিদ্যুৎই আসলে একটি স্মার্টফোন ধীরে ধীরে চার্জ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। বা বাথরুমে যে কটি লাইট থাকে সেগুলোর জন্য এটুকু বিদ্যুৎ হলেই চলবে।

গবেষণা দলটি এ মাসের শেষের দিকে এর একটি পরীক্ষাও চালাবে বলে জানিয়েছে।

বিবিসি বাংলা থেকে

ঘৃণামূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে উদ্যোগ নিল ফেইসবুক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অনলাইনে বিশেষ করে ফেইসবুকে ঘৃণামূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে উদ্যোগ নেওয়া শুরু করলো ফেইসবুক। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাজ্যে চরমপন্থা এবং ঘৃণাত্মক বক্তব্য মোকাবেলায় জন্য স্থানীয় সংস্থাগুলিকে প্রশিক্ষণের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে।

এই ঘোষণাটি এলো সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইট থেকে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড সরিয়ে দিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানোর মাত্র এক সপ্তাহ পরেই।

পদক্ষেপটির সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অনলাইন সিভিল কারেজ ইনিশিয়েটিভের প্রাথমিক অংশীদার হিসেবে রয়েছে জো কক্স ফাউন্ডেশন।

TransferWise+launches+international+money+transfers+via+Facebook-Techshohor

গত বেশকিছু দিন থেকেই ফেইসবুকে সন্ত্রাসী, হিংসাত্মক, ঘৃণামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগের এই প্লাটফর্ম।

নানা ধরনের প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো হচ্ছে বলে অনেকেই অভিযোগ করলেও সেখানে খুব বেশি পরিমাণে প্রতিক্রিয়া দেখায়নি প্রতিষ্ঠানটি।

ফেইসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার শেরলি সান্ডবার্গ বলেন, সম্প্রতি লন্ডন ও ম্যানচেষ্টারের মতো জায়গায় সন্ত্রাসী হামলা বিভিন্ন জায়গাতেই হচ্ছে। এটা খুবই বেদনাদায়ক।

কেউই সন্ত্রাসীদের এমন আক্রমণ থেকে রেহাই নাও পেতে পারে। তাই এই বিষয়গুলো যাতে ফেইসবুককে ব্যবহার করে না ছড়ানো যায় সেই ব্যবস্থা তারা করবে।

ইমরান হোসেন মিলন

ফোনের দাম ২৮ হাজার, মেরামত খরচ ৪৮ হাজার!

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভারতের বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা আকলাঙ্ক জৈন। শখ ও পছন্দ থাকায় কেনেন ওয়ানপ্লাসের একটি ফোন। কিন্তু দিনকতক পরেই মনটা তার খারাপ হয়ে যায়। ২৮ হাজার রুপির ফোনটি পানিতে পড়ে নষ্ট হয়ে যায়।

তবে সে পর্যন্ত ঠিকই ছিল, অবাক বনে যান যখন সেটি সারাতে নিয়ে যান। ফোনটির সারানোর যে বিল সেটি যে ফোন কেনার চেয়ে ঢের বেশি! ৪৮ হাজার টাকা!

আকলাঙ্কর মাথায় যেনো আকাশ ভেঙে পড়ে। তিনি নিজের সেই অভিজ্ঞতা লিখে একটি ফেইসবুক পোস্ট করেন। যেখানে তার কাছে চাওয়া সেই বিলের হিসাবের কপিও জুড়ে দিয়েছেন।

আকলাঙ্ক তার পোস্টে লিখেছেন, ওয়ান প্লাস ৩ মডেলের মোবাইলটি ভেজার পরও সেন্ট এবং ব্যাক বোতামটি কাজ করছিল। তাছাড়া আর কিছু কাজ করছিল না। এরপরেই ফোনটি সারাই করতে সার্ভিফাই অ্যাপের সাহায্য নেন। এই অ্যাপে আগে থেকেই তার ফোনের অ্যাক্সিডেন্টাল ওয়ারেন্টি করা ছিল।

image_3

অ্যাপ থেকে আকলাঙ্ককে জানানো হয়, ওয়ারেন্টি বাবদ ৬ হাজার রুপি পাবেন তিনি।

আকলাঙ্ক এর পর জানতে চান, ফোনটি সারাতে ঠিক কত টাকা খরচ হতে পারে? উত্তরে তাকে পাঠানো হয় ৪৮ হাজার ৩০ রুপির একটি হিসাব। অবশ্য হিসাবে কোন যন্ত্রাংশে কত খরচ হবে সেটাও জানানো হয়।

সেই বিলটি পোস্ট করে আকলাঙ্কের প্রশ্ন, যেখানে ফোনের দামই ২৮ হাজার টাকা, সেখানে তা মেরামতির খরচ কী করে ৪৮ হাজার টাকা হতে পারে?

গত ১৫ জুন আকলাঙ্ক যে পোস্টটি করেন সেটাতে তিনি ওয়ানপ্লাসকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছেন। তবে ওয়ানপ্লাস কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলেও খবরে বলা হয়েছে।

ইমরান হোসেন মিলন

ন্যাশনাল এক্সিবিশনে সেরা ২০ স্টার্টআপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে এবং খাতটিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদানে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ‘ন্যাশনাল এক্সিবিশন ফর স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় ২০ উদ্যোগকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নিতে স্টার্টআপগুলো কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি এবং যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের স্টার্টআপ ফ্লোরে বিনামূল্যে জায়গা পাবে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে এই ২০ স্টার্টআপের নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে স্টার্টআপগুলোকে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।

নির্বাচিত ২০ স্টার্টআপ হলো-ট্রাক চাই, মেডিটর, হ্যান্ডিমামা, শপআপ, স্নিফার, অ্যাডভান্স ড্রাইভার অ্যাসিসট্যান্স অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম, ডিজিটালাইজ লন্ড্রি ইন্ডাস্ট্রি, গারবেজম্যান, মোবাইল ম্যানেজার ফর রিটেইল শপ, এডভান্সড ভিকেল সিকিউরিটি সিস্টেম, আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স বেইজড প্রাইস কম্পারিজন ইঞ্জিন, ক্যারিয়ার বট, সিএমইডি, ম্যানুফ্যাকচার অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন অব ইন্ডিজেনাসলি ডেভেলপড অ্যান্ড টেস্টেড টেলিমেডিসিন, অ্যাপবাজার, পাথ ফাইন্ডার, হিরোজ অব ৭১ : মুক্তিক্যাম্প, হ্যাশট্যাগ এবং অ্যাডমিশন নিনজা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে দেশে স্টার্টআপদের জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করেছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। এর পর প্রথমবার প্রতিযোগিতায় সেরা ৫০ উদ্যোগকে নির্বাচন করে জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে কো-ওয়ার্কিং স্পেস দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই স্টার্টআপগুলোই একসময় হাজার, লাখ, কোটি ডলার আয় করবে। লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করবে। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ব স্টার্টআপ মানচিত্রে বাংলাদেশ অচিরেই জায়গা করে নেবে।

প্রতিমন্ত্রী পলক আরও বলেন, তরুণ উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আইডিয়া তথা উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় স্টার্টআপ এর আর্থিক সহায়তা ছাড়াও কো-ওয়ার্কিং স্পেস, মেন্টরিং, স্টার্টআপ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও দেশের নির্মীয়মাণ ২৮টি হাইটেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে স্টার্টআপদের জন্য ডেডিকেটেড ফ্লোরও থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, যারা আজ পুরস্কার পাবেন না তারা মন খারাপ করবেন না। আমি একজন ব্যক্তি যে জীবনে পুরস্কার পাইনি বললেই চলে। তবে আমি যে কতো পুরস্কার দিয়েছি তার সঠিক হিসাব নেই। পুরস্কার পাওয়ার চেয়ে মনে হয় দেওয়াতে আরও বেশি আনন্দ রয়েছে।

যারা পুরস্কার পেয়েছে তাদেরকে অভিনন্দন এবং যারা পায়নি তাদেরকে শুভকামনা জানান জাফর ইকবাল।

অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, একসময় মনে হতো স্টার্টআপরা শুধু টাকার জন্য আটকে গেছে। কিন্তু গত দেড় বছরে ইনোভেশন ফান্ডসহ যতো ধরনের কাজ করা হয়েছে সেখান থেকে এটা পরিষ্কার যে, শুধু টাকার জন্য স্টার্টআপরা ব্যর্থ হয় না।

তিনি বলেন, স্টার্টআপদের জন্য দরকার সঠিক মেন্টরিং, আবার অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় বড় প্রতিষ্ঠানের কাজ করার পর বিল দিতে তারা দেরি করে। সেটা নিয়ে একটা কিছু করা যায় কিনা তা ভেবে দেখার জন্য প্রতিমন্ত্রী পলককে অনুরোধ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকারসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইমরান হোসেন মিলন

স্টার্টআপদের ফান্ডিংয়ে পলিসি হচ্ছে : পলক

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রযুক্তি স্টার্টআপদের বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে এবং তাদের ব্যবসায়িকভাবে রূপান্তর করতে যে ফান্ডিং করা হয় সেজন্য পলিসি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ফান্ডিং পলিসি তৈরি করছি। হয়তো সময় লাগছে। কারণ একটা টেকসই পলিসি করতে সময় নিতে হয়েছে।

পলক বলেন, তবে এটা ঠিক, সারাবিশ্বের কোথাও কিন্তু ভেঞ্চার ক্যাপিটালে সরকার কোনো রোল প্লে করে না। আমরা সেটা করছি, ভেঞ্চার ক্যাপিটালের মতো রোল প্লে করতে যাচ্ছি। যেহেতু আমাদের দেশে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান সেভাবে গড়ে ওঠেনি।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে ‘ন্যাশনাল এক্সিবিশন ফর স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্টার্টআপদেরকে বাচাই অনুষ্ঠানে ফান্ডিং নিয়ে পলিসি তৈরির কথা বলেন পলক।

Startup-policy-Palak-Techshohor

পলক বলেন, স্টার্টআপ একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য কিন্তু শুধু দশ লাখ, ২০ লাখ বা এক কোটি টাকায় যথেষ্ট নয়। শুধু ফান্ডিং দিয়ে একটি স্টার্টআপকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা যায় না।

শুধু টাকা হলে দেশে এমন প্রতিষ্ঠানের অভাব থাকতো না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু টাকা হলে দেশে অসংখ্য স্টার্টআপ তৈরি হতো। কিন্তু স্টার্টআপতো সেটা নয়।

পলিসিতে ফান্ডিংয়ের বাইরেও মেন্টরিং, কোচিং, কো-ওয়ার্কিং স্পেস, এনভায়রনমেন্ট, নেটওয়ার্কিং, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো, একজন মেন্টরের সাথে দশজন নেটিভ কিভাবে কাজ করবে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কোলাবোরেশন কি হবে, কিভাবে ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন হবে, নলেজ এক্সচেঞ্জ কিভাবে দরকার এসবগুলো পলিসিতে রয়েছে বলে জানান তিনি।

পলক বলেন, এই কানেকশনগুলোর জন্য ওই পলিসিতে বিস্তারিত বিষয় রয়েছে। এমন কি স্টার্টআপদের কোন স্টেজে কী দরকার এমন সবগুলো নিয়ে এই পলিসি তৈরি করা হয়েছে। এটি এখন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

ইনোভেশন এক্সিবিশনে মোট ১৭৮ স্টার্টআপ আবেদন করে। সেখান থেকে প্রাথমিকভাবে ৭৬ জনকে নির্বাচন করা হয়। যাদের মধ্যে ৬৩ জন ঢাকায় এবং ১৩ জন যশোরে।

সেখান থেকে চূড়ান্ত নির্বাচিত হয়েছে ২০ স্টার্টআপ। যারা গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাইটেক সিটি এবং যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে নিজেদের উদ্যোগ এগিয়ে নিতে বিনামূল্যে ফ্লোর পাবেন। এছাড়া বিজয়ীরা আইডিয়া প্রকল্পের পরবর্তী ধাপের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার।

ইমরান হোসেন মিলন

তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ ও উন্নয়ন কাজে একসঙ্গে এলআইসিটি-বোস্টন গ্রুপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ ও উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে সরকারের সরকারের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (এলআইসিটি) ও বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপ।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে মঙ্গলবার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

‘স্ট্র্যাটেজিক সিইও আউটরিচ প্রোগ্রাম’ চুক্তির আওতায় আগামী দুবছর বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপ বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে কাজ করবে।

সরকারের রূপকল্প-২০২১ অনুযায়ী, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অন্যতম লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে রপ্তানি আয় ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা।  এ খাতে ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।

LICT_BOSTON-TECHSHOHOR

মূলত এ লক্ষ্য পূরণেই বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের সঙ্গে এমন চুক্তি করা হয়েছে বলে জানায় এলআইসিটি।

চুক্তি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা খোঁজ করা, বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে কীভাবে দেশের সফলতা ও সম্ভবনা তুলে ধরা যায় সে বিষয়ে কারিগরি সহায়তা প্রদান, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ ঘটানো, কার্যকরী কৌশল নির্ধারণ এবং এ খাতে বাংলাদেশে বড় ধরনের বিদেশি বিনিয়োগে সহায়তা প্রদান করবে।

এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক মো. রেজাউল করিম এবং বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অংশীদার জারিফ মুনির নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এলআইসিটি প্রকল্পের কম্পোনেন্ট টিম লিডার সামী আহমেদ, বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের ভারত অংশের অংশীদার শৈবাল চক্রবর্তী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ জেইন এবং এলআইসিটি প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইমরান হোসেন মিলন

টুইটে মাশরাফির প্রশংসায় ভারতের সাবেক মন্ত্রী

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শশী থারুর এক টুইট পোস্টে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। আসলে তিনি প্রশংসা করেছেন ম্যাশের দেশপ্রেম নিয়ে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং টুইটারে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের এই অধিনায়কের কিছু কথা ঘুরেফিরে চলছে। মাশরাফির সেই কথাগুলো চোখে পড়ার পর এই টুইট করেছেন শশী থারুর।

টু্‌ইট পোস্টে মাশরাফির বলা কথাগুলো লেখা সম্বলিত একটি ছবি পোস্ট করেন ১৭ জুন। ক্রিকেট নিয়ে বাংলাদেশের লোকজনের মাতামাতি ও উন্মাদনা নতুন নয়। আর এখন সেই উন্মাদনা পৌঁছে গেছে চরম পর্যায়ে।

Mash-Techshohor

এই উন্মাদনায় অনেকেই ক্রিকেটারদের বীর অ্যাখ্যা দেন।  মানুষের দৃষ্টিতে ক্রিকেটাররা মহাতারকা। কিন্তু সত্যিকার বীর তো তারাই, যারা বিস্তীর্ণ মাঠে ফসল ফলান, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ইট ভাঙেন, কারখানায় কাজ করে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখেন।

মাশরাফির কাছে বীর বলুন কিংবা তারকা তারা ওই কৃষক, শ্রমিক কিংবা খেটে খাওয়া মানুষেরাই।

শশী থারুর যে পোস্টটি করেন সেখানে লেখা,  শ্রমিকেরা তারকা। তারা দেশ গড়েন। আমরা ক্রিকেট খেলে আহামরি কী গড়তে পেরেছি? ক্রিকেট মাঠে কি ধান হয়? যে শ্রমিকেরা ইটের পর ইট গেঁথে বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলেন, কারখানায় কাজ করে উৎপাদনে সহযোগিতা করেন; সত্যিকারের বীর, সত্যিকারের তারকা তারাই।

থারুর মাশরাফির এমন কথার প্রশংসা করে লেখেন,  ‘ক্রিকেট নিয়ে বাংলাদেশের দার্শনিক-অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার দারুণ একটা ভাবনা এটি। সত্যিকারের বীরদের অভিনন্দিত করুন, সমর্থন দিন। ক্রিকেট খেলাটা উপভোগ করুন।’

থারুরের এই টুইটে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ অনেকেই মন্তব্য করেছেন। মাশরাফির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে অনেকেই মন্তব্য করলেও রাজনৈতিক মন্তব্যও রয়েছে সেখানে।

থারুর বর্তমানে ভারতীয় লোকসভায় কংগ্রেসের অন্যতম সাংসদ। সাবেক এই কূটনীতিক জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্বও পালন করেছেন।

ইমরান হোসেন মিলন

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা সমৃদ্ধ করতে কর্মশালা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়াতে এবং একে সমৃদ্ধ করতে নেওয়া হয়েছে প্রকল্প। এখন সেই প্রকল্পের অধীনে গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলাকে সমৃদ্ধ করতে কাজও শুরু করেছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি ভবনের বিসিসি অডিটোরিয়ামে ‘তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা ব্যবহার : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল।

কর্মশালার সঞ্চালক ও প্রকল্পের অন্যতম সদস্য, বেসিস সভাপতি মোস্তফা জব্বার বলেন, বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে বাংলা ব্যবহারের জন্য সরকার বাংলা ভাষার একটি ফরমেট তৈরি করেছে। কিন্তু কোনো অপারেটিং সিস্টেমই তা গ্রহণ করে না। এরপরও সেগুলো দেশে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা সমৃদ্ধ করতে হলে এসব বিষয়ে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানান তিনি।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি শিক্ষাবিদ ও লেখক ড. মুহম্মাদ জাফর ইকবাল বলেন,  দেশের ছেলে-মেয়েরা তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের বিষয়ে গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায় না। আর যারা এই বিষয়ে গবেষণা করেন তারা শিক্ষাক্ষেত্রে উপযুক্ত বয়সে তা করতে পারে না। আবার অনেকেই শেষ পর্যন্ত দেশে থাকে না। তাই তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মশালায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পুর্ণাঙ্গ বাংলা করপাস উন্নয়ন, কথা থেকে লেখা ও লেখা থেকে কথায় রূপান্তর সফটওয়্যার উন্নয়ন, বাংলা ফ্রন্ট রুপান্তর ইঞ্জিন, বাংলা যান্ত্রিক অনুবাদক উন্নয়ন, স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার উন্নয়নসহ মোট ১৬টি বিষয়ের ওপর আলোচনা করা হয়।

উক্ত কর্মশালায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের  উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।

কর্মশালায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক দানীউল হক, অতিরিক্ত সচিব (পিআরএল) এস এম আশরাফুল ইসলাম, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চৌধুরী মফিজুর রহমান তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

স্যামসাং নোট ৮ আসছে আগস্টে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্স আগামী আগস্টে তাদের নোট সিরিজের সর্বশেষ ফোন উন্মোচন করতে যাচ্ছে। এটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটিতে। আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।

খুব গোপনীয় ভাবে এমন আয়োজন করা হলেও ইতোমধ্যে জানা গেছে এটি আসলে স্যামসাংয়ের নতুন নোট সিরিজের ফোন ‘গ্যালাক্সি নোট ৮’ উন্মোচনের।

স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্সের একজন কর্মকর্তা এই তথ্যটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তবে তিনি নাম পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।

বৃহস্পতিবার তিনি রয়টার্সকে বলেন, নোট ৮ ডিভাইসটির পর্দা বাঁকানো হবে।এছাড়াও এটি ৬.২ ইঞ্চির গ্যালাক্সি এস৮ সংস্করণের চেয়ে বড় হতে পারে। এমনকি এতে এস৮ এর চেয়ে বেশকিছু নতুন ফিচার থাকছে। যেখানে দুটি রিয়ার ক্যামেরাও থাকছে। যেখানে নোট ৭ এ ৫.৭ ইঞ্চির বাঁকানো পর্দার সঙ্গে একটি রিয়ার ক্যামেরা ছিল।

 SAMSUNG_NOTE8_TECHSHOHOR

তবে এই ব্যক্তি এর বাইরে আর কোনো কথা বলতে রাজি হননি। এমন কি দামের ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করা হলেও তিনি কোনো কথা বলেননি। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্সের মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে নারাজ হয়েছেন।

দক্ষিণ কোরীয় প্রতিষ্ঠানটি নোট সিরিজের ডিভাইস নিয়ে খুবই আশাবাদী। এর আগে গত বছরে এর প্রিমিয়াম ডিভাইস নোট ৭ বিস্ফোরণ ঘটনায় স্যামসাং বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল।

হ্যান্ডসেটটির ব্যাটারিজনিত সমস্যায় এক পর্যায়ে বাজার থেকে তা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় স্যামসাং। পরে অবশ্য বেশ কয়েকটি নতুন হ্যান্ডসেট এনে ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে আবার লাভের মুখ দেখেছে স্যামসাং।

গ্রাহকদের আস্থা ফিরে পেতে স্যামসাং পরে আরও সতর্ক হয়ে তাদের গ্যালাক্সি এস৮ ফোনটি বাজারে ছেড়েছে। পরে ভালো এবং খুবই ইতিবাচক ফিডব্যাক পায় স্যামসাং। একই সঙ্গে ব্যবসায় ফিরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এবার নোট ৮ এনে আরও চমকে দেবে এবং গ্রাহকদের অনবদ্য একটি অভিজ্ঞতা দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে এই চমক দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগস্ট পর্যন্ত।

ইমরান হোসেন মিলন

বিটিসিএলের ৩১০০ টেলিফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও ওয়াসার উন্নয়ন কাজের জন্য কয়েকটি এলাকায় বিটিসিএলের তিন হাজার ১০০ টেলিফোন ও বেশকিছু ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

রাজধানীর খিলগাঁও চৌরাস্তা, বনশ্রী, গোড়ান ও নন্দীপাড়া, খিলগাঁও বি ব্লক, কাকরাইল, ফকিরাপুল, সিদ্ধেশ্বরী ও সায়েদাবাদ এলাকায় উন্নয়ন কাজের জন্য এসব লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

খিলগাঁও চৌরাস্তা এলাকায় ৫০, বনশ্রীতে ৬৫, গোড়ান ও ন্দনীপাড়ায় ২১০ এবং খিলগাঁও বি ব্লকে ১৫০টি লাইন বিকল হয়ে পড়েছে।

BTCL-Line-techshohor

এছাড়াও কারকারইলে ৭৬০, শান্তিনগরে ৬৮০, ফকিরাপুলে ৪৮০, সিদ্ধেশ্বরীতে ৩০০, মগবাজারে ২৯৫ এবং সায়েদাবাদ এলাকায় ১২২টি টেলিফোন ও ইন্টারনেট লাইন বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

এগুলো সারাতে ইতোমধ্যেই বিটিসিএল কাজ শুরু করেছে এবং খুব দ্রুতই পুনরায় সংযোগ দেওয়া হবে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

এজন্য বিটিসিএল গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

ইমরান হোসেন মিলন