সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ঘুরে এ সপ্তাহে তা এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টেবিলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

প্রধানমন্ত্রী টেলিযোগাযোগ বিভাগেরও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। সে হিসেবে লাইসেন্স বাতিল বা নতুন লাইসেন্স ইস্যু করার মতো বিষয়গুলোতে তাঁর অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ মাসের প্রথম দিকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন দেশের সবচেয়ে পুরোনো মোবাইল ফোন অপারেটরটির লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করে সরকারের কাছে।

অনেক দিন হতে সেবায় না থাকা সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে বিটিআরসি মূলত পুরোনো বকেয়া পরিশোধ না করা, আদালতের নির্দেশ অনুসারে চলতি দেনা যেমন স্পেকট্রাম এবং লাইসেন্স ফি পরিশোধ না করা এবং লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করার অভিযোগ আনে।

 

তবে লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করার আগে কেনো লাইসেন্স বাতিল করা হবে না সে বিষয়ে সিটিসেলকে কারণ দর্শানো নোটিশও পাঠায় বিটিআরসি। কিন্তু নোটিশের জবাবে উল্টো তারা বিটিআরসিকে জানায় যে, সরকার নয় বরং বিটিআরসিকে হিসাবের অতিরিক্ত টাকা দিয়ে দিয়েছে। ফলে তারা আর বিটিআরসিকে নতুন করে কোনো টাকা দেবে না।

এর আগে ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর বিটিআরসি সিটিসেলের স্পেকট্রাম বরাদ্দ স্থগিত করে দেয়। তখন অবশ্য সিটিসেল সুপ্রিম কোর্টে আপিল করলে ৬ নভেম্বরে সিটিসেলের স্পেকট্রাম ফিরিয়ে দেয়া হয়। তবে তাদের এখন আর কোনো গ্রাহক নেই।

ওই বছরের অক্টোবর পর্যন্ত সিটিসেলের কাছে মোট পাওনা ৪৭৭ কোটি টাকা বকেয়া ছিল বলে দাবি বিটিআরসির। তবে এর মধ্যে অপারেটরটি পরিশোধ করেছে ২৫৫ কোটি টাকা। অবশিষ্ট ২২২ কোটি পরিশোধ করলেই অপারেটরটি দায় মুক্ত হবে।

২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের মার্চের মধ্যে সিটিসেলের একটি পেমেন্ট দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যথা সময়ে তা পরিশোধ করেনি অপারেটরটি।

আর. এস. হুসেইন

অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা অনুমোদন

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা-২০১৭ এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইন গণমাধ্যমকে প্রস্তাবিত সম্প্রচার কমিশনের নিবন্ধিত হতে হবে। কমিশন গঠন না হওয়া পর্যন্ত তথ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি দেখবে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, কমিশন কাজ করবে জাতীয় সম্প্রচার আইনের অধীনে। এটি প্রণয়নের কাজ চলছে।

তিনি বলেন ‘জাতীয় গণমাধ্যম নীতিমালার আলোকেই অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা করা হয়েছে। অনলাইন মিডিয়া যেন সুনিয়ন্ত্রিতভাবে কাজ করে, নীতিমালায় সেই গাইডলাইন দেওয়া হচ্ছে, উদ্দেশ্যও বলা আছে।’

অনলাইন গণমাধ্যম নিবন্ধনে নির্ধারিত ফি দিতে হবে। কমিশনে অভিযোগের সুযোগ থাকবে যা ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে। থাকছে জরিমানার বিধান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা করা হয়েছে। দেশে এখন ১৮০০ অনলাইন গণমাধ্যম রয়েছে।

আল-আমীন দেওয়ান

ইন্টারনেটের বৃষ্টি বিলাস, বছর বছর গ্রাহকের ফাঁস

আল-আমীন দেওয়ান, টেক  শহর  কনটেন্ট কাউন্সিলর : মিরপুরের বাসিন্দা আশরাফুল ইসলাম। বৃষ্টি এলেই মন খারাপ হয়ে যায় তার। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যে কয়েকটি কোম্পানির কাজ তিনি করেন তা তখন বন্ধ হয়ে যায়। এতে কখনও কাজটি হারান, কখনও সময় মতো কাজ দিতে পারেন না আবার ক্লায়েন্টের ভৎসনাও শোনেন।

কম্পিউটার বিভাগের এই শিক্ষার্থী জানান, বৃষ্টি আসলে বেশিভাগে সময় ইন্টারনেট সংযোগ থাকে না। কাউমি অনলাইন নামে একটি আইএসপির সেবা নিয়ে থাকেন তিনি।

শুধু মিরপুরের আশরাফুল নয় বৃষ্টিতে ইন্টারনেট নিয়ে ভোগান্তি দেশের বেশিরভাগ ব্রডব্যান্ড গ্রাহকের। একটু বৃষ্টি হলেই পালায় দেশের ব্রডব্যান্ড  ইন্টারনেট। আর বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যার কার্যকর কোনো সমাধান না হওয়ায় ইন্টারনেটের এই বৃষ্টি বিলাস হয়েছে গ্রাহকের ফাঁস।

ক্যাবল-ঝুলন্ত-তার-ঢাকা-আইএসপি-ইন্টারনেট-টেকশহর

সারাদেশে কর্পোরেট ও বাসা-বাড়ির ব্যবহারী মিলিয়ে ব্রডব্যান্ড সংযোগ আছে ৬০ লাখ। এর মধ্যে বাসা-বাড়ির সংযোগ ২৫ লাখের একটু বেশি। আবার মোট সংযোগের মধ্যে ৫০ লাখই ঢাকার।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(আইএসপিএবি) জানায়, দেশের মোট ইন্টারনেট ব্যবহার ৪২১ জিবি। যেখানে ৩০০ জিবি ব্যবহার করে এই ব্রন্ডব্যান্ডের ৬০ লাখ গ্রাহক আর বাকি ১২০ মতো যায় টেলকোর ৬ কোটি গ্রাহকের ব্যবহারে।

বৃষ্টিতে ইন্টারনেটের এই সমস্যার কারণ জানতে গিয়ে ইন্টারনেট যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও বিডিনগ বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ সাবির টেকশহরডটকমকে জানান, ‘আমাদের যে ব্রডব্যান্ড সেটা সব জায়গায় সত্যিকার অর্থে ব্রডব্যান্ড হয়ে উঠতে পারেনি। এই জন্যই অবস্থাটা হয়। যেসব সংযোগ এফটিটিএইচ, ভিকম বা ফাইবার অপটিকে একদম বাসা পর্যন্ত কানেক্টিভিটি আছে সেখানে সমস্যাগুলো হয় না।’

‘কিন্তু অধিকাংশ পাড়ায়, বাসায় বা এলাকাতে যে ব্রডব্যান্ডটা দেয়া আছে সেটা হচ্ছে ইথারনেট ক্যাবল টেনে সুইচ করে করে এক বাসা হতে আরেক বাসায় সংযোগ দেয়া। বৃষ্টি হলে এই তারগুলো ফেটে যায়, শর্ট হয়ে যায় বা সুইচবক্স শক হয়ে পুড়ে যায় তখন এই সমস্যাগুলো তৈরি হয়।’

ঢাকায় কিছু এলাকার বাসায় ফাইবার সংযোগ থাকলেও ফাইবার অপটিক সংযোগ বাসা পর্যন্ত গেছে এমন সংখ্যাটা যে কম এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই বলে উল্লেখ করেন ব্যান্ডউইথ আমদানিকারক কোম্পানি ফাইবার অ্যাট হোমের এই চিফ স্ট্রাটেজিক অফিসার।

আমাদের এই ইনফ্রাস্ট্রাকচারটা এখনও ওভাবে গড়ে উঠেনি। এটি এখনও দূর্বল। তবে বৃষ্টিতে ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়াটা দুর্ভাগ্যজনক বলে তিনি বলছেন।

বৃষ্টির এই ভোগান্তি হতে মুক্তি মিলবে যদি ফাইবার অপটিক ক্যাবলে সংযোগ নেয়া হয়। সুমন জানান, পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে বৃষ্টির জন্য ইন্টারনেট চলে যাওয়ার কথা না। তবে বড় ঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুৎ, সড়ক সবকিছুর মতো ইন্টারনেটেও ডিজাস্টার তো হয়ই।

দেশের ইন্টারনেট সেবা দাতাদের সংগঠন আইএসপিএবি এর সভাপতি এম.এ. হাকিম টেকশহরডটকমকে জানান, ‘কেউ সংযোগ দিতে রাস্তার মধ্যে বক্স বসায়। ওখানে একটা সুইচ দিয়ে আশেপাশে ইউটিপি ক্যাবল টেনে দিচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে সেগুলো বজ্রপাতে পুড়ে যেতে পারে, বিদুৎবাহিত হয়ে কম্পিউটারের মাদারবোর্ড জ্বলে যেতে পারে বিভিন্ন সমস্যার কারণে সবাই পাওয়ার বন্ধ করে বসে থাকে। এটা টেকনোলজিক্যাল কারণ।’

‘যারা ফাইবার অপটিক ব্যবহার করে তাদের এই সুইচ বন্ধের দরকার পরে না। ফাইবার অপটিক বিদ্যুৎ পরিবাহী না। আর যারা ইউটিপি ক্যাবল কিংবা অন্য ক্যবল ব্যবহার করে যেখানে বিদ্যুৎ পরিবাহী হওয়ায় বৃষ্টি-বজ্রের সময় সেটি ব্যবহারী পর্যন্ত চলে আসে।’

সমস্যা সমাধান না হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছেন বলে জানান তিনি। বড় আইএসপিগুলোর যে সব এলাকায় সংযোগ রয়েছে সেগুলোর সর্বনিম্ন সংযোগে চার্জ ১ হাজার বার’শ। কারণ তারা যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে তা দিয়ে নিম্ন প্যাকেজটাও আর কমে না।  আর পাড়া বা এলাকাগুলোতে স্থানীয় ছোট ছোট আইএসপিগুলো যে সংযোগ দেয় তার অফার থাকে ৫’শ টাকায় পাঁচ এমবিপিএস, তিন এমবিপিএস। এগুলো হোম ইউজারদের টার্গেট করেই চলে। তাই বাসাবাড়িতে এসব সংযোগই বেশি। যারা ফাইবার অপটিক ব্যবহার করে না এবং প্রযুক্তিটা ভাল নয়।

প্রতিযোগিতায় এই দামের পার্থক্যের কারণে একেবারে হোম ইউজার টার্গেট করে বড় আইএসপিগুলো এলাকা ও অলিগলিতে যায় না।  গ্রাহকরা কম দামের সংযোগটাই নিতে চান। তারা প্রযুক্তির বিষয়টা খুব একটা বিবেচনায় নেন না বলেন নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এই ব্যবসায়ী।

এছাড়া এলাকাভিত্তিকর মাসল পাওয়ার আরেকটা কারণ হিসেব উল্লেখ করে এম.এ হাকিম। তিন বলেন, স্থানীয়ভাবে এই ব্যবসাটা তারাই করতে চায়। এসব আইএসপির অনেকেরই লাইসেন্সও নেই। ৭০-৮০ শতাংশ অবৈধ আইএসপি। আমরা প্রায়ই বিটিআরসিকে বলি। বিটিআরসি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়, গ্রাহকদের বলে যে তাদের সংযোগ না নিতে, অবৈধ আইএসপির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নয় কিন্তু এর মাঝখানে এক ফাঁক থেকে যায়।’

ফাঁকটা কোথায় তার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘পুলিশ-বিটিআরসি যখন অভিযান চালায় তখন এদের আইডেন্টিফাই করতে পারে না। কারণ লাইসেন্স থাকা কোনো কোনো আইএসপির পপ হিসেবে ওই স্থানীয় অবৈধ আইএসপিরা নিজেদের হাজির করে। আসলে এই আইএসপিগুলো ন্যাশন-ওয়াইড কিন্তু ব্যবসা কম তাদের কেউ সাপোর্ট দিচ্ছে আর মাসে কোনো ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ওই এলায় ব্যান্ডউইথ দিয়ে ব্যবসা করে। এই অবৈধ আইএসপিরা তো ব্যান্ডউইথ পাচ্ছে, কেউ না কেউ তাদের ব্যান্ডউইথ দিচ্ছে।’

প্রতিকার নেই শুধু অভিযোগেই শেষ বৃষ্টিতে ইন্টারনেট ভোগান্তি। মিরপুর বসবাসকারী তাহমিদ অপটিমা নামে একটি আইএসপির ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করেন। তিনি জানান, বৃষ্টি আসলে ইন্টারনেট লাইন থাকে না। আজকে বৃষ্টির দিনে সারাদিনই ইন্টারনেট ছিলো না।

রাহাত রহমান জানান, আইসিসি নামে প্রতিষ্ঠানের ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করেন তিনি। বৃষ্টি আসলেই ইন্টারনেট হয়ে যায় স্লো বা থাকে না। বেশিভাগ সময় বাজ পড়ার শব্দ পেলেই ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয়।

ফ্রিল্যান্সার মেহেলি পারভীন পান্থপথে একটি আইএসপির সংযোগ ব্যবহার করেন। সোমবার দিনভর বৃষ্টিতে তার ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ। যোগাযোগ করলেও বৃষ্টি কমলে সংযোগ চালু হবে বলে তাকে তার আইএসপি জানায়। অথচ এদিন তার দুটি কাজ ডেলিভারি দিতে হবে। বাধ্য হয়ে মোবাইলে ডেটা কিনে কাজ করছেন তাও অনেক ধীর গতির ইন্টারনেটে।

নির্দেশনা না মেনে রবির ‘অসময়’ এসএমএস

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গভীর রাতে গ্রাহকদের কাছে কোনো প্রমোশনাল এসএমএস না পাঠানোর নির্দেশনা থাকলেও তা মানেনি রবি।

বুধবার দিবাগত রাত ১টা ৪৬ মিনিটে গ্রাহকদের প্রমোশনাল এসএমএস পাঠিয়েছে অপারেটরটি। অথচ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নির্দেশনা ছিল রাত ১২টা হতে ভোর পর্যন্ত কোনো প্রমোশনাল এসএমএস পাঠানো যাবে না।

রবি গভীর রাতে পাঠানো ওই এসএমএসে বান্ডেল প্রমোশন করে। সেখানে ৯৯৭ টাকা রিচার্জের সঙ্গে টক টাইম, ডেটা, এসএমএস ও জার্সি ফ্রি দেয়ার অফার দেয়া হয়।

২০১৬ সালের ১৫ মে সচিবালয়ে এক বৈঠকে ‘অসময়’ এসএমএস ও ফোন কল নিয়ে অপারেটরগুলোকে সতর্ক করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

ওই বৈঠকে তারানা বলেছিলেন, বিভিন্ন অপারেটর গ্রাহকদের কাছে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন বা প্রমোশনাল এসএমএস পাঠায়। শুধু এসএমএস নয়, অপারেটরের কাছ থেকে ফোন কলও আসে যাতে গ্রাহকরা বিরক্ত হন। অথচ গ্রাহকরা এগুলো এড়াতে পারেন না।

প্রতিমন্ত্রী অপারেটরদের নির্দেশনা দেন, অনেক আগেই বলা হয়েছিল রাত ১২টা থেকে ভোরে, ফজরের নামাজ অব্দি এইসব প্রমোশনাল এসএমএস দেওয়া যাবে না।

‘অন্ততপক্ষে রাত ১২টা থেকে শুরু করে ভোরে নামাজ পর্যন্ত কোনো টেক্সট ম্যাসেজ যাবে না। আশা করি আপনারা এটা ফলোআপ করবেন।’

এর পর গ্রাহকরা অনেকদিন এই বিরক্তি হতে রেহাই পেয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রীর এই নির্দেশনা ভেঙ্গে রবি আবার এই গ্রাহক বিরক্তির কাজ শুরু করলো।

আল-আমীন দেওয়ান

 

৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগের অগ্রাধিকারে তথ্যপ্রযুক্তি খাত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : আগামী দুই বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাতসহ বিভিন্ন স্টার্টআপে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চান ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টরা।

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল (ভিসি)  অ্যান্ড প্রাইভেট ইক্যুয়েটি অ্যাসোসিয়েসন অব বাংলাদেশ (ভিসিপিইএবি)-এর সভাপতি শামীম আহসান এই বিনিয়োগ লক্ষ্যের কথা জানান। তবে খাতটিতে করারোপ এই লক্ষ্য অর্জনে অন্তরায় হতে পারে বলে বলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির শীর্ষস্থানীয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফেনক্স ভেঞ্চারের এই জেনারেল পার্টনার বলেন, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অর্থায়ন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন আর্থিকখাত হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনেক সংশয় আছে। তাই এই শিল্প পরিণত হওয়া পর্যন্ত কর্পোরেট কর অব্যাহতি দরকার।

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এর বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পেতে কমপক্ষে ৭ হতে ৮ বছর সময় লাগে। এ সময় তাদের টিকে থাকা খুব দুষ্কর। সুতরাং এখানে কমপক্ষে ১০ বছরের জন্যে কর মওকুফ সুবিধা দেয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

চলতি বাজেটে অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডকে কর অব্যাহতির আওতায় আনাকে স্বাগত জানিয়ে শামীম বলেন, ফান্ড ম্যানেজাররা বা ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টরা কোনো কর অব্যাহতি পাননি। আবার এই ফান্ডের আয় যখন বন্টিত হবে তখন তা করযোগ্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

দেশে ফেনক্স ২০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে । ইতোমধ্যে কোম্পানিটি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বেশ বিনিয়োগও করেছে।  প্রিয় ডটকম, বাগডুম, আজকেল ডিল, সহজ ডটকম ও হ্যান্ডিমামাতে বড় অংকের অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে জানান এই ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট।

২০১৫ সালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ২০১৫ সালে অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট বিধি পাসের পর দেশে বিভিন্ন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও প্রাইভেট ইকুইটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। দেশে সক্রিয় থাকা কয়েকটি কোম্পানিসহ দেশের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও প্রাইভেট ইকুইটি কোম্পানি মিলে ২০১৬ সালে ভিসিপিইএবি প্রতিষ্ঠা করে।

সংগঠনটির বর্তমান সদস্য হচ্ছে, ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, বিডি ভেঞ্চার লিমিটেড, মসলিন ক্যাপিটাল লিমিটেড, ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লি, বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল লিমিটেড, লংকা বাংলা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, এথেনা ভেঞ্চার এবং ইকুইটি লিমিটেড।

সম্প্রতি ভিসিপিইএবি-এর সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মহাসচিব শওকত হোসেন বলেন, স্টার্ট আপরা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কোথাও থেকে আর্থিক সহায়তা পায় না। পৃথিবীব্যাপী ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিরাই তাদের অর্থের যোগান দিয়ে থাকে। তাই বাংলাদেশে স্টার্ট আপ বা উদ্ভাবনী উদ্যোগের বিকাশের স্বার্থে ভেঞ্চার ক্যাপিটালের বিকাশ প্রয়োজন।

বিডি ভেঞ্চারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসেন জানান তাঁর প্রতিষ্ঠান ডক্টরোলা, এসো শিখি, ব্রেইন স্টেশন, সাসটেইবল পাওয়ারসহ কয়েকটি উদ্যোগে বিনিয়োগ করেছে। এখানেও বেশিরভাগ উদ্যোগ তথ্যপ্রযুক্তির।

ওই সংবাদ সম্মেলনে ভিসিপিইএবির কোষাধ্যক্ষ ও সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী সহিদুল ইসলাম, পরিচালক এবং মাসলিন ক্যাপিটালের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি-উল- মারূফ মতিনসহ পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আল-আমীন দেওয়ান

গ্রাহক বাড়াতে মরিয়া রবি, বিলাচ্ছে ফ্রি সিম

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রাহক বাড়াতে একীভূত কোম্পানি রবি এতোটাই মরিয়া হয়ে উঠেছে যে তারা ফ্রি সিম বিলাতে শুরু করেছে।

এর আগে তাদের সঙ্গে একীভূত কোম্পানি এয়ারটেলের সিম ফ্রি দিলেও এবার রবির ০১৮-ই ফ্রি বিলাতে শুরু করেছে অপারেটরটি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্রাহক বাড়াতে সিম প্রতি বড় ধরনের লোকসানও মেনে নেওয়ার কৌশল নিয়েছে অপারেটরটি।

এমনকি প্রতিটি সিমে একেক অপারেটরের আড়াই’শ টাকার মতো খরচ হয়। এখন ফ্রি সিম দিয়ে দিয়ে একেকটি সিমে অন্তত পক্ষে আড়াই’শ টাকার ক্ষতি মেনে নিতে হয় অপারেটরটিকে।

এর আগে এয়ারটেলের ক্ষেত্রে সরাসরি ফ্রি বললেও এবার খানিকটা ঘুরিয়ে বলছে তারা। এবার নতুন সিমের সঙ্গে ছয় জিবি ইন্টারনেট ফ্রি দিচ্ছে অপারেটরটি। এর বাইরে ৫০টি এসএমএস।

যার দাম সব মিলে বলা হচ্ছে একশ টাকা। কিন্তু এই সিমটি পেতে গ্রাহককে দিতে হবে মাত্র ৮৪ টাকা।

আর এক্ষেত্রে আগের বারের মতো বড়সড় কোনো প্রচারণাও চালাচ্ছে না তারা। সেক্ষেত্রে একটা সিম ফ্রি দিলেও সেটি যে শেষ পর্যন্ত টিকবে তেমনটা হয় না। বাজারের এখনকার হিসেব অন্তত নতুন পাঁচটা সিম বাজারে গেলে শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে একটা টেকে। তাহলে প্রতিটি নতুন গ্রাহক ধরতে এয়ারটেল বা তাদের একীভূত কোম্পানির অন্তত বার’শ টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

শনিবার ফার্মগেটে এক খুচরা বিক্রেতা হাকডাক করে রবির সিম বিক্রি করছিলেন। তার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রতি সিমের দাম যে ৮৪ টাকা নেওয়া হচ্ছে এর কোনো কিছুই রবির অ্যাকাউন্টে যাচ্ছে না। পুরোটাই থেকে যাচ্ছে খুচরা বিক্রেতা আর বিপননকারীদের কাছে।

শুধু বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে আঙ্গুলের ছাপ আর জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েই মিলছে এই সিম।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রবির হাতে যেহেতু ০১৬ এবং ০১৮ মিলিয়ে ২০ কোটি পর্যন্ত নম্বর বিক্রি করার সুযোগ আছে সুতরাং এই সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে চান তারা।

অন্যদিকে গ্রামীণফোন তাদের ০১৭ সিরিজে প্রায় দশ কোটি নম্বর বিক্রি করে ফেলেছে। আর বিটিআরসি যেহেতু তাদেরকে নতুন নম্বর সিরিজ দিচ্ছে না, সুতরাং এই সুযোগে জিপি তার নিজের জায়গায় আটকে থাকলেও রবি অনেকটাই এগিয়ে যাবে।

আর এটাকেই সুযোগ হিসেবে নিয়ে ফ্রি সিম বিলানোর প্রতিযোগিতা শুরু করেছে রবি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর আগেও রবি একটি রবি সিমের সঙ্গে একটি এয়ারটেল সিম ফ্রি হিসেবে দিয়েছে।

আর. এস. হুসেইন

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলার দাপুটে হওয়ার মিশন শুরু

আল-আমীন দেওয়ান, টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বাংলায় চিঠি লিখলেন। আর সে চিঠি পড়ে আপনার মনের কথা বুঝে ফেলছে ডিভাইস। ইন্টারনেট বা ওয়েবে বাংলা কথামালার ভেতরে থাকা আবেগ-অনুভূতিগুলোও ধরে ফেলবে এদেশেরই তৈরি করা সফটওয়্যার।

বাংলা বানান ও ব্যাকরণে ভুল করেও আর হবে না ভুল। একজন নির্ভুল পরীক্ষক সারাক্ষণ সঙ্গী হয়ে থাকবে আপনার লেখাজোখায়। গুগলে দাঁতভাঙ্গা অনুবাদ নয়, পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন ভাষার বই বা কনটেন্টটি আপনার প্রয়োজনে নিমিষেই ঝরঝরে বাংলায় অনুবাদ হয়ে মেলে থাকবে আপনার ল্যাপটপ বা মোবাইলের স্ক্রিনে।

আবার বাকহীনদের ভাষা বুঝবেন কীভাবে ? ইশারা ভাষাও জানেন না। এখানেও সমাধান, ইশারা রূপান্তর হয়ে শুনতে পাবেন শ্রুতিমুধুর বাংলা।

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষাকে নিয়ে এমন আরও উদ্যোগ বাস্তবায়নে শুরু হয়েছে যজ্ঞ। আর উদ্যোগটা সরকারের।

প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক শুরু ও নীতিনির্ধারণী কার্যক্রম : 

চলতি বছরের প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) অনুমোদন পায় গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ শীর্ষক প্রকল্প। ৩ জানুয়ারি অনুমোদন দেয়া ১৫৯ কোটি ২ লাখ টাকার প্রকল্পটিতে এখন কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা রয়েছে ২০১৬ সালের জুন হতে ২০১৯ এর জুন পর্যন্ত।

প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সাধারণ ও অল্পশিক্ষিত মানুষও তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় আসছেন। এতে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ব্যবহার সকলের জন্য সহজ হবে।

এছাড়া গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাকে শীর্ষ পর্যায়ে নেয়া, তথ্যপ্রযুক্তি সহায়ক বাংলা ভাষার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রমিতকরণ, বাংলা কম্পিউটিংয়ে বিভিন্ন টুলস, প্রযুক্তি ও বিষয়বস্তুর উন্নয়ন এবং জরিপ, সমীক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম করা হবে।

একনেক অনুমোদনের এক মাস পরই ৪ ফেব্রুয়ারি প্রকল্পটির প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়। ১৫ মে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি প্রথম সভায় বসে। স্টিয়ারিং কমিটি সভা করে ২৪ মে।

প্রকল্পে যা এখন দৃশ্যমান :

প্রকল্প পরিচালক হিসেবে ইতোমধ্যে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ। সঙ্গে ডেপুটি হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ রাশেদ ওয়াশেফ।

প্রকল্পের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তির বরাদ্দও দেয়া হয়েছে। সরাসরি পদ্ধতিতে দুইজন অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং একজন হিসাবরক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

সাতটি পদে কনসালট্যান্ট নিয়োগের মূল্যায়ন ইতোমধ্যে সম্পন্ন। এগুলোর প্রাক চুক্তি নেগোসিয়েশনও করা হয়েছে, যা এখন অনুমোদনের অপেক্ষায়। মূলধন খাতে আসবাবপত্র কিনতে কার্যাদেশ দেয়া শেষ। যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য দরপত্র মূল্যায়ন চলছে।

বর্তমানে বিসিসি ভবনের ৯ তলায় প্রকল্পটির কার্যালয় থাকলেও ভবনের ১৪ তলার উত্তরাংশে এর জন্য ২৫০০ বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রকল্পটির স্থায়ী ঠিকানা হবে সেখানেই।

অগ্রগতিতে যা হচ্ছে :

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে (বিসিসি) সফটওয়্যারের স্পেসিফিকেশন ও মূল্যমান নিরূপণে বৈঠকে বসে প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ কমিটি।

বিসিসির নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকারের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠিত হয়। সভায় একটি কারিগরি কর্মশালা করে প্রকল্পের টুলসগুলো সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে বলে টেকশহরডটকমকে জানান প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার।

২০ জুনে ওই কর্মশালা করার কথা রয়েছে।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রকল্পটির মেয়াদ হিসাবে ইতোমধ্যে এক বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। সামনে আছে আরও দুই বছর। কাজটি বিশাল, ব্যাপক। সময়টা খুবই কম। তবে কাজটি শুরু করে সফলতা অর্জন করা গেলে সময় বাড়ানো হয়তো তেমন কঠিন কাজ হবে না।

বিশেষজ্ঞ কমিটির এই সদস্য মনে করছেন, বিশ্বের অন্য ভাষাগুলোর তূলনায় আমাদের ভাষার প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধিকরণ আদৌ না হবার ফলে এটি হয়ে দাঁড়িয়েছে একমাত্র সুযোগ যার ভিত্তিতে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সারা বিশ্ব জয় করবে।

বিশেষজ্ঞ কমিটিতে আরও রয়েছেন কম্পিউটার বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ডঃ জিনাত ইমতিয়াজ আলী, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিনিধি সুশান্ত কুমার সরকার, বুয়েটের প্রতিনিধি মোঃ মনিরুল ইসলাম, বাংলা একাডেমির প্রতিনিধি অপরেশ কুমার ব্যানার্জি ও প্রকল্প পরিচালক।

যেসবের জন্য এত আয়োজন :

১. বাংলা করপাস বা ভাষাংশ
২. বাংলা ওসিআর
৩.বাংলা স্পিচ টু টেক্সট এবং টেক্সট টু স্পিচ
৪. ন্যাশনাল কিবোর্ডের আধুনিকায়ন
৫. স্টাইল গাইড
৬. বাংলা ফন্টের ইন্টার-অপারেবিলিটি ইঞ্জিন
৭. বাংলা ভাষায় কমন লোকাল ডেটা রিপোজিটোরি (সিএলডিআর)
৮. বাংলা বানান ও ব্যাকরণ শুদ্ধিকরণ বা এক্সামিনার
৯. বাংলা মেশিন ট্রান্সলেটর ডেভেলপমেন্ট
১০. স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার
১১. প্রতিবন্দ্বীদের জন্য সফটওয়্যার, ডিজিটাল ইশারা ভাষা
১২. সেন্টিমেন্ট অ্যানালাইসিস টুলস উন্নয়ন
১৩. বাংলার জন্য বহুভাষিক সার্ভিস প্লাটফর্ম
১৪. সাইট অনুবাদ
১৫. নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ভাষার প্রমীত কিবোর্ড
১৬. বাংলার আন্তর্জাতিক ফোনেটিক অ্যালফাবেট উন্নয়ন।

প্রশ্ন আছে সক্ষমতারও :

মোস্তাফা জব্বার মনে করেন এমন একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা বড় চ্যালেঞ্জ । এতদিন তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার উন্নয়নে অর্থ সংস্থানের শঙ্কা থাকলেও এখন সবাই ভাবছেন এই কাজগুলো সম্পন্ন হবে কেমন করে।

বাংলার ভাষাবিজ্ঞানী ও তথ্যপ্রযুক্তি বিজ্ঞানী উভয়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় প্রকল্পের সফলতার দৃঢ় আশাবাদ জানিয়ে তিনি টেকশহরডটকমকে বলেন, ভাষার জন্য রক্ত দেয়া জাতি হিসেবে আমরা কোনোভাবেই এটিকে ব্যর্থ হতে দিতে পারিনা।

জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বাংলা ভাষার এই টুলসগুলো উন্নয়ন করার জন্য সক্ষমতা অনুসন্ধানের তথ্য দিয়ে এই তথ্যপ্রযুক্তিবিদ জানান, বাংলা নিয়ে কাজ কেবল আমাদেরই করার বিষয় নয়। এরই মাঝে অ্যাপল, মাইক্রোসফট, গুগল ও ফেইসবুকের মতো প্রতিষ্ঠান বাংলা নিয়ে কাজ করছে। তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সন্দেহাতীত বলেই তাদের উন্নয়ন করা প্রযুক্তিগুলো যদি সরকার সংগ্রহ করতে পারে তবে অনেক ক্ষেত্রেই এই প্রকল্পটিতে সহায়তা পাওয়া যাবে।

টেলিনর ইগনাইট ইনকিউবেটরে সেরা জিপির দুই উদ্ভাবনী ধারণা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : গ্রামীণফোনের দুটি উদ্ভাবনী ধারণা টেলিনরের ইগানাইট ইনকিউবেটর কর্মসূচীর সেরা তিনে জায়গা করে নিয়েছে।

গ্রামীণফোনের কর্মীদের নিয়ে গঠিত ঈগলআই ও লিকুইডআই দল দুটি গাড়ির জ্বালানী পর্যবেক্ষেণের জন্য আইওটিভিত্তিক ব্যবস্থা এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য তাৎক্ষণিক লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্টের ধারণা উপস্থাপন করেছিল।

বিজয়ী দল দুটিকে এই ধারণা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় তহবিল দেয়া হবে।

গ্রামীণফোন জানায়, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে উদ্ভাবনের প্রবনতাকে উৎসাহিত করতে টেলিনরের একটি বিশেষ উদ্যোগ ইগনাইট। এর দ্বিতীয় পর্বে টেলিনরের বিভিন্ন কোম্পানি থেকে ১৩০টি ধরাণা জমা পড়ে, যার মধ্যে ৩০টি গত ফেব্রুয়ারি মাসে সিংগাপুরে উপস্থাপন করা হয়।

এখান থেকে ১০টি দল ৩ মাসের ইনকিউবেটর কর্মসূচির জন্য নির্বাচিত হয়। তিন মাসের বুটকাম্পে দলগুলো তাদের ধারণা নিয়ে গবেষণা ও পরীক্ষা করে।

শেষে টেলিনর সদরদপ্তরে একটি আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড, টেলিনর কর্মী এবং এর শীর্ষ ব্যবস্থাপকদের সামনে চূড়ান্ত মূল্যায়নে ধারণাগুলো উপস্থাপিত হয়।

গ্রামীণফোন ছাড়া সেরা তিন ধারণার মধ্যে আরেক দল হচ্ছে বুলগেরিয়ার সিগন্যাল যারা দূর হতে স্মার্টফোন ব্যক্তিগতকরণ ও বয়স্কদের সহায়তা করার ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে।

আল-আমীন দেওয়ান

অসচেতনতায় ‘গুরুত্বহীন’ ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ইন্টারনেটে তথ্যের নিরাপত্তা ও অথিনটিসিটিতে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের ব্যবহার সাইবার হামলা, ই-লেনদেন সংক্রান্ত ঝুঁকি হতে সুরক্ষা দিয়ে থাকে। অথচ প্রচারণার অভাব ও অসচেতনতায় এই সার্টিফিকেটের ব্যবহার বাড়ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশে সম্প্রতি কার্যক্রম শুরু করা বাংলাদেশ পাবলিক কি ইনফ্রাস্ট্রাকচার বা পিকেআই ফোরাম জানায়, দেশে ২০১২ সালে সরকারের সার্টিফাইং অথরিটি (সিসিএ) কার্যক্রম শুরু করছে। প্রায় ৫ বছরেও দেশব্যাপী উল্লেখযোগ্য এর ব্যবহার নেই। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৫ হাজার যে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে তার বেশিরভাগই সরকারি দপ্তরগুলোতে কর্মকর্তাদের জন্য।

সরকারের সিসিএ এ পর্যন্ত ৬টি লাইসেন্স ইস্যু করেছে। এই ৬টি কোম্পানি বাংলাদেশ পিকেআই ফোরামের সদস্য। দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত এই কোম্পানিগুলোই একমাত্র ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট দিতে পারে। ফোরামে কোম্পানিগুলো ছাড়াও শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবি সদস্য রয়েছেন।

সিসিএ এর কন্ট্রোলার আবুল মনসুর মোহাম্মদ শরফুদ্দিন আহমেদ জানান, সরকারি কার্যক্রমে শিগগির ই-নথি ও ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ব্যবহার শুরু করা সম্ভব হবে।

পিকেআই বিষয়ে জনগনকে আরও ভালোভাবে সচেতন করলে সহজে সফলতা পাওয়া সম্ভব উল্লেখ করে তিনি জানান, নাগরিক ই-সেবায় দক্ষিণ কোরিয়া এখন বিশ্বে এক নম্বর। দেশটি কয়েক বছর আগে গৃহিনীদের দিয়ে এ বিষয়ে সচেতনতা শুরু করেছিলো। এখন তাদের সব নাগরিক সেবা অনলাইনের মাধ্যমে নিরাপদভাবে পাওয়া যাচ্ছে এবং নাগরিকরা তা ব্যবহার করছে।

রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পিকেআই ফোরামের সভাপতি এ কে এম শামসুদ্দোহা জানান, মূলত বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত বেসিক নিরাপত্তা ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করবে ফোরাম। নবগঠিত ফোরামটি ইতোমধ্যে এশিয়া পিকেআই কনসোর্টিয়ামেরও প্রিন্সিপাল সদস্য মনোনীত হয়েছে।

২৪ মে চীনের ফুজোওয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া পিকেআই কনসোর্টিয়ামে বাংলাদেশ এই সদস্যপদ পেয়েছে বলে জানান তিনি।

শামসুদ্দোহা বলেন, সরকারের ই-টেন্ডারিং, কাস্টমস ক্লিয়ারিং ডকুমেন্টস, জয়েন্ট স্টক কোম্পানির রিটার্ন জমা, আয়কর রিটার্ন, ন্যাশনাল আইডি স্মার্টকার্ডসহ ইত্যাদিতে পিকেআই কার্যকরের বিকল্প নেই।

বর্তমান সময়ে দিন দিন সাইবার হামলার আশংকা বাড়ছে এ প্রেক্ষিতে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. মো. কায়কোবাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুরাইয়া পারভীন, সিসিএ এর ডেপুটি কন্ট্রোলার আবদুল্লাহ আল-মামুন ফারুক, পিকেআই ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও ডাটাএইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিফুজ্জামান।

এত দীর্ঘ সময় পরও ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট ব্যবহারের হার অত্যন্ত কম থাকায় সংবাদ সম্মেলনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন উপস্থিত বিশেষজ্ঞজনরা।

আল-আমীন দেওয়ান

বৈধ পথে আইফোন আমদানিতে শঙ্কা

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : বৈধ পথে দেশে আইফোন আনা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন আমদানিকারকরা। আইফোন আমদানিতে তারা এখন আগ্রহী নন।

দেশে আইফোন আমদানিকারক সিপিএল এর মূল কোম্পানি ইউনিয়ন গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের এমডি রাকিবুল কবির জানান, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি গ্রে ফোন আসে আইফোন। বৈধ পথে ১০ হাজার আইফোন আনলে গ্রে ফোন বাজারে আসে ৫০ হতে ৬০ হাজার।

ইউনিয়ন গ্রুপের মোবাইল অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিভিশনের সিপিএল কোম্পানি দেশে আইফোন আমদানি ও ডিস্ট্রিবিউশনে অন্যতম।

রাকিবুল কবির বাংলাদেশ মোবাইল ফোন আমদানিকারক অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ) এর সিনিয়র সহ-সভাপতিও। তিনি বলেন, বৈধ পথে আমদানি ও গ্রে মার্কেটের এই হিসাব ২০১৬ সালের। এটা হতাশাব্যাঞ্জক এবং একদম অসামঞ্জস্য।

iphone-techshohor

এ বছর সব মিলে সাড়ে ৩৪ শতাংশ শুল্ক ও করের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা আর আইফোন ইমপোর্ট করবো না। আগে ১০ হাজার আনতাম এখন ৫০০ আসবে-অপারেটরসহ কিছু ক্লায়েন্টের জন্য। ৯৫ শতাংশ আইফোনের বাজারই হবে গ্রে।’

যদি এই ডিউটি থাকে তাহলে কোনোভাবেই সম্ভব না আইফোন ইমপোর্ট করে বিক্রি করা। এটি শতভাগই গ্রে আসবে বলে এই আমদানিকারক মন্তব্য করেন।

বিএমপিআইএ এর সহ-সভাপতি এবং এডিসন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও  আমিনুর রশীদও আশংকা প্রকাশ করে বলেন, দেশে ফিচার ফোনও গ্রে মার্কেটে আসা শুরু হয়ে যাবে। যেটা এখন ৬৮ হতে ৭০ শতাংশের বাজার। ভারতে হ্যান্ডসেটে শুল্ক এখন ২ শতাংশ। এখন সহজেই তা চলে আসবে বাংলাদেশে।

বিএমপিআইএ গত ৩ জুন এক সংবাদ সম্মেলন করে। সেখানে দেশে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেট আমদানিকারক ও সংগঠনটির অন্যান্য নেতারাও এমন আশংকার কথা জানান।

সে সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি রুহুল আলম আল মাহবুব, সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন, সহকারি যুগ্ম-সম্পাদক জয়নাল আবেদিনসহ অন্যান্য নেতারা।

আল-আমীন দেওয়ান

মার্জার সার্টিফিকেট না নিয়েই ফিরেছেন আজিয়াটা প্রধান

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ‘অর্ডার অব মার্জার লাইসেন্স’ না নিয়েই ফিরে গেছেন আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদের এমডি, প্রেসিডেন্ট ও গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার জামালুদ্দিন ইব্রাহিম।

বুধবার রাতে একদিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন রবির মূল কোম্পানি আজিয়াটার এই শীর্ষ কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার দিন শেষে তিনি ফিরে যান।

আর বৃহস্পতিবারই টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির কাছ থেকে ‘অর্ডার অব মার্জার অব লাইসেন্স’ পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিটিআরসির চেয়ারম্যান দেশে না থাকা এবং আরও কিছু কারণে এই লাইসেন্স দেয়া যায়নি।

একীভূতকরণের পর রবির ব্যবস্থাপনা পরিষদ ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা, নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আলাপসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজে সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় এসেছিল আজিয়াটার শীর্ষ কর্মকর্তার নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলটি।

দলটি টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের সঙ্গে বৈঠক করে। এ সময় প্রতিমন্ত্রীর কাছে এয়ারটেলের সঙ্গে একীভূতকরণের পর রবির অগ্রগতি তুলে ধরেন আজিয়াটার প্রধান।

বৈঠকে ছিলেন আজিয়াটার দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল সিইও ড. হানস বিজয়সুরিয়া, রবির ম্যনেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, আজিয়াটা গ্রুপর চিফ কর্পোরেট অফিসার মোহাম্মদ ইধাম নাওয়াউই ও রবির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড পিপল অফিসার মতিউল ইসলাম নওশাদ।

আজিয়াটা প্রধান রবির ব্যবস্থাপনা পরিষদ ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে রবির ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন। তখন আরও কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন আজিয়াটা গ্রুপ চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার বিবেক সুদ, গ্রুপ চিফ বিজনেস অপারেশন্স অফিসার মোহাম্মদ আসরি হাসান সাবরি, গ্রুপ চিফ এইচআর অফিসার ডারকি এম সানি, গ্রুপ চিফ ট্যালেন্ট অফিসার দাতিন বদরুন্নিসা মো. ইয়াসিন খান, গ্রুপ চিফ টেকনোলজি অফিসার আমানদীপ সিং এবং গ্রুপ চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার ডমিনিক পল অ্যারেনা।

রবিকে পরবর্তী প্রজন্মের ডিজিটাল কোম্পানিতে রূপান্তরে রবি একসেলারেটেড ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সদস্যরা অপারেটরটিকে ডিজিটাল কোম্পানি হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তাদের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

অাল-আমীন দেওয়ান